আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাগচি তার ইসলামাবাদ সফরে পাকিস্তানের মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তেহরানের ‘রেড লাইনের’ তালিকা পৌঁছে দিয়েছেন। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউস রোববার এই খবর জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লিখিত বার্তার মাধ্যমে এই ‘রেড লাইন’ আমেরিকার কাছে পাঠানো হয়েছে। এই রেড লাইনের তালিকায় মূলত ২টি ইস্যুকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এগুলো হচ্ছে— ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং হরমুজ প্রণালী।
তবে এই বার্তা বিনিময় কোনো আলোচনার অংশ ছিল না। বরং এটি ছিল অঞ্চলের পরিস্থিতি স্পষ্ট করতে এবং ইরানের অবস্থান সরাসরি জানাতে তেহরানের একটি উদ্যোগ।
আরাগচি রোববার দ্বিতীয়বারের মতো ইসলামাবাদ সফর করেছেন। এর আগে শুক্রবারও তিনি পাকিস্তানে গিয়েছিলেন। মাঝে ওমানে একটি সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি করেন তিনি।
পটভূমি বুঝতে হলে কিছুটা পেছনে যেতে হবে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে তেহরান ও ইরানের অন্য শহরগুলোতে হামলা চালায়। সেই হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি, সিনিয়র কমান্ডার এবং বেসামরিক নাগরিকরা নিহত হন।
জবাবে ইরান ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে একের পর এক মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালায়। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালীতে নিয়ন্ত্রণ কঠোর করে ইসরায়েল ও আমেরিকার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজের চলাচল বন্ধ করে দেয়।
৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি হয়। এরপর ১১ ও ১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে ইরান-আমেরিকা আলোচনা হয়। কিন্তু সেই আলোচনা ভেঙে পড়ার পর যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালীতে অবরোধ আরোপ করে। ফলে ইরানের বন্দর থেকে যাওয়া-আসা করা জাহাজের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
Reporter Name 

























