সবুজদিন ডেস্ক।।
গরমের তীব্রতায় ত্বকে র্যাশ, ব্রণ বা অতিরিক্ত তেলতেলে ভাবের মতো সমস্যা দেখা দেওয়া স্বাভাবিক। এই সময়ে ত্বককে শীতল ও সতেজ রাখতে গোলাপজল জাদুর মতো কাজ করে। গরমে ত্বকের যত্নে গোলাপজল ব্যবহারের সহজ ও কার্যকর কয়েকটি উপায় জানা উচিত। কারণ গ্রীষ্মকালে ত্বকের হাজারো সমস্যা থাকে। আর সেসব সমস্যার সমাধান রয়েছে গোলাপজলে।
ত্বকের জেল্লা বাড়াতে হলে তার দেখভাল অবশ্যই আপনাকে করতে হবে। সবসময়ে যে দামি প্রডাক্ট ব্যবহার করতে হবে, এমন কোনো নিয়ম নেই। অনেক সময়ে ঘরোয়া টোটকাতেও ভালো ফল পাওয়া যায়। আবার অতিসাধারণ ও সস্তা উপাদানেও ত্বকের জৌলুস বেড়ে যায়। আর এ তালিকায় প্রথম সারিতেই রয়েছে গোলাপজল। এই প্রাকৃতিক উপাদান শুধু ত্বকের জেল্লা বাড়ায় না, কমিয়ে দেয় ত্বকের হাজারো সমস্যা।
গ্রীষ্মকালে গোলাপজল ব্যবহার করে ত্বকের নানা সমস্যা দূর করা যায়। রোদে বেরোলে ত্বক পুড়ে যায়। সানবার্ন, ট্যানের সমস্যা পিছু ছাড়ে না। আর গরমে ত্বকে জ্বালা ভাব, লালচে ভাব, চুলকানি, ব্রণ-ফুস্কুড়ি বাড়তে থাকে। তার ওপর ত্বক তেলতেলে হয়ে যায়। একেবারে জেল্লা হারিয়ে ফেলে। আর এসব সমস্যা দূর করে দিতে পারে গোলাপজল। শুধু শিখে রাখতে হবে ব্যবহারের মাত্র কয়েকটি উপায়।
ত্বকের পিএইচ স্তরের ভারসাম্য বজায় রাখে গোলাপজল। এর পাশাপাশি অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব কমিয়ে দেয়। আবার রুক্ষ-শুষ্ক ত্বকেও আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনে। এসব ক্ষেত্রে গরমকালে টোনার হিসেবে ব্যবহার করুন গোলাপজল। কটন প্যাডে গোলাপজল নিয়ে ত্বকে বুলিয়ে নিন।
রাকে ঘুমানোর যাওয়ার আগে গোলাপজলের সঙ্গে ভিটামিন ‘ই’ ক্যাপসুলের নির্যাস মিশিয়ে মাখতে পারেন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে। যতই গ্রীষ্মকাল চলুক, ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখা জরুরি। আর ফেসপ্যাক ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং অকাল বার্ধক্য প্রতিরোধ করতে দারুণ উপযোগী। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এভাবে ত্বকে গোলাপজল ব্যবহার করুন। মুক্তি মিলবে।
এ ছাড়া প্রদাহ কমিয়ে দেবে গোলাপজলের ফেস মিস্ট। রোদে বেরোলে ত্বক পুড়ে যায়। এ সমস্যা দূর করতে ত্বকে সরাসরি গোলাপজল মাখতে পারেন। কারণ গোলাপজলের মধ্যে ১-২ ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি ত্বকে স্প্রে করতে পারেন। রাস্তায় বেরোলে সঙ্গে রাখতে পারেন এটি। অস্বস্তি হলেই স্প্রে করে নিন। এ ক্ষেত্রে ফেস মিস্ট হিসেবেও গোলাপজল ব্যবহার করা যায়।
Reporter Name 






















