০৮:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমডব্লিউ বাংলাদেশের উদ্যোগে পল্লিকবি জসীম উদ্দীনের উৎসর্গে ‘নকশী কাঁথার মাঠ’

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:২৮:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ Time View

সবুজদিন ডেস্ক

পল্লিকবি জসীম উদ্দীনের ১২৩তম জন্মবার্ষিকী ও আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস উপলক্ষ্যে ‘মায়া বেঙ্গল ইন মোশন, প্রেজেন্টেড বাই এমডব্লিউ’-এর তৃতীয় আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এমডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশ ও স্কয়ার টয়লেট্রিজের ন্যাচারাল ওয়েলনেস ব্র্যান্ড ‘মায়া’র যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এবারের অনুষ্ঠানটি উৎসর্গ করা হয়েছে পল্লিকবি জসীম উদ্দীনকে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে জসীম উদ্দীনের অমর সৃষ্টি ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ অবলম্বনে এক মনোজ্ঞ নৃত্যনাট্যের আয়োজন করা হয়।
১৯৫৯ সালে বুলবুল ললিতকলা একাডেমির উদ্যোগে প্রথমবার এই কাব্যগ্রন্থকে নৃত্যনাট্যে রূপান্তর করা হয়েছিল। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় রূপাই ও সাজুর মর্মস্পর্শী প্রেম ও বিরহের আখ্যান আরও একবার মঞ্চে জীবন্ত হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করেন বরেণ্য শিল্পী শামীম আরা নীপা, শিবলী মোহাম্মদ এবং নৃত্যাঞ্চল। পরিবেশনার কিউরেটর ছিলেন আনিসুল ইসলাম হিরু। সংগীত, নৃত্যকলা ও আবেগঘন অভিনয়ের সমন্বয়ে তারা বাংলার গ্রামীণ জীবনের চিরায়ত সৌন্দর্য ও সারল্য দর্শকদের সামনে তুলে ধরেন।
শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রসারে স্থানীয় শিল্পীদের মেধা ও সৃজনশীলতা তুলে ধরতে শুরু থেকেই কাজ করছে ‘বেঙ্গল ইন মোশন’ প্ল্যাটফর্ম।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন এমডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশক রুমানা চৌধুরী এবং স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের সিইও মালিক মোহাম্মদ সাঈদ।
মালিক মোহাম্মদ সাঈদ তার বক্তব্যে বলেন, মায়া ব্র্যান্ড প্রতিনিয়ত বিশ্বমানের ন্যাচারাল প্রোডাক্ট মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করছে। একইসঙ্গে তিনি সবাইকে শেকড়ের সুর ও মাটির টানে ফিরে আসার আহ্বান জানান।
এবারের আয়োজনে ব্রডকাস্ট পার্টনার ছিল মাছরাঙা টেলিভিশন, পিআর পার্টনার মিডিয়াকম এবং সিকিউরিটি পার্টনার হিসেবে ছিল এইজিস সিকিউরিটি ফোর্সেস। ডেকর পার্টনার হিসেবে এসকে ইভেন্টস এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিল সান কমিউনিকেশনস লিমিটেড। অনুষ্ঠানটি আগামী ২৯ এপ্রিল আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস উপলক্ষ্যে মাছরাঙা টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

হামের চিকিৎসায় শিশু হাসপাতালের বরাদ্দ যথেষ্ট না: জামায়াত আমির

এমডব্লিউ বাংলাদেশের উদ্যোগে পল্লিকবি জসীম উদ্দীনের উৎসর্গে ‘নকশী কাঁথার মাঠ’

Update Time : ০২:২৮:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

সবুজদিন ডেস্ক

পল্লিকবি জসীম উদ্দীনের ১২৩তম জন্মবার্ষিকী ও আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস উপলক্ষ্যে ‘মায়া বেঙ্গল ইন মোশন, প্রেজেন্টেড বাই এমডব্লিউ’-এর তৃতীয় আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এমডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশ ও স্কয়ার টয়লেট্রিজের ন্যাচারাল ওয়েলনেস ব্র্যান্ড ‘মায়া’র যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এবারের অনুষ্ঠানটি উৎসর্গ করা হয়েছে পল্লিকবি জসীম উদ্দীনকে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে জসীম উদ্দীনের অমর সৃষ্টি ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ অবলম্বনে এক মনোজ্ঞ নৃত্যনাট্যের আয়োজন করা হয়।
১৯৫৯ সালে বুলবুল ললিতকলা একাডেমির উদ্যোগে প্রথমবার এই কাব্যগ্রন্থকে নৃত্যনাট্যে রূপান্তর করা হয়েছিল। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় রূপাই ও সাজুর মর্মস্পর্শী প্রেম ও বিরহের আখ্যান আরও একবার মঞ্চে জীবন্ত হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করেন বরেণ্য শিল্পী শামীম আরা নীপা, শিবলী মোহাম্মদ এবং নৃত্যাঞ্চল। পরিবেশনার কিউরেটর ছিলেন আনিসুল ইসলাম হিরু। সংগীত, নৃত্যকলা ও আবেগঘন অভিনয়ের সমন্বয়ে তারা বাংলার গ্রামীণ জীবনের চিরায়ত সৌন্দর্য ও সারল্য দর্শকদের সামনে তুলে ধরেন।
শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রসারে স্থানীয় শিল্পীদের মেধা ও সৃজনশীলতা তুলে ধরতে শুরু থেকেই কাজ করছে ‘বেঙ্গল ইন মোশন’ প্ল্যাটফর্ম।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন এমডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশক রুমানা চৌধুরী এবং স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের সিইও মালিক মোহাম্মদ সাঈদ।
মালিক মোহাম্মদ সাঈদ তার বক্তব্যে বলেন, মায়া ব্র্যান্ড প্রতিনিয়ত বিশ্বমানের ন্যাচারাল প্রোডাক্ট মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করছে। একইসঙ্গে তিনি সবাইকে শেকড়ের সুর ও মাটির টানে ফিরে আসার আহ্বান জানান।
এবারের আয়োজনে ব্রডকাস্ট পার্টনার ছিল মাছরাঙা টেলিভিশন, পিআর পার্টনার মিডিয়াকম এবং সিকিউরিটি পার্টনার হিসেবে ছিল এইজিস সিকিউরিটি ফোর্সেস। ডেকর পার্টনার হিসেবে এসকে ইভেন্টস এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিল সান কমিউনিকেশনস লিমিটেড। অনুষ্ঠানটি আগামী ২৯ এপ্রিল আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস উপলক্ষ্যে মাছরাঙা টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হবে।