সবুজদিন রিপোর্ট।।
পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহের অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় দেশের কিছু কিছু জায়গায় লোডশেডিং হচ্ছে। বিষয়টি সহনীয় মাত্রায় আনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে এবং বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে আলোচনা করে রাজধানীতেও পরীক্ষামূলকভাবে লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শহরের মানুষ আরামে থাকবে আর গ্রামের মানুষ কষ্টে থাকবে এটা কোনোভাবেই কাম্য নয়। সংসদে এ কথা জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
এরপর বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান নিজের বক্তব্যে সংসদ ভবন থেকেই লোডশেডিং করার প্রস্তাব দেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশসংসদ অধিবেশনে কথা বলতে গিয়ে এ প্রস্তাব করেন তিনি।
এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বিরোধী দলীয় নেতা সংসদের অধিবেশন তো বন্ধ করা যাবে না। তখন বিরোধীদলীয় নেতা ফ্লোর নিয়ে বলেন, আমি সংসদ অধিবেশনে লোডশেডিং করার কথা বলিনি। বলেছি সংসদ ভবনের বিভিন্ন অফিসে লোডশেডিং করার কথা।
এর আগে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বুধবার (২২ এপ্রিল) বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার মেগাওয়াট অথচ উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ১২৬ দশমিক ৩৫ মেগাওয়াট। অর্থাৎ দিনে ২ হাজার ৮৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি; তাই লোডিশেডিং করতে বাধ্য হতে হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বীকার করতে কোনো দ্বিধা নেই এই উত্তপ্ত গরমে আমাদের অনেকে বিদ্যুৎ সমস্যায় নাজেহাল হচ্ছেন। বিদ্যুৎ সমস্যা বর্তমান নির্বাচিত সরকারের নয়, বিগত ফ্যাস্টি সরকারের অব্যবস্থাপনার দায় আমাদের সবাইকে নিতে হচ্ছে। উৎপাদন ক্ষমতা কাগজে-কলমে বেশি থাকলেও বাস্তবতায় গড়মিল রয়েছে।
Reporter Name 























