০৩:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে লুণ্ঠিত স্বর্ণ বিক্রির টাকাসহ ২ ডাকাত গ্রেপ্তার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ২ Time View

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি ।।

লক্ষ্মীপুরের ডাকাতিকালে লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকার বিক্রির টাকাসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার রাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃত আল আমিন ও শাহীন ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকায় দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দী দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
তারা হলেন মো. আল আমিন (২৩) ও মো. শাহীন (২৪)। তারা পেশাদার ডাকাত ও ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।
জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত আল আমিন সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যম চরমনসা গ্রামের আব্দুস শহীদের ছেলে। তাকে গত মঙ্গলবার গভীর রাতে চরমনসা গ্রামে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্য মতে, একই রাতে শাহীনকে রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার ইউনিয়নের সবুজ গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হন। তিনি একই এলাকার নুর আজমের ছেলে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পুলিশ জানায়, গত ৯ মার্চ রাতে সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডে একটি একতলা ভবনে ঢুকে ৭-৮ জন ডাকাত ২৯ ভরি ৬ আনা স্বর্ণালংকার, নগদ ১ লাখ টাকা ও ২২ হাজার টাকার একটি মোবাইলফোন লুট করে নিয়ে যায়। লুণ্ঠিত স্বর্ণের বাজার মূল্য ছিল প্রায় ৫৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার থানায় মামলা দায়ের করেন।
পরে জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেকের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমীর তত্ত্ববধানে ১৬ মার্চ চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলমের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ২ জন ডাকাত ও লুণ্ঠিত স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয়ে জড়িত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে। তখন তাদের কাছ থেকে প্রায় ১০ ভরি ৫ আনা স্বর্ণ ও প্রায় ৩ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়৷
এদিকে একই সূত্র ধরে মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার চরমনসা গ্রাম থেকে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী শাহীনকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আল আমিনের কাছ থেকে স্বর্ণ বিক্রির ৫ হাজার ৫০০ টাকা ও শাহীনের কাছ থেকে ১ হাজার ৮৫০ টাকা জব্দ করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, ‘আসামিরা পেশাদার ডাকাত এবং ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে অন্যান্য অজ্ঞাতনামা আসামিদের সনাক্তসহ গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত আছে। গ্রেপ্তারকৃতরা ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকায় দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দী দিয়েছে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

লক্ষ্মীপুরে লুণ্ঠিত স্বর্ণ বিক্রির টাকাসহ ২ ডাকাত গ্রেপ্তার

Update Time : ০২:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি ।।

লক্ষ্মীপুরের ডাকাতিকালে লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকার বিক্রির টাকাসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার রাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃত আল আমিন ও শাহীন ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকায় দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দী দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
তারা হলেন মো. আল আমিন (২৩) ও মো. শাহীন (২৪)। তারা পেশাদার ডাকাত ও ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।
জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত আল আমিন সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যম চরমনসা গ্রামের আব্দুস শহীদের ছেলে। তাকে গত মঙ্গলবার গভীর রাতে চরমনসা গ্রামে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্য মতে, একই রাতে শাহীনকে রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার ইউনিয়নের সবুজ গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হন। তিনি একই এলাকার নুর আজমের ছেলে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পুলিশ জানায়, গত ৯ মার্চ রাতে সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডে একটি একতলা ভবনে ঢুকে ৭-৮ জন ডাকাত ২৯ ভরি ৬ আনা স্বর্ণালংকার, নগদ ১ লাখ টাকা ও ২২ হাজার টাকার একটি মোবাইলফোন লুট করে নিয়ে যায়। লুণ্ঠিত স্বর্ণের বাজার মূল্য ছিল প্রায় ৫৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার থানায় মামলা দায়ের করেন।
পরে জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেকের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমীর তত্ত্ববধানে ১৬ মার্চ চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলমের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ২ জন ডাকাত ও লুণ্ঠিত স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয়ে জড়িত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে। তখন তাদের কাছ থেকে প্রায় ১০ ভরি ৫ আনা স্বর্ণ ও প্রায় ৩ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়৷
এদিকে একই সূত্র ধরে মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার চরমনসা গ্রাম থেকে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী শাহীনকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আল আমিনের কাছ থেকে স্বর্ণ বিক্রির ৫ হাজার ৫০০ টাকা ও শাহীনের কাছ থেকে ১ হাজার ৮৫০ টাকা জব্দ করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, ‘আসামিরা পেশাদার ডাকাত এবং ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে অন্যান্য অজ্ঞাতনামা আসামিদের সনাক্তসহ গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত আছে। গ্রেপ্তারকৃতরা ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকায় দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দী দিয়েছে।’