সবুজদিন ডেস্ক।।
ডায়াবেটিস থাকলেও আম থেকে দূরে থাকার প্রয়োজন নেই। সচেতনভাবে পরিমিত পরিমাণ আর সঠিক সময়ে খেলে এই প্রিয় ফলটিও আপনার খাদ্যতালিকায় নিশ্চিন্তে জায়গা করে নিতে পারে। আম মানেই গরমের আনন্দ। কিন্তু ডায়াবেটিস থাকলে অনেকেই দ্বিধায় থাকেন— এই মিষ্টি ফল কি খাওয়া নিরাপদ?
এ প্রসঙ্গে পুষ্টিবিদরা বলছেন, একেবারে না খেয়ে থাকার দরকার নেই; বরং পরিমিত পরিমাণ, নির্দিষ্ট সময় আর সঠিক উপায়ে খেলে আম ডায়াবেটিস ডায়েটে জায়গা পেতেই পারে। কারণ ডায়াবেটিস মানে আম পুরো বাদ দেওয়া নয়; বরং কীভাবে খাবেন সেটি জানা জরুরি।
তারা বলেন, নিয়ন্ত্রত পরিমাণে সঠিকভাবে খেলে রক্তে শর্করা বাড়া অনেকটাই কমতে পারে। খালি পেটে না খেয়ে খাবারের পর আম খেলে শরীরে শর্করা শোষণ ধীরে হয়, ফলে রক্তে গ্লুকোজের ওঠানামা কমে যায়। সব মিলিয়ে ডায়াবেটিস থাকলেও আম থেকে দূরে থাকার প্রয়োজন নেই। আপনার খাদ্যতালিকায় নিশ্চিন্তে জায়গা করে নিতে পারে।
পুষ্টিবিদরা বলছেন, আমে রয়েছে ম্যাঙ্গিফেরিন নামক একটি বায়ো-অ্যাকটিভ উপাদান, যা ইনসুলিনের কার্যকারিতা কিছুটা উন্নত করতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে। তাই আম শুধু মিষ্টিই নয়, পরিমিতভাবে খেলে কিছু উপকারও মেলে।
যদিও ডায়াবেটিস থাকলে আম খাওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ খুবই জরুরি। সাধারণত নিরাপদ ধরা হয় ৮০-১০০ গ্রাম। এতে থাকে প্রায় ১২-১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট। এই পরিমাণ বজায় রাখলে রক্তে শর্করার হঠাৎ বেড়ে যাওয়া অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে।
তারা বলেন, খালি পেটে আম খেলে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়তে থাকে। তাই ভরা পেটে খাবারের পর খান অথবা প্রোটিন বা স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের সঙ্গে মিলিয়ে খান। কারণ ভারী খাবার খাওয়ার পর খান, কিন্তু অল্প পরিমাণে খান। আর জুস করে নয়, গোটা ফল খান।
Reporter Name 























