০৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রূপপুর কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ মিলবে ৬০ বছর

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ২ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।

পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আনুষ্ঠানিকভাবে জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় আনুষ্ঠানিকভাবে নাম লেখাবে বাংলাদেশ।

কেন্দ্রটি চালু হলে এর স্বাভাবিক আয়ুষ্কাল হবে ৬০ বছর। এই পুরো সময়জুড়ে পাওয়া যাবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ। তদুপরি, প্রয়োজনীয় মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ সাপেক্ষে আরও ৩০ বছর পর্যন্ত কেন্দ্রটির আয়ু বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। সব মিলিয়ে ৯০ বছর পর্যন্ত সেবা দিতে পারে এই কেন্দ্র।

প্রথম ইউনিটের পারমাণবিক চুল্লিতে বিক্রিয়ার জন্য প্রয়োজন ১৬৩টি ইউরেনিয়াম বান্ডেল। প্রতিটি বান্ডেলে রয়েছে ১৫টি করে ইউরেনিয়াম প্লেটসমৃদ্ধ রড। দুই বছর আগেই বাংলাদেশ ১৬৮টি বান্ডেল সংগ্রহ করেছে। ১৬৩টি চুল্লিতে ব্যবহার হবে, বাকি ৫টি থাকবে সংরক্ষণে।

সব বান্ডেল চুল্লিতে স্থাপন করতে সময় লাগবে ৪০ থেকে ৪৫ দিন। এরপর নিউক্লিয়ার ফিশন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন তাপে পানি বাষ্পে পরিণত হবে, সেই বাষ্প টারবাইন ঘুরিয়ে তৈরি করবে বিদ্যুৎ।

একবার জ্বালানি লোড করলে তা দিয়ে চলবে টানা দেড় বছর। ফলে তেল, গ্যাস বা কয়লার মতো নিয়মিত জ্বালানি কেনার ঝামেলা নেই। দেড় বছর পর পুরো জ্বালানি একসঙ্গে পরিবর্তন না করে এক-তৃতীয়াংশ করে বদলালেই চলে।

জ্বালানি লোডিংয়ের পরেও শতাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। সব ধাপ সফলভাবে পার হলে কয়েক মাস পর ধাপে ধাপে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। রূপপুরের দুটি ইউনিটের প্রতিটির উৎপাদন ক্ষমতা ১,২০০ মেগাওয়াট।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ১

রূপপুর কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ মিলবে ৬০ বছর

Update Time : ০১:৫১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।

পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আনুষ্ঠানিকভাবে জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় আনুষ্ঠানিকভাবে নাম লেখাবে বাংলাদেশ।

কেন্দ্রটি চালু হলে এর স্বাভাবিক আয়ুষ্কাল হবে ৬০ বছর। এই পুরো সময়জুড়ে পাওয়া যাবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ। তদুপরি, প্রয়োজনীয় মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ সাপেক্ষে আরও ৩০ বছর পর্যন্ত কেন্দ্রটির আয়ু বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। সব মিলিয়ে ৯০ বছর পর্যন্ত সেবা দিতে পারে এই কেন্দ্র।

প্রথম ইউনিটের পারমাণবিক চুল্লিতে বিক্রিয়ার জন্য প্রয়োজন ১৬৩টি ইউরেনিয়াম বান্ডেল। প্রতিটি বান্ডেলে রয়েছে ১৫টি করে ইউরেনিয়াম প্লেটসমৃদ্ধ রড। দুই বছর আগেই বাংলাদেশ ১৬৮টি বান্ডেল সংগ্রহ করেছে। ১৬৩টি চুল্লিতে ব্যবহার হবে, বাকি ৫টি থাকবে সংরক্ষণে।

সব বান্ডেল চুল্লিতে স্থাপন করতে সময় লাগবে ৪০ থেকে ৪৫ দিন। এরপর নিউক্লিয়ার ফিশন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন তাপে পানি বাষ্পে পরিণত হবে, সেই বাষ্প টারবাইন ঘুরিয়ে তৈরি করবে বিদ্যুৎ।

একবার জ্বালানি লোড করলে তা দিয়ে চলবে টানা দেড় বছর। ফলে তেল, গ্যাস বা কয়লার মতো নিয়মিত জ্বালানি কেনার ঝামেলা নেই। দেড় বছর পর পুরো জ্বালানি একসঙ্গে পরিবর্তন না করে এক-তৃতীয়াংশ করে বদলালেই চলে।

জ্বালানি লোডিংয়ের পরেও শতাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। সব ধাপ সফলভাবে পার হলে কয়েক মাস পর ধাপে ধাপে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। রূপপুরের দুটি ইউনিটের প্রতিটির উৎপাদন ক্ষমতা ১,২০০ মেগাওয়াট।