০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোর শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার্থী কমেছে তিন সহস্রাধিক

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:১৬:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।

গামী ২১ এপ্রিল থেকে সারা দেশে শুরু হতে যাচ্ছে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় যশোর শিক্ষা বোর্ডে গত বছরের চেয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে তিন হাজার ৭৬২ জন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় যশোর শিক্ষা বোর্ডের দুই হাজার ৫৭২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এক লাখ ৩৫ হাজার ৮৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। গত বছর (২০২৫ সাল) যা ছিল এক লাখ ৩৮ হাজার ৮৫১ জন। মোট পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ২৯৯টি।
গত বছরের তুলনায় এ বছর তিন হাজার ৭৬২ জন পরীক্ষার্থী কমেছে। এ বছর যশোরে মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে নিয়মিত পরীক্ষার্থী এক লাখ নয় হাজার ২৬৬ জন। অনিয়মিত পরীক্ষার্থী ২৫ হাজার ৬৭৮ এবং জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থী ১৪৫ জন।
এসব পরীক্ষার্থীর মধ্যে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ৩৯ হাজার ৪২৬ জন, মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী ৮২ হাজার ৪১১ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী ১৩ হাজার ২৫২ জন।
যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার মধ্যে খুলনা জেলার ৪০৪টি বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী সংখ্যা ২১ হাজার ৪২৮ জন। এর মধ্যে ১০ হাজার ৬১০ জন ছাত্র এবং ১০ হাজার ৮১৮ জন ছাত্রী।
বাগেরহাট জেলার ২৯৫টি বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী ১১ হাজার ৯২৬ জন। এর মধ্যে পাঁচ হাজার ৫৫০ জন ছাত্র এবং ছয় হাজার ৩৭৬ জন ছাত্রী। সাতক্ষীরা জেলার ২৯৭টি বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১৪ হাজার ২৪৭ জন। এর মধ্যে সাত হাজার ১২৯ জন ছাত্র এবং সাত হাজার ১১৮ জন ছাত্রী। কুষ্টিয়া জেলার ২৭২টি বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১৯ হাজার ৭৪৯ জন। এর মধ্যে নয় হাজার ৬৭৮ জন ছাত্র এবং ১০ হাজার ৭১ জন ছাত্রী। চুয়াডাঙ্গা জেলার ১৪১টি বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী সংখ্যা আট হাজার ৯৬২ জন। এর মধ্যে চার হাজার ৪৬৯ জন ছাত্র এবং চার হাজার ৪৯৩ জন ছাত্রী। মেহেরপুর জেলার ১১৭টি বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ছয় হাজার ২০০ জন। এর মধ্যে তিন হাজার ৯৮ জন ছাত্র এবং তিন হাজার ১০২ জন ছাত্রী।
যশোর জেলার ৪৮৯টি বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ২২ হাজার ৮৮ জন। এর মধ্যে ১১ হাজার ছয় জন ছাত্র এবং ১১ হাজার ৮২ জন ছাত্রী। নড়াইল জেলার ১১৭টি বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ছয় হাজার ৬৪ জন। এর মধ্যে দুই হাজার ৮৭৭ জন ছাত্র এবং তিন হাজার ১৮৭ জন ছাত্রী। ঝিনাইদহ জেলার ২৭৪টি বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১৬ হাজার ৩৪৯ জন। এর মধ্যে আট হাজার ৫৭৮ জন ছাত্র এবং সাত হাজার ৭৭১ জন ছাত্রী। মাগুরা জেলার ১৬৬টি বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী সংখ্যা আট হাজার ৭৬ জন। এর মধ্যে তিন হাজার ৯৩৩ জন ছাত্র এবং চার হাজার ১৪৩ জন ছাত্রী।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন বলেন, ২১ এপ্রিল থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। সে লক্ষ্যে শিক্ষাবোর্ডের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ২৯৯ জন কেন্দ্র সচিবকে নিয়ে মতবিনিময় সভা করা হয়েছে। সভায় শিক্ষামন্ত্রী বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ ও নির্দেশনা দিয়েছেন। পরীক্ষা পরিচালনার জন্য বোর্ডের পক্ষ থেকে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে কেন্দ্র সচিবদের কাছে পাঠানো হয়েছে। শতভাগ নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে বোর্ডের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রের আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। সব মিলিয়ে আশা করা হচ্ছে, শতভাগ নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হবে। এছাড়া পরীক্ষা-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে পরীক্ষা আইনে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে এখনো জ্বালানির দাম বাড়াইনি: প্রধানমন্ত্রী

যশোর শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার্থী কমেছে তিন সহস্রাধিক

Update Time : ০৬:১৬:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।

গামী ২১ এপ্রিল থেকে সারা দেশে শুরু হতে যাচ্ছে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় যশোর শিক্ষা বোর্ডে গত বছরের চেয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে তিন হাজার ৭৬২ জন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় যশোর শিক্ষা বোর্ডের দুই হাজার ৫৭২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এক লাখ ৩৫ হাজার ৮৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। গত বছর (২০২৫ সাল) যা ছিল এক লাখ ৩৮ হাজার ৮৫১ জন। মোট পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ২৯৯টি।
গত বছরের তুলনায় এ বছর তিন হাজার ৭৬২ জন পরীক্ষার্থী কমেছে। এ বছর যশোরে মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে নিয়মিত পরীক্ষার্থী এক লাখ নয় হাজার ২৬৬ জন। অনিয়মিত পরীক্ষার্থী ২৫ হাজার ৬৭৮ এবং জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থী ১৪৫ জন।
এসব পরীক্ষার্থীর মধ্যে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ৩৯ হাজার ৪২৬ জন, মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী ৮২ হাজার ৪১১ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী ১৩ হাজার ২৫২ জন।
যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার মধ্যে খুলনা জেলার ৪০৪টি বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী সংখ্যা ২১ হাজার ৪২৮ জন। এর মধ্যে ১০ হাজার ৬১০ জন ছাত্র এবং ১০ হাজার ৮১৮ জন ছাত্রী।
বাগেরহাট জেলার ২৯৫টি বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী ১১ হাজার ৯২৬ জন। এর মধ্যে পাঁচ হাজার ৫৫০ জন ছাত্র এবং ছয় হাজার ৩৭৬ জন ছাত্রী। সাতক্ষীরা জেলার ২৯৭টি বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১৪ হাজার ২৪৭ জন। এর মধ্যে সাত হাজার ১২৯ জন ছাত্র এবং সাত হাজার ১১৮ জন ছাত্রী। কুষ্টিয়া জেলার ২৭২টি বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১৯ হাজার ৭৪৯ জন। এর মধ্যে নয় হাজার ৬৭৮ জন ছাত্র এবং ১০ হাজার ৭১ জন ছাত্রী। চুয়াডাঙ্গা জেলার ১৪১টি বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী সংখ্যা আট হাজার ৯৬২ জন। এর মধ্যে চার হাজার ৪৬৯ জন ছাত্র এবং চার হাজার ৪৯৩ জন ছাত্রী। মেহেরপুর জেলার ১১৭টি বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ছয় হাজার ২০০ জন। এর মধ্যে তিন হাজার ৯৮ জন ছাত্র এবং তিন হাজার ১০২ জন ছাত্রী।
যশোর জেলার ৪৮৯টি বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ২২ হাজার ৮৮ জন। এর মধ্যে ১১ হাজার ছয় জন ছাত্র এবং ১১ হাজার ৮২ জন ছাত্রী। নড়াইল জেলার ১১৭টি বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ছয় হাজার ৬৪ জন। এর মধ্যে দুই হাজার ৮৭৭ জন ছাত্র এবং তিন হাজার ১৮৭ জন ছাত্রী। ঝিনাইদহ জেলার ২৭৪টি বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১৬ হাজার ৩৪৯ জন। এর মধ্যে আট হাজার ৫৭৮ জন ছাত্র এবং সাত হাজার ৭৭১ জন ছাত্রী। মাগুরা জেলার ১৬৬টি বিদ্যালয়ে পরীক্ষার্থী সংখ্যা আট হাজার ৭৬ জন। এর মধ্যে তিন হাজার ৯৩৩ জন ছাত্র এবং চার হাজার ১৪৩ জন ছাত্রী।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন বলেন, ২১ এপ্রিল থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। সে লক্ষ্যে শিক্ষাবোর্ডের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ২৯৯ জন কেন্দ্র সচিবকে নিয়ে মতবিনিময় সভা করা হয়েছে। সভায় শিক্ষামন্ত্রী বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ ও নির্দেশনা দিয়েছেন। পরীক্ষা পরিচালনার জন্য বোর্ডের পক্ষ থেকে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে কেন্দ্র সচিবদের কাছে পাঠানো হয়েছে। শতভাগ নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে বোর্ডের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রের আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। সব মিলিয়ে আশা করা হচ্ছে, শতভাগ নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হবে। এছাড়া পরীক্ষা-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে পরীক্ষা আইনে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।