০৮:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরীক্ষায় নকল-প্রশ্নফাঁস বন্ধ, শিক্ষাব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:১২:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭৯ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।
নবনিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, বাংলাদেশে শিক্ষার মৌলিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা হবে এবং পরীক্ষায় নকল বা প্রশ্নফাঁস আর ফিরে আসবে না। ১৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, অতীতে দায়িত্ব পালনকালে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল এবং এবারও শিক্ষাঙ্গনে কঠোর নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “ব্যাকডেটেড শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে এগোনো যাবে না। বিশ্ব এখন গ্লোবাল ভিলেজ—শিক্ষা ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গড়ে তুলতে হবে। এজন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে রূপান্তর, প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা এবং আধুনিক জ্ঞানভিত্তিক কারিকুলাম প্রণয়নে কাজ করা হবে।” তিনি আরও জানান, শিক্ষাখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে, অন্যথায় কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব হবে না।

ড. মিলন বলেন, “গত ৫৪ বছরে শিক্ষা খাতকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। অতীতের উদাহরণ হলো ১৯৭২ সালে খাদ্য ও নিরাপত্তার কারণে শিক্ষার বরাদ্দ কম ছিল। এখন সময় বদলেছে, তাই বাজেট বরাদ্দের আগে অগ্রাধিকার ঠিক করতে হবে।” তিনি শিক্ষাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উন্নীত করার লক্ষ্য জানান এবং বলেন, শিল্প ও একাডেমিয়ার সংযোগ বাড়ানো, টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে শক্তিশালী করা, ন্যানোটেকনোলজি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং রোবটিক্স অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী নকল-প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধে বললেন, “শিক্ষা ক্ষেত্রে লং জাম্প নয়, আমাদের পোল জাম্প দিতে হবে। প্রশ্নফাঁস আর হবে না। কারিকুলাম রিভিউ করা হবে, তবে পেছনের বিষয় নিয়ে নয়, ভবিষ্যতকে কেন্দ্র করে সিদ্ধান্ত নেব।” তিনি জানান, ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত দায়িত্ব পালনকালে শিক্ষাখাতে কোনো দুর্নীতি হয়নি এবং এবারও হবে না।

এ সময় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজও উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং বলেন, শিক্ষাব্যবস্থা এমন পর্যায়ে উন্নীত করতে চাই, যাতে উন্নত দেশও বাংলাদেশের শিক্ষা ও গবেষণাকে মূল্যায়ন করে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

পরীক্ষায় নকল-প্রশ্নফাঁস বন্ধ, শিক্ষাব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

Update Time : ০৬:১২:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।
নবনিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, বাংলাদেশে শিক্ষার মৌলিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা হবে এবং পরীক্ষায় নকল বা প্রশ্নফাঁস আর ফিরে আসবে না। ১৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, অতীতে দায়িত্ব পালনকালে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল এবং এবারও শিক্ষাঙ্গনে কঠোর নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “ব্যাকডেটেড শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে এগোনো যাবে না। বিশ্ব এখন গ্লোবাল ভিলেজ—শিক্ষা ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গড়ে তুলতে হবে। এজন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে রূপান্তর, প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা এবং আধুনিক জ্ঞানভিত্তিক কারিকুলাম প্রণয়নে কাজ করা হবে।” তিনি আরও জানান, শিক্ষাখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে, অন্যথায় কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব হবে না।

ড. মিলন বলেন, “গত ৫৪ বছরে শিক্ষা খাতকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। অতীতের উদাহরণ হলো ১৯৭২ সালে খাদ্য ও নিরাপত্তার কারণে শিক্ষার বরাদ্দ কম ছিল। এখন সময় বদলেছে, তাই বাজেট বরাদ্দের আগে অগ্রাধিকার ঠিক করতে হবে।” তিনি শিক্ষাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উন্নীত করার লক্ষ্য জানান এবং বলেন, শিল্প ও একাডেমিয়ার সংযোগ বাড়ানো, টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে শক্তিশালী করা, ন্যানোটেকনোলজি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং রোবটিক্স অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী নকল-প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধে বললেন, “শিক্ষা ক্ষেত্রে লং জাম্প নয়, আমাদের পোল জাম্প দিতে হবে। প্রশ্নফাঁস আর হবে না। কারিকুলাম রিভিউ করা হবে, তবে পেছনের বিষয় নিয়ে নয়, ভবিষ্যতকে কেন্দ্র করে সিদ্ধান্ত নেব।” তিনি জানান, ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত দায়িত্ব পালনকালে শিক্ষাখাতে কোনো দুর্নীতি হয়নি এবং এবারও হবে না।

এ সময় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজও উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং বলেন, শিক্ষাব্যবস্থা এমন পর্যায়ে উন্নীত করতে চাই, যাতে উন্নত দেশও বাংলাদেশের শিক্ষা ও গবেষণাকে মূল্যায়ন করে।