অনলাইন ডেস্ক,
দ্বিতীয়বার কান্নায় ভেঙে পড়লেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কন্টেন্ট ক্রিয়েটর তাইজুল ইসলাম তাজু। কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা চরনারায়ণপুরের তাজু ফেসবুকের ভাইরাল হওয়ার পর তাকে নিয়ে নানাজনের ট্রলের জবাবে নিজের জীবনে কষ্টের কথা বলতে গিয়ে অঝোরে কেঁদেছিলেন। এবার তিনি কাঁদলেন তার ফেসবুক পেজ ‘তাজু ভাই ২.০’ হঠাৎ করে গায়েব হয়ে যাওয়ায়। তবে তাকে সান্তনা দিতে এগিয়ে এসেছেন তথপ্রযুক্তিতে দক্ষ স্থানীয় শিক্ষার্থীরা। তাজুকে তারা আশ্বাস দিয়েছেন, মিলিয়ন ফলোয়ারের পেইজ শিগগিরই উদ্ধার করা সম্ভব হবে।
‘সরকারি রেটে জিলাপি বিক্রি’ শিরোনামের ব্যতিক্রমী ভিডিও দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছিলেন তাইজুল ইসলাম তাজু। রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরের পর থেকে পেজটি আর ফেসবুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, এতে হতাশায় ভেঙে পড়েছেন তিনি। তবে তথপ্রযুক্তিতে দক্ষ স্থানীয় শিক্ষার্থীশাহ আলম হোসেন জানান, এটি প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণেও হতে পারে। এরই মধ্যে ফেসবুকে রিপোর্ট করা হয়েছে। তিনি ও তার সহযোগীরা তাজু ভাইয়ের পেইজটিকে দ্রুতই উদ্ধার করতে পর আশা করছেন।
মাত্র কয়েক দিন আগেও তাজুর পেজে ফলোয়ার ছিল ১০ হাজারের কম। কিন্তু ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে কুড়িগ্রামের চরনারায়ণপুর এলাকার একটি স্থানীয় বাজারে ধারণ করা ‘সরকারি রেটে জিলাপি বিক্রি’ শিরোনামের ভিডিওটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওটির ভিন্নধর্মী উপস্থাপনা, সহজ-সরল ভাষা ও নিজস্ব স্টাইল দ্রুত দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তবে তার কথা বলার ভঙ্গিমা ও পোশাক নিয়ে কেউ কেউ হাস্যরস ও ট্রলও করেন। এ জবাবে ফেসবুকে এসে নিজের কষ্টের জীবন-সংগ্রামের কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন তাজু।
নাগেশ্বরী উপজেলার প্রত্যন্ত চরাঞ্চলের একজন দিনমজুর হয়েও তাজু তার ভিডিওতে স্থানীয় মানুষের নানা সমস্যা তুলে ধরতে শুরু করেন। এতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার বাস্তব চিত্র উঠে আসে, যা দর্শকদের মনে নাড়া দেয়। অল্প সময়েই তার ফলোয়ার সংখ্যা এক মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। হঠাৎ করে পেজটি অদৃশ্য হয়ে যাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ বলছেন অতিরিক্ত ট্রল, কেউবা অতি উৎসাহী কনটেন্ট নির্মাতাদের রিপোর্টের কারণে এমনটি ঘটতে পারে।
এ বিষয়ে তাইজুল ইসলাম তাজুর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার ঘণিষ্ঠজনরা জানিয়েছেন, তার এত সাধনার ফেইজটি হঠাৎ গায়েব হয়ে যাওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি।
Reporter Name 

























