খেলা ডেস্ক||
গ্রুপ পর্বের সব আলো বলতে গেলে একাই কেড়ে নিয়েছে জিম্বাবুয়ে। অস্ট্রেলিয়ার বাদ পড়া আর ‘বি’ গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে জিম্বাবুয়ের শেষ আটে ওঠাটাই এবারের টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত বড় চমক, আলোচনাও এ নিয়েই বেশি।
সে আলোচনার মধ্যেই কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে আজ পাকিস্তান–নিউজিল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে সুপার এইটের লড়াই। এবারের বিশ্বকাপে ফেবারিটদের তালিকা করলে কেউই সম্ভবত এই দুই দলকে ওপরের দিকে রাখবেন না। তবে জিম্বাবুয়ে আর অস্ট্রেলিয়ার বিপরীতধর্মী অবস্থাই আবার দেখিয়ে দিয়েছে, খেলাটা যখন টি–টোয়েন্টি; তখন ফেবারিট বলে আসলে কিছু নেই। এই পরিচিতির চেয়ে বরং ‘কালো ঘোড়ার’ চাদর গায়ে এগোনোই ভালো। তাহলে যেকোনো সময় যেকোনো দলকে চমকে দেওয়ার সুযোগ থাকে। সুপার এইটে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড দুই দলই নিজেদের ভাবতে পারে সেই ‘কালো ঘোড়া।’
প্রথম রাউন্ডের চার ম্যাচের মধ্যে নিউজিল্যান্ড হেরেছিল দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে
প্রথম রাউন্ডের চার ম্যাচের মধ্যে নিউজিল্যান্ড হেরেছিল দক্ষিণ আফ্রিকার কাছেএএফপি
প্রথম পর্বে দুই দলই জিতেছে তিনটি করে ম্যাচ। নিউজিল্যান্ডের তিন জয়ই এসেছে সহজে, যথাক্রমে ৫, ১০ ও ৮ উইকেটে। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে তাদের হারটাও অবশ্য ৭ উইকেটে। অন্যদিকে পাকিস্তান নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৩ উইকেট এবং ৩২ রানে জেতার পর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে বলতে গেলে উড়েই গেছে। তবে তৃতীয় ম্যাচে নামিবিয়াকে ১০২ রানে হারিয়ে নিজেদের ফিরে পাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান ও বোলাররা।
সুপার এইটে তাদের সামনে বড় জয়ে পাওয়া সেই আত্মবিশ্বাস ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ। পাকিস্তানের স্পিনার শাদাব খান তখনই বলেছিলেন, ‘ভারতের বিপক্ষে একটা ম্যাচের পর এত কথা হয়েছে যে আমরা ম্যাচটিকে (নামিবিয়ার বিপক্ষে) হালকাভাবে নিইনি। বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যে আমরা সঠিক পথেই আছি।’ সুপার এইটে নিউজিল্যান্ড ছাড়াও পাকিস্তান খেলবে ইংল্যান্ড ও সহ–আয়োজক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। নামিবিয়ার বিপক্ষে লেগ স্পিনে ১৯ রানে ৩ উইকেট নেওয়া শাদাবের ভাষায় এই পর্বের ‘সব ম্যাচই খুব চাপের।’
প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামের উইকেট যে স্পিনারদেরই সাহায্য করবে, তা জানা কথা। সেদিক থেকে ছন্দে থাকা স্পিনারদের নিয়ে পাকিস্তানের সম্ভাবনা ভালো। সঙ্গে প্রেমাদাসার মন্থর উইকেট দুশ্চিন্তার আরেকটি কারণ হতে পারে নিউজিল্যান্ডের জন্য। নিউজিল্যান্ড প্রথম রাউন্ডের চার ম্যাচই খেলেছে ভারতে। চেন্নাই আর আহমেদাবাদে খেলে এসে প্রেমাদাসার মন্থর উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া যেকোনো ব্যাটসম্যানের জন্য কঠিন।
Reporter Name 

























