সবুজদিন রিপোর্ট।।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ঘুমন্ত বাবাকে শিল-পাটা দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। আজ শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার পূর্ব সুবিদখালী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম উত্তম দেবনাথ (৬০)। তিনি পেশায় একজন দিনমজুর। ঘটনার পর অভিযুক্ত ছেলে তাপস দেবনাথকে (২৫) তাৎক্ষণিকভাবে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উত্তম দেবনাথের ছেলে তাপস দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং অতিরিক্ত মাদক সেবনের ফলে তিনি মানসিকভাবে কিছুটা বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়েন। ঘটনার দিন রাতে প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার খেয়ে উত্তম দেবনাথ ও তার ছেলে তাপস ঘরের ভেতর এবং স্ত্রী কানন দেবনাথ ঘরের পেছনের বারান্দায় ঘুমাতে যান। ভোর ৪টার দিকে তাপস হঠাৎ ঘুম থেকে উঠে ঘরে থাকা মসলা বাটার শিল-পাটা দিয়ে তার বাবার কপালের ডান পাশে আঘাত করে।
এ সময় উত্তম দেবনাথের আর্তচিৎকার শুনে তার স্ত্রী কানন দেবনাথ দ্রুত ছুটে আসেন। ঘরের ভেতর স্বামীর রক্তাক্ত ও বীভৎস অবস্থা দেখে তিনি চিৎকার করতে করতে প্রতিবেশী বাবুল দেবনাথের ঘরে যান। তার চিৎকার ও কান্নাকাটিতে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে উত্তম দেবনাথকে রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে থাকতে দেখে এবং মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশকে খবর দেয়।
খবর পেয়ে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় এবং ঘটনাস্থল থেকেই ছেলে তাপস দেবনাথকে আটক করে।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, ‘স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। অভিযুক্ত তাপসকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’
Reporter Name 






















