০৩:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্রিজ ছাড়াই মাত্র ১০ মিনিটে তরমুজ হবে বরফ-ঠান্ডা, জেনে নিন কৌশল

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ Time View

সবুজদিন ডেস্ক।।

গনগনে গরমে এক টুকরো ঠান্ডা তরমুজ মুহূর্তের মধ্যে আপনার শরীর শীতল করে দিতে পারে। কিন্তু বাড়ির বাইরে থাকলে তরমুজ ঠান্ডা করবেন কীভাবে? কিংবা ধরুন হঠাৎ কারেন্ট অফ হয়ে গেছে। সে ক্ষেত্রেই বা কী করণীয়? ফ্রিজে না রাখলে তরমুজ কিছুতেই ঠান্ডা হবে না। তার গা থেকেও আগুনের হলকা বেরোবে। তবে বিজ্ঞানের সহজ একটি ফর্মুলাকে কাজে লাগিয়ে আপনি মাত্র ১০ মিনিটেই তরমুজকে বরফের মতো ঠান্ডা করে ফেলতে পারেন। তা-ও আবার ফ্রিজ ছাড়াই। এটা বলতে পারেন ম্যাজিক ফর্মুলা।
তরমুজ দ্রুত ঠান্ডা করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো একটি বিশেষ ‘আইস বাথ’। এটি তৈরি করতে একটি বড় বালতি বা গামলায় অনেকটা ঠান্ডা পানি নিন। এতে প্রচুর পরিমাণে বরফ কুচি এবং ২-৩ কাপ লবণ মিশিয়ে দিন। এবার আস্ত তরমুজটি ওই লবণ মেশানো বরফপানিতে ১০ মিনিটের জন্য ডুবিয়ে রাখুন। সম্ভব হলে তরমুজটিকে এপিঠ-ওপিঠ করে একটু ঘুরিয়ে দিন, যাতে সব দিক সমানভাবে ঠান্ডা হয়।

বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘ফ্রিজিং পয়েন্ট ডিপ্রেশন’। সাধারণত পানি শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসে বরফ হয়, কিন্তু পানিতে লবণ মেশালে তার হিমাঙ্ক আরও খানিকটা কমে যায়। ফলে লবণাঙ্কিত পানি সাধারণত বরফপানির চেয়ে অনেক বেশি ঠান্ডা হয়ে যায়। বায়ুর তুলনায় পানি দ্রুত তাপ পরিবহন করতে পারে। তাই ফ্রিজারের বাতাসের চেয়ে এই বরফপানি তরমুজ দ্রুত তাপ বিনিময় করতে পারে এবং শীতল হয়ে ওঠে।

চটজলদি তরমুজ ঠান্ডা করতে হলে ফলটি ছোট টুকরো করে কেটে নিন। তবে খেয়াল রাখবেন, টুকরোগুলো যেন একটি প্লাস্টিক ব্যাগে ভরা থাকে। লবণপানি যেন সরাসরি তরমুজের গায়ে না লাগে। তরমুজটি যদি পানির ওপর ভেসে থাকে, সে ক্ষেত্রে ঠান্ডা নাও হতে পারে। আর লবণপানির মধ্যে পুরোপুরি নিমজ্জিত অবস্থায় থাকলে তবেই বরফের মতো ঠান্ডা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্রিজ ছাড়াই মাত্র ১০ মিনিটে তরমুজ হবে বরফ-ঠান্ডা, জেনে নিন কৌশল

Update Time : ১২:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

সবুজদিন ডেস্ক।।

গনগনে গরমে এক টুকরো ঠান্ডা তরমুজ মুহূর্তের মধ্যে আপনার শরীর শীতল করে দিতে পারে। কিন্তু বাড়ির বাইরে থাকলে তরমুজ ঠান্ডা করবেন কীভাবে? কিংবা ধরুন হঠাৎ কারেন্ট অফ হয়ে গেছে। সে ক্ষেত্রেই বা কী করণীয়? ফ্রিজে না রাখলে তরমুজ কিছুতেই ঠান্ডা হবে না। তার গা থেকেও আগুনের হলকা বেরোবে। তবে বিজ্ঞানের সহজ একটি ফর্মুলাকে কাজে লাগিয়ে আপনি মাত্র ১০ মিনিটেই তরমুজকে বরফের মতো ঠান্ডা করে ফেলতে পারেন। তা-ও আবার ফ্রিজ ছাড়াই। এটা বলতে পারেন ম্যাজিক ফর্মুলা।
তরমুজ দ্রুত ঠান্ডা করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো একটি বিশেষ ‘আইস বাথ’। এটি তৈরি করতে একটি বড় বালতি বা গামলায় অনেকটা ঠান্ডা পানি নিন। এতে প্রচুর পরিমাণে বরফ কুচি এবং ২-৩ কাপ লবণ মিশিয়ে দিন। এবার আস্ত তরমুজটি ওই লবণ মেশানো বরফপানিতে ১০ মিনিটের জন্য ডুবিয়ে রাখুন। সম্ভব হলে তরমুজটিকে এপিঠ-ওপিঠ করে একটু ঘুরিয়ে দিন, যাতে সব দিক সমানভাবে ঠান্ডা হয়।

বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘ফ্রিজিং পয়েন্ট ডিপ্রেশন’। সাধারণত পানি শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসে বরফ হয়, কিন্তু পানিতে লবণ মেশালে তার হিমাঙ্ক আরও খানিকটা কমে যায়। ফলে লবণাঙ্কিত পানি সাধারণত বরফপানির চেয়ে অনেক বেশি ঠান্ডা হয়ে যায়। বায়ুর তুলনায় পানি দ্রুত তাপ পরিবহন করতে পারে। তাই ফ্রিজারের বাতাসের চেয়ে এই বরফপানি তরমুজ দ্রুত তাপ বিনিময় করতে পারে এবং শীতল হয়ে ওঠে।

চটজলদি তরমুজ ঠান্ডা করতে হলে ফলটি ছোট টুকরো করে কেটে নিন। তবে খেয়াল রাখবেন, টুকরোগুলো যেন একটি প্লাস্টিক ব্যাগে ভরা থাকে। লবণপানি যেন সরাসরি তরমুজের গায়ে না লাগে। তরমুজটি যদি পানির ওপর ভেসে থাকে, সে ক্ষেত্রে ঠান্ডা নাও হতে পারে। আর লবণপানির মধ্যে পুরোপুরি নিমজ্জিত অবস্থায় থাকলে তবেই বরফের মতো ঠান্ডা হবে।