০২:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে অগ্নিকাণ্ডে ৯৫ দোকান পুড়ে ছাই, ১০ কোটি টাকা ক্ষতি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৫৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
  • ১১ Time View

সবুজদিন ডেস্ক।।

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলা সদরের বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুটি বাজারের প্রায় ৯৫ টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টায় ভুরুঙ্গামারী বাজারের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত ক্ষুদ্র কাপড় ব্যবসায়িদের একটি দোকান থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। পরে মুহূর্তের মধ্যে পুরো বাজারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পার্শ্ববর্তী নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসের দুটি ও ফুলবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই মার্কেটের ৮০ টি কাপড়ের দোকান এবং পার্শ্ববর্তী জাকের পার্টির অফিসসহ ১৫টি ফল, জুতা, কসমেটিকস ও বইয়ের দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা খলিলুর রহমান জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

ভূরুঙ্গামারী ক্ষুদ্র কাপড় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি টুটুল মিয়া বলেন, ‘এখানকার অধিকাংশ ব্যবসায়ী ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করেন। ঈদ উপলক্ষে অনেকেই নতুন করে মালামাল তুলেছিলেন। আগুনে সব শেষ হয়ে গেছে। আমরা এখন নিঃস্ব। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকারি সহায়তা প্রয়োজন।’

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ ও ভুরুঙ্গামারী সদর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ বলেন, প্রাথমিক তথ্যমতে ৯৫টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের জন্য বিকেলে একটি সভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় তাদের পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে অগ্নিকাণ্ডে ৯৫ দোকান পুড়ে ছাই, ১০ কোটি টাকা ক্ষতি

Update Time : ০৫:৫৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

সবুজদিন ডেস্ক।।

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলা সদরের বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুটি বাজারের প্রায় ৯৫ টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টায় ভুরুঙ্গামারী বাজারের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত ক্ষুদ্র কাপড় ব্যবসায়িদের একটি দোকান থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। পরে মুহূর্তের মধ্যে পুরো বাজারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পার্শ্ববর্তী নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসের দুটি ও ফুলবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই মার্কেটের ৮০ টি কাপড়ের দোকান এবং পার্শ্ববর্তী জাকের পার্টির অফিসসহ ১৫টি ফল, জুতা, কসমেটিকস ও বইয়ের দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা খলিলুর রহমান জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

ভূরুঙ্গামারী ক্ষুদ্র কাপড় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি টুটুল মিয়া বলেন, ‘এখানকার অধিকাংশ ব্যবসায়ী ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করেন। ঈদ উপলক্ষে অনেকেই নতুন করে মালামাল তুলেছিলেন। আগুনে সব শেষ হয়ে গেছে। আমরা এখন নিঃস্ব। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকারি সহায়তা প্রয়োজন।’

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ ও ভুরুঙ্গামারী সদর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ বলেন, প্রাথমিক তথ্যমতে ৯৫টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের জন্য বিকেলে একটি সভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় তাদের পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।