০৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’ হয়নি: তদন্ত কমিটি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:০১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।

জাতীয় সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

প্রতিবেদনে কমিটি উল্লেখ করেছে, আলোচিত কেনাকাটায় কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়ম বা ‘হরিলুট’ সংঘটিত হয়নি।

বৃহস্পতিবার ( ৩০ এপ্রিল ) কমিটির আহ্বায়ক ও হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজানের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের কমিটি স্পিকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন। পরবর্তীতে সংসদ ভবনের টানেলে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তদন্তের বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমকে অবহিত করা হয়।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সংবাদে ৩টি লেন্সের দাম ৩৭ লাখ ৪১ হাজার টাকা দাবি করা হলেও নথিপত্র অনুযায়ী এর প্রকৃত মূল্য ছিল ৩ লাখ ৭৪ হাজার ১০০ টাকা। সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক এটিকে ‘মুদ্রণজনিত ভুল’ হতে পারে বলে কমিটির কাছে স্বীকার করেছেন।

এছাড়া, তদন্ত চলাকালীন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে কোনো বিল পরিশোধ করা হয়নি এবং প্রতিটি পণ্যে কার্যাদেশ অনুযায়ী নিকন ব্র্যান্ডের নাম ও লোগো যথাযথভাবে পাওয়া গেছে।

পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০২৫ অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক বাজারদরের সাথে ভ্যাট, ট্যাক্স ও ঠিকাদারের যৌক্তিক মুনাফা যোগ করেই এই দাফতরিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।

কার্যাদেশে ক্যামেরার উৎপত্তিস্থল জাপান উল্লেখ থাকলেও সরবরাহ করা হয়েছে থাইল্যান্ডে তৈরি পণ্য। এই পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তৎকালীন সচিব কানিজ মাওলার লিখিত অনুমতি গ্রহণ করা হয়নি, যা একটি পদ্ধতিগত ত্রুটি হিসেবে চিহ্নিত করেছে কমিটি।

উল্লেখ্য, চব্বিশের ৫ আগস্টে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সংসদের গণসংযোগ শাখার সরঞ্জাম জরুরি ভিত্তিতে প্রতিস্থাপনের জন্যই এই ক্রয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছিল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’ হয়নি: তদন্ত কমিটি

Update Time : ০৫:০১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।

জাতীয় সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

প্রতিবেদনে কমিটি উল্লেখ করেছে, আলোচিত কেনাকাটায় কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়ম বা ‘হরিলুট’ সংঘটিত হয়নি।

বৃহস্পতিবার ( ৩০ এপ্রিল ) কমিটির আহ্বায়ক ও হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজানের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের কমিটি স্পিকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন। পরবর্তীতে সংসদ ভবনের টানেলে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তদন্তের বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমকে অবহিত করা হয়।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সংবাদে ৩টি লেন্সের দাম ৩৭ লাখ ৪১ হাজার টাকা দাবি করা হলেও নথিপত্র অনুযায়ী এর প্রকৃত মূল্য ছিল ৩ লাখ ৭৪ হাজার ১০০ টাকা। সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক এটিকে ‘মুদ্রণজনিত ভুল’ হতে পারে বলে কমিটির কাছে স্বীকার করেছেন।

এছাড়া, তদন্ত চলাকালীন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে কোনো বিল পরিশোধ করা হয়নি এবং প্রতিটি পণ্যে কার্যাদেশ অনুযায়ী নিকন ব্র্যান্ডের নাম ও লোগো যথাযথভাবে পাওয়া গেছে।

পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০২৫ অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক বাজারদরের সাথে ভ্যাট, ট্যাক্স ও ঠিকাদারের যৌক্তিক মুনাফা যোগ করেই এই দাফতরিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।

কার্যাদেশে ক্যামেরার উৎপত্তিস্থল জাপান উল্লেখ থাকলেও সরবরাহ করা হয়েছে থাইল্যান্ডে তৈরি পণ্য। এই পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তৎকালীন সচিব কানিজ মাওলার লিখিত অনুমতি গ্রহণ করা হয়নি, যা একটি পদ্ধতিগত ত্রুটি হিসেবে চিহ্নিত করেছে কমিটি।

উল্লেখ্য, চব্বিশের ৫ আগস্টে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সংসদের গণসংযোগ শাখার সরঞ্জাম জরুরি ভিত্তিতে প্রতিস্থাপনের জন্যই এই ক্রয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছিল।