১১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজারবাইজানের কাছে ২-১ গোলে হারলো নারীরা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:২১:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৭৪ Time View

স্পোর্টস রিপোট।

বাংলাদেশ নারী ফুটবলারদের ইউরোপীয়ান দলের বিপক্ষে অভিষেক হয়েছে। ত্রিদেশীয় সিরিজ দিয়ে ইউরোপ অভিষেকটা ঋতুপর্ণাদের জন্য সুখকর হলো না। জাতীয় স্টেডিয়ামে আজারবাইজানের কাছে ২-১ গোলে হেরেছে স্বাগতিকরা। ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ০-১ গোলে হেরেছিল। অন্যদিকে সফরকারী আজারবাইজান দুই ম্যাচই জিতেছে। আজরাবাইজানের র্যাংকিং ৭৪। বাংলাদেশের ১০৪। ত্রিশ ধাপ এগিয়ে থাকলেও ইউরোপীয়ান দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রায় সমান তালেই লড়েছে। ডিফেন্সের ভুল ও হাল্কা মনসংযোগ ব্যাঘাতে ম্যাচের ফল পাল্টেছে। ৮৪ মিনিটে মানিয়া ইশরা বক্সের মধ্যে ক্রস পেয়ে ঠান্ডা মাথায় প্লেসিংয়ে গোল করেন। ডিফেন্ডার শামসুন্নাহার ইশরাকে খেয়াল করেননি। অন্য ডিফেন্ডাররাও ক্রস ক্লিয়ার করতে পারেননি। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ অর্ধেই ছিল বল বেশিরভাগ সময়। বাংলাদেশের গোলরক্ষক রুপ্না চাকমা কয়েকবারই বলের ফ্লাইট ও গ্রিপ মিস করেছেন। এতে অবশ্য বড় বিপদ ঘটেনি। দ্বিতীয় গোল হজমের পেছনে অবশ্য গোলরক্ষক রুপ্নার তেমন দায় ছিল না। তিনি ছিলেন নিরুপায়। বাংলাদেশ দ্বিতীয়ার্ধে প্রতি আক্রমণই বেশি করেছে। রুপ্না চাকমা কয়েকবার বাম প্রান্ত থেকে একা বল নিয়ে বক্সে প্রবেশের চেষ্টা করেছেন। কয়েকবারই ব্যর্থ হয়েছেন। ৬৫ মিনিটে বাম প্রান্ত থেকে তার ক্রসে মনিকা বল ছোঁয়াতে পারেনি। পিটার বাটলার এই অর্ধে তিন ফুটবলার পরিবর্তন করেও খেলার ফলাফল পরিবর্তন করাতে পারেননি। বিগত ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও হাই লাইন ডিফেন্স করেছেন আফিদারা। কয়েক বার আজারবাইজান বাংলাদেশের রক্ষণ ভেদ করলেও ডিফেন্ডাররা কাভারের চেষ্টা করেছেন। আবার কখনো অফসাইডের ফাদেও পড়েছে আজারবাইজান। ২০ মিনিটে আজারবাইজান লিড নেয়। বানিয়া ইশরাকের ক্রস থেকে অধিনায়ক জাফরজেদা গোল করেন। ফুটবলে গোল মানেই উল্লাস-উৎসব। আজারবাইজান অধিনায়ক গোল করে কয়েক মিনিট কান্না করেছেন। একটি সাদা কাপড়ে একজনের ছবি একে সবাই পোজ দিয়েছেন। এরপরই চোখে মুখে কান্না অধিনায়কের। সতীর্থতার তাকে সামাল দিয়েছেন। ১৪ মিনিট পর মারিয়া মান্ডার দুর্দান্ত গোলে বাংলাদেশ সমতা এনেছে। স্বপ্না রাণীর কর্ণার থেকে কয়েক পাক ঘুরে বক্সে বল পান মারিয়া। বা পায়ে দুর্দান্ত সাইড ভলি করেন। গোললাইনে আজারবাইজানের ডিফেন্ডার লাফিয়েও বল ঠেকাতে পারেননি। গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে বল জালে জড়ায়। মারিয়ার দর্শনীয় গোলের পরও বাংলাদেশ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি। ডিফেন্সের ভুলে দ্বিতীয়ার্ধে গোল হজম করে। হামজা-জামালদের ম্যাচে স্টেডিয়ামে উপচে পড়া দর্শক থাকে। নারী দলের ম্যাচেও উল্লেখযোগ্য দর্শক উপস্থিতি হয়েছে। বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ম্যাচে সব গ্যালারী খোলা ছিল। এই ম্যাচে শুধু পূর্ব গ্যালারী উন্মুক্ত রেখেছিল বাফুফে। প্রায় হাজার সাতেক দর্শক উপস্থিতি ছিল সব মিলিয়ে। দর্শকরা বাদ্য-যন্ত্র স্টেডিয়াম মাতিয়ে রাখছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিঃ এর নির্বাচনে প্রানকৃষ্ণ দাশ সভাপতি নির্বাচিত

আজারবাইজানের কাছে ২-১ গোলে হারলো নারীরা

Update Time : ০২:২১:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

স্পোর্টস রিপোট।

বাংলাদেশ নারী ফুটবলারদের ইউরোপীয়ান দলের বিপক্ষে অভিষেক হয়েছে। ত্রিদেশীয় সিরিজ দিয়ে ইউরোপ অভিষেকটা ঋতুপর্ণাদের জন্য সুখকর হলো না। জাতীয় স্টেডিয়ামে আজারবাইজানের কাছে ২-১ গোলে হেরেছে স্বাগতিকরা। ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ০-১ গোলে হেরেছিল। অন্যদিকে সফরকারী আজারবাইজান দুই ম্যাচই জিতেছে। আজরাবাইজানের র্যাংকিং ৭৪। বাংলাদেশের ১০৪। ত্রিশ ধাপ এগিয়ে থাকলেও ইউরোপীয়ান দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রায় সমান তালেই লড়েছে। ডিফেন্সের ভুল ও হাল্কা মনসংযোগ ব্যাঘাতে ম্যাচের ফল পাল্টেছে। ৮৪ মিনিটে মানিয়া ইশরা বক্সের মধ্যে ক্রস পেয়ে ঠান্ডা মাথায় প্লেসিংয়ে গোল করেন। ডিফেন্ডার শামসুন্নাহার ইশরাকে খেয়াল করেননি। অন্য ডিফেন্ডাররাও ক্রস ক্লিয়ার করতে পারেননি। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ অর্ধেই ছিল বল বেশিরভাগ সময়। বাংলাদেশের গোলরক্ষক রুপ্না চাকমা কয়েকবারই বলের ফ্লাইট ও গ্রিপ মিস করেছেন। এতে অবশ্য বড় বিপদ ঘটেনি। দ্বিতীয় গোল হজমের পেছনে অবশ্য গোলরক্ষক রুপ্নার তেমন দায় ছিল না। তিনি ছিলেন নিরুপায়। বাংলাদেশ দ্বিতীয়ার্ধে প্রতি আক্রমণই বেশি করেছে। রুপ্না চাকমা কয়েকবার বাম প্রান্ত থেকে একা বল নিয়ে বক্সে প্রবেশের চেষ্টা করেছেন। কয়েকবারই ব্যর্থ হয়েছেন। ৬৫ মিনিটে বাম প্রান্ত থেকে তার ক্রসে মনিকা বল ছোঁয়াতে পারেনি। পিটার বাটলার এই অর্ধে তিন ফুটবলার পরিবর্তন করেও খেলার ফলাফল পরিবর্তন করাতে পারেননি। বিগত ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও হাই লাইন ডিফেন্স করেছেন আফিদারা। কয়েক বার আজারবাইজান বাংলাদেশের রক্ষণ ভেদ করলেও ডিফেন্ডাররা কাভারের চেষ্টা করেছেন। আবার কখনো অফসাইডের ফাদেও পড়েছে আজারবাইজান। ২০ মিনিটে আজারবাইজান লিড নেয়। বানিয়া ইশরাকের ক্রস থেকে অধিনায়ক জাফরজেদা গোল করেন। ফুটবলে গোল মানেই উল্লাস-উৎসব। আজারবাইজান অধিনায়ক গোল করে কয়েক মিনিট কান্না করেছেন। একটি সাদা কাপড়ে একজনের ছবি একে সবাই পোজ দিয়েছেন। এরপরই চোখে মুখে কান্না অধিনায়কের। সতীর্থতার তাকে সামাল দিয়েছেন। ১৪ মিনিট পর মারিয়া মান্ডার দুর্দান্ত গোলে বাংলাদেশ সমতা এনেছে। স্বপ্না রাণীর কর্ণার থেকে কয়েক পাক ঘুরে বক্সে বল পান মারিয়া। বা পায়ে দুর্দান্ত সাইড ভলি করেন। গোললাইনে আজারবাইজানের ডিফেন্ডার লাফিয়েও বল ঠেকাতে পারেননি। গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে বল জালে জড়ায়। মারিয়ার দর্শনীয় গোলের পরও বাংলাদেশ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি। ডিফেন্সের ভুলে দ্বিতীয়ার্ধে গোল হজম করে। হামজা-জামালদের ম্যাচে স্টেডিয়ামে উপচে পড়া দর্শক থাকে। নারী দলের ম্যাচেও উল্লেখযোগ্য দর্শক উপস্থিতি হয়েছে। বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ম্যাচে সব গ্যালারী খোলা ছিল। এই ম্যাচে শুধু পূর্ব গ্যালারী উন্মুক্ত রেখেছিল বাফুফে। প্রায় হাজার সাতেক দর্শক উপস্থিতি ছিল সব মিলিয়ে। দর্শকরা বাদ্য-যন্ত্র স্টেডিয়াম মাতিয়ে রাখছিলেন।