০৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এসএসসির প্রশ্নফাঁস চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:০৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।

চলতি মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন সিটিটিসির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মুনশী শাহাবুদ্দীন।

যুগ্ম পুলিশ কমিশনার জানান, গত সোমবার (২০ এপ্রিল) সিটি-ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগ (সিউটিসি) সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিংয়ের সময় ‘এসএসসি-২০২৬ প্রশ্নপত্র ফাঁস গ্রুপ’ নামক একটি ফেসবুক পেজ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করে। সিটিটিসি ওই দিন রাতে ঢাকার আশুলিয়ার জিরাবো তাঁজপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সিফাত আহমেদ সজিবকে গ্রেফতার করে। তার স্বীকারোক্তি ও প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণের পর বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বগুড়ার ধুনট থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. সালমানকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। একই দিন দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ থানাধীন নবাবগঞ্জ বাজার হতে দেওগাঁ রিয়াজউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়গামী পাকারাস্তার মধ্যবর্তী দাদনপুর মালিপাড়াগামী কাচারাস্তার সংযোগ স্থলে কাচাঁরাস্তার ওপর থেকে মো. মেছবাউল আলম মাহিনকেও গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানাধীন নওগা ইউনিয়নরে শাহ শরীফ জিন্দানীর (রহ.) মাজার সংলগ্ন পরামানিক বাড়ির আসামির শ্বশুর সালাম পরামানিকের বাড়ি থেকে মো. মহিদুজ্জামান মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়।

মুনশী শাহাবুদ্দীন বলেন, গ্রেফতারদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ কারণে তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনগুলো জব্দ করা হয়েছে।

যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গ্রেফতাররা অবৈধভাবে আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে একটি স্বচ্ছ, সুন্দর ও সুষ্ঠু পরীক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যাহত করার চেষ্টা করেছে। পাশাপাশি তারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়িয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে নৈরাজ্য, হতাশা, উদ্বেগ ও নৈতিক বিপর্যয় সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চালায়। গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাথমিকের সব শিক্ষার্থীকে মিড-ডে মিল পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের: মাহদী আমিন

এসএসসির প্রশ্নফাঁস চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

Update Time : ০৫:০৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।

চলতি মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন সিটিটিসির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মুনশী শাহাবুদ্দীন।

যুগ্ম পুলিশ কমিশনার জানান, গত সোমবার (২০ এপ্রিল) সিটি-ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগ (সিউটিসি) সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিংয়ের সময় ‘এসএসসি-২০২৬ প্রশ্নপত্র ফাঁস গ্রুপ’ নামক একটি ফেসবুক পেজ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করে। সিটিটিসি ওই দিন রাতে ঢাকার আশুলিয়ার জিরাবো তাঁজপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সিফাত আহমেদ সজিবকে গ্রেফতার করে। তার স্বীকারোক্তি ও প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণের পর বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বগুড়ার ধুনট থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. সালমানকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। একই দিন দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ থানাধীন নবাবগঞ্জ বাজার হতে দেওগাঁ রিয়াজউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়গামী পাকারাস্তার মধ্যবর্তী দাদনপুর মালিপাড়াগামী কাচারাস্তার সংযোগ স্থলে কাচাঁরাস্তার ওপর থেকে মো. মেছবাউল আলম মাহিনকেও গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানাধীন নওগা ইউনিয়নরে শাহ শরীফ জিন্দানীর (রহ.) মাজার সংলগ্ন পরামানিক বাড়ির আসামির শ্বশুর সালাম পরামানিকের বাড়ি থেকে মো. মহিদুজ্জামান মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়।

মুনশী শাহাবুদ্দীন বলেন, গ্রেফতারদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ কারণে তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনগুলো জব্দ করা হয়েছে।

যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গ্রেফতাররা অবৈধভাবে আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে একটি স্বচ্ছ, সুন্দর ও সুষ্ঠু পরীক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যাহত করার চেষ্টা করেছে। পাশাপাশি তারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়িয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে নৈরাজ্য, হতাশা, উদ্বেগ ও নৈতিক বিপর্যয় সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চালায়। গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।