০২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক দিনের রোজার ফিদিয়া কত?

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫৩:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • ৩২ Time View

সবুজদিন ডেস্ক

কোনো কারণে রোজা রাখতে অক্ষম হলে ইসলামে তার জন্য ফিদিয়া আদায়ের বিধান রয়েছে। এক দিনের রোজার ফিদিয়া কত এবং কীভাবে তা আদায় করতে হয় এ বিষয়ে ইসলামি শরিয়তে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি এমন পরিস্থিতিতে পড়েন যে তিনি রোজা রাখতে সক্ষম নন এবং ভবিষ্যতেও তা কাজা করার সামর্থ্য নেই, তা হলে তার জন্য ফিদিয়া আদায়ের বিধান রয়েছে।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা এক দিনের রোজার ফিদিয়া হিসেবে একজন অভাবগ্রস্ত মানুষকে দুবেলা খাবার খাওয়ানোর কথা উল্লেখ করেছেন। তবে ফিদিয়া আদায়ের ক্ষেত্রে প্রত্যেক ব্যক্তি তার আর্থিক সামর্থ্য ও মান অনুযায়ী তা প্রদান করবেন। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি আনন্দের সঙ্গে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি ফিদিয়া দেয়, তা তার জন্য আরও উত্তম।
ফিদিয়ার পরিমাণ হলো, প্রতি রোজার জন্য একটি সদকাতুল ফিতির। অর্থাৎ প্রতি রোজার পরিবর্তে একজন মিসকিনকে (জাকাত গ্রহণে উপযুক্ত ব্যক্তি) দুবেলা স্বাভাবিক খাবার দিয়ে পেট ভরে খাওয়ানো, অথবা তার সমমূল্য সদকা করা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, হে মুমিনগণ, তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর; যেন তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করো নির্দিষ্ট কয়েক দিন।
তবে তোমাদের মধ্যে যে অসুস্থ থাকবে, কিংবা সফরে থাকবে, তা হলে অন্যান্য দিনে সংখ্যা পূরণ করে নেবে। আর যাদের জন্য তা কষ্টকর হবে, তাদের কর্তব্য ফিদিয়া তথা একজন দরিদ্রকে খাবার প্রদান করা। অতএব যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় অতিরিক্ত সৎকাজ করবে, তা তার জন্য কল্যাণকর হবে। আর সিয়াম পালন তোমাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তোমরা জানতে। (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৩-১৮৪)

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

এক দিনের রোজার ফিদিয়া কত?

Update Time : ০১:৫৩:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

সবুজদিন ডেস্ক

কোনো কারণে রোজা রাখতে অক্ষম হলে ইসলামে তার জন্য ফিদিয়া আদায়ের বিধান রয়েছে। এক দিনের রোজার ফিদিয়া কত এবং কীভাবে তা আদায় করতে হয় এ বিষয়ে ইসলামি শরিয়তে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি এমন পরিস্থিতিতে পড়েন যে তিনি রোজা রাখতে সক্ষম নন এবং ভবিষ্যতেও তা কাজা করার সামর্থ্য নেই, তা হলে তার জন্য ফিদিয়া আদায়ের বিধান রয়েছে।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা এক দিনের রোজার ফিদিয়া হিসেবে একজন অভাবগ্রস্ত মানুষকে দুবেলা খাবার খাওয়ানোর কথা উল্লেখ করেছেন। তবে ফিদিয়া আদায়ের ক্ষেত্রে প্রত্যেক ব্যক্তি তার আর্থিক সামর্থ্য ও মান অনুযায়ী তা প্রদান করবেন। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি আনন্দের সঙ্গে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি ফিদিয়া দেয়, তা তার জন্য আরও উত্তম।
ফিদিয়ার পরিমাণ হলো, প্রতি রোজার জন্য একটি সদকাতুল ফিতির। অর্থাৎ প্রতি রোজার পরিবর্তে একজন মিসকিনকে (জাকাত গ্রহণে উপযুক্ত ব্যক্তি) দুবেলা স্বাভাবিক খাবার দিয়ে পেট ভরে খাওয়ানো, অথবা তার সমমূল্য সদকা করা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, হে মুমিনগণ, তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর; যেন তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করো নির্দিষ্ট কয়েক দিন।
তবে তোমাদের মধ্যে যে অসুস্থ থাকবে, কিংবা সফরে থাকবে, তা হলে অন্যান্য দিনে সংখ্যা পূরণ করে নেবে। আর যাদের জন্য তা কষ্টকর হবে, তাদের কর্তব্য ফিদিয়া তথা একজন দরিদ্রকে খাবার প্রদান করা। অতএব যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় অতিরিক্ত সৎকাজ করবে, তা তার জন্য কল্যাণকর হবে। আর সিয়াম পালন তোমাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তোমরা জানতে। (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৩-১৮৪)