০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ও বিশ্বস্ত বন্ধু: স্পিকার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:০৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ও বিশ্বস্ত বন্ধু। ১৯৭৭ সাল ছিল বাংলাদেশ ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাসে একটি মাইলফলক।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চীন সফরের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফর এই সম্পর্ককে আরও নতুন উচ্চতায় উন্নীত করে।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এমপির সাথে আজ তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। এসময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, দুই দেশের জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক চীন বাংলাদেশের সম্পর্কের ভিত্তি। চীনের সাথে আমাদের সংসদীয় যোগাযোগ বাড়াতে সংসদ সদস্যদের সফর বিনিময় অত্যন্ত জরুরি, যা দুই দেশের সুসম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেবে। তিনি সেইসাথে গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ খুব দ্রুত বাস্তবায়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দক্ষিণ এশিয়ায় সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনে জিয়াউর রহমানের সার্ক গঠনের প্রস্তাব ছিল এক বৈপ্লবিক পদক্ষেপ। বর্তমানে এই সংস্থায় চীনের পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিতি আঞ্চলিক উন্নয়নে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

তিনি এসময় তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে চীনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার বিষয়ে প্রস্তাব করেন।

চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন সরকারের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।

এসময় রাষ্ট্রদূত জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার জন্য তাকে অভিনন্দন জানান এবং চীন সরকারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা স্মারক উপহার দেন। স্পিকার জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রতীক সম্বলিত স্মারক চীনের রাষ্ট্রদূতকে উপহার প্রদান করেন।

সাক্ষাৎকালে তারা উভয়েই দু’দেশের দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক এবং উন্নয়ন অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে চীনের ভূমিকা এবং বর্তমান বিশ্বের জ্বালানি তেলের সংকটের বিষয়ে তারা আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে চীনের দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিঃ এর নির্বাচনে প্রানকৃষ্ণ দাশ সভাপতি নির্বাচিত

চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ও বিশ্বস্ত বন্ধু: স্পিকার

Update Time : ০৭:০৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ও বিশ্বস্ত বন্ধু। ১৯৭৭ সাল ছিল বাংলাদেশ ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাসে একটি মাইলফলক।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চীন সফরের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফর এই সম্পর্ককে আরও নতুন উচ্চতায় উন্নীত করে।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এমপির সাথে আজ তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। এসময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, দুই দেশের জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক চীন বাংলাদেশের সম্পর্কের ভিত্তি। চীনের সাথে আমাদের সংসদীয় যোগাযোগ বাড়াতে সংসদ সদস্যদের সফর বিনিময় অত্যন্ত জরুরি, যা দুই দেশের সুসম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেবে। তিনি সেইসাথে গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ খুব দ্রুত বাস্তবায়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দক্ষিণ এশিয়ায় সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনে জিয়াউর রহমানের সার্ক গঠনের প্রস্তাব ছিল এক বৈপ্লবিক পদক্ষেপ। বর্তমানে এই সংস্থায় চীনের পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিতি আঞ্চলিক উন্নয়নে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

তিনি এসময় তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে চীনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার বিষয়ে প্রস্তাব করেন।

চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন সরকারের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।

এসময় রাষ্ট্রদূত জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার জন্য তাকে অভিনন্দন জানান এবং চীন সরকারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা স্মারক উপহার দেন। স্পিকার জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রতীক সম্বলিত স্মারক চীনের রাষ্ট্রদূতকে উপহার প্রদান করেন।

সাক্ষাৎকালে তারা উভয়েই দু’দেশের দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক এবং উন্নয়ন অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে চীনের ভূমিকা এবং বর্তমান বিশ্বের জ্বালানি তেলের সংকটের বিষয়ে তারা আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে চীনের দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।