০৫:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘পেট্রোল পাম্প উদ্বোধন’ থেকে সূর্যকুমারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৩৯:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
  • ৫ Time View

স্পোর্টস ডেস্ক

আহমেদাবাদে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে ভারত ইতিহাস গড়ে। এই জয়ের মাধ্যমে তারা প্রথম দল হিসেবে টানা দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে, একই সঙ্গে তিনবার শিরোপা জয়ের কৃতিত্বও অর্জন করেছে। এছাড়া নিজেদের মাটিতে প্রথমবারের মতো এই শিরোপা ঘরে তোলে ভারত।
জয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সূর্যকুমার প্রায় ১২ বছর আগের একটি পুরোনো ছবি শেয়ার করেন। ছবিটি ছিল তার সংগ্রামের সময়ের স্মৃতি। সেই ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘বন্ধুর পেট্রল পাম্প উদ্বোধন… ওর জন্য খুব খুশি।’
এর পাশাপাশি তিনি আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে নিজের একটি ছবিও প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আজ এই মানুষটার জন্য ভীষণ খুশি।’
ম্যাচ শেষে কথা বলতে গিয়ে সূর্যকুমার জানান, ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটার ডেভিড মিলারের সেই বিখ্যাত ক্যাচই তার জীবন বদলে দিয়েছে।
বার্বাডোজে অনুষ্ঠিত সেই ফাইনালে সূর্যকুমার অসাধারণ এক ক্যাচ নিয়ে মিলারকে আউট করেন। শেষ ওভারে বাউন্ডারি লাইনের কাছে দারুণ দক্ষতায় বলটি ধরে ফেলেন তিনি। লং-অফ থেকে দৌড়ে এসে বলটি ধরে ফেললেও গতি তাকে সীমার বাইরে নিয়ে যাচ্ছিল। তখন তিনি বলটি আকাশে ছুড়ে দিয়ে আবার মাঠে ফিরে এসে ক্যাচ সম্পন্ন করেন। সেই মুহূর্তটি ভারতের শিরোপা জয়ের পথে বড় বাধা দূর করেছিল।
নিজের যাত্রা সম্পর্কে সূর্যকুমার বলেন, ‘এটা দারুণ একটি যাত্রা। সমালোচনা জীবনের অংশ, সেখান থেকে পালিয়ে থাকা যায় না। ভালো করলে মানুষ ভালো বলবে, আর খারাপ করলে বলবে না—এটাই স্বাভাবিক। একজন খেলোয়াড়ের জীবনে এসব থাকবেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘২০২৩ সালের পথ পেরিয়ে আমরা ২০২৪ সালে বার্বাডোজে শিরোপা জিতেছিলাম। সেই ক্যাচ আমার জীবন পুরো বদলে দিয়েছে। কারণ সেটাই ছিল পুরো আসরের অন্যতম সেরা মুহূর্ত। এরপর যখন আমি এই দুর্দান্ত দলটির নেতৃত্ব দেওয়া শুরু করি, তখন সেটা ছিল খুবই বিশেষ অনুভূতি। কারণ জানতাম, দুই বছর পর বিশ্বকাপ হবে ভারতে। আর এর আগে কোনো দল ভারতে বিশ্বকাপ জিততে পারেনি।’
ভারতে বড় কোনো টুর্নামেন্ট খেলার অনুভূতির কথাও তুলে ধরেন তিনি। সূর্যকুমার বলেন, ‘ভারতে বিশ্বকাপ বা কোনো বড় টুর্নামেন্ট খেললে পরিবেশটাই আলাদা হয়। সেখানে অন্যরকম উত্তেজনা আর আবহ থাকে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘের সভাপতি পদে বাংলাদেশকে সমর্থন দেবে তুরস্ক

‘পেট্রোল পাম্প উদ্বোধন’ থেকে সূর্যকুমারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়

Update Time : ০৩:৩৯:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক

আহমেদাবাদে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে ভারত ইতিহাস গড়ে। এই জয়ের মাধ্যমে তারা প্রথম দল হিসেবে টানা দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে, একই সঙ্গে তিনবার শিরোপা জয়ের কৃতিত্বও অর্জন করেছে। এছাড়া নিজেদের মাটিতে প্রথমবারের মতো এই শিরোপা ঘরে তোলে ভারত।
জয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সূর্যকুমার প্রায় ১২ বছর আগের একটি পুরোনো ছবি শেয়ার করেন। ছবিটি ছিল তার সংগ্রামের সময়ের স্মৃতি। সেই ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘বন্ধুর পেট্রল পাম্প উদ্বোধন… ওর জন্য খুব খুশি।’
এর পাশাপাশি তিনি আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে নিজের একটি ছবিও প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আজ এই মানুষটার জন্য ভীষণ খুশি।’
ম্যাচ শেষে কথা বলতে গিয়ে সূর্যকুমার জানান, ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটার ডেভিড মিলারের সেই বিখ্যাত ক্যাচই তার জীবন বদলে দিয়েছে।
বার্বাডোজে অনুষ্ঠিত সেই ফাইনালে সূর্যকুমার অসাধারণ এক ক্যাচ নিয়ে মিলারকে আউট করেন। শেষ ওভারে বাউন্ডারি লাইনের কাছে দারুণ দক্ষতায় বলটি ধরে ফেলেন তিনি। লং-অফ থেকে দৌড়ে এসে বলটি ধরে ফেললেও গতি তাকে সীমার বাইরে নিয়ে যাচ্ছিল। তখন তিনি বলটি আকাশে ছুড়ে দিয়ে আবার মাঠে ফিরে এসে ক্যাচ সম্পন্ন করেন। সেই মুহূর্তটি ভারতের শিরোপা জয়ের পথে বড় বাধা দূর করেছিল।
নিজের যাত্রা সম্পর্কে সূর্যকুমার বলেন, ‘এটা দারুণ একটি যাত্রা। সমালোচনা জীবনের অংশ, সেখান থেকে পালিয়ে থাকা যায় না। ভালো করলে মানুষ ভালো বলবে, আর খারাপ করলে বলবে না—এটাই স্বাভাবিক। একজন খেলোয়াড়ের জীবনে এসব থাকবেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘২০২৩ সালের পথ পেরিয়ে আমরা ২০২৪ সালে বার্বাডোজে শিরোপা জিতেছিলাম। সেই ক্যাচ আমার জীবন পুরো বদলে দিয়েছে। কারণ সেটাই ছিল পুরো আসরের অন্যতম সেরা মুহূর্ত। এরপর যখন আমি এই দুর্দান্ত দলটির নেতৃত্ব দেওয়া শুরু করি, তখন সেটা ছিল খুবই বিশেষ অনুভূতি। কারণ জানতাম, দুই বছর পর বিশ্বকাপ হবে ভারতে। আর এর আগে কোনো দল ভারতে বিশ্বকাপ জিততে পারেনি।’
ভারতে বড় কোনো টুর্নামেন্ট খেলার অনুভূতির কথাও তুলে ধরেন তিনি। সূর্যকুমার বলেন, ‘ভারতে বিশ্বকাপ বা কোনো বড় টুর্নামেন্ট খেললে পরিবেশটাই আলাদা হয়। সেখানে অন্যরকম উত্তেজনা আর আবহ থাকে।’