পুঠিয়া (রাজশাহী) থেকে জাহাঙ্গীর আলম।
পুঠিয়া উপজেলা আটভাগ গ্রামের মধ্যে কাঁচা রাস্তা দিয়ে হাড়োগাথী বিলমাড়িয়া উজালপুর, দাসমাড়িয়া, ধোকড়াকুল, রাঙ্গমাটিয়া সহ অন্যান্য গ্রামের লোকজন ও যানবাহন চলাচল করে। খাদ্য শষ্য, শাক সব্জি ও কৃষিজাত পণ্য সামগ্রী বিভিন্ন হাট বাজার ও শহরে ক্রয় বিক্রয় করতে যায়। তাছাড়া কয়েকটি গ্রামের লোকজন ও তাদের ছেলে/মেয়ে বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসায় নিয়মিত এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি পাতের কারণে এই রাস্তাটি লোকজন ও যানবাহন চলাচলে সম্পূর্ণ অযোগ্য হয়ে পড়ে। বিভিন্ন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয় এবং গর্তে কাদাপানি জমার কারণে লোকজনের যাতায়াতে তীব্র বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। লোকজন চরম দূর্ভোগে পড়েন। যানবাহন চলাচলে চরম বিগ্ন সৃষ্টির ফলে তাদের খাদ্য শষ্য শাক সব্জি ও কৃষিজাত পণ্য সামগ্রী নিয়ে যথা সময়ে হাট বাজার ও শহরে পৌছাতে পারেনা। তারা ক্ষতিগ্রস্থ হন। প্রচুর কাদা থাকার কারণে স্কুল, কলেজ পড়–য়া ছেলে/মেয়ে এবং লোকজন পায়ে হেঁটে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। অনেক সময় দূর্ঘটনার স্বীকার হন অনেকেই। ৩ থেকে ৪ মাস পর্যন্ত এই কাঁচা রাস্তাটি যানবাহন ও লোকজন চলাচলে সম্পুর্ণ অচল থাকে। আটভাগ গ্রামের মোঃ কলম উদ্দিন, মোঃ মহসিন আলী, মোঃ নান্নু, মোঃ আব্দুল নুর, মোঃ জিন্নাহ , মোঃ আঃ মান্নান, মোঃ আবুল হোসেন, মোঃ সিদ্দিক আলী, মোঃ এরশাদ আলী, মোঃ হযরত আলী, আলহাজ লজিমুদ্দিন, মোঃ আমরুল ইসলাম, মোঃ হাসান, মোঃ আঃ রহিম উদ্দিন, মোঃ কুদ্দুস আলী, মোঃ আতু মোল্লা, মোঃ খাইরুল ইসলাম, মোঃ মইনুদ্দিন, মোঃ খুসবর আলী, মোঃ দেলবর আলী, মোঃ কামাল হোসেন, মোঃ জয়নাল, মোঃ মুকুল, মোঃ রুবেল, মোঃ শামিম হোসেন, মোঃ বাবলু, মোঃ পচা মোল্লা, মোঃ খালেক মোল্লা, শ্রী রনজিত সহ আরও অনেকেই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তারা আশা করেন তাদের এই রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার বা পাকা করে অত্র এলাকার লোকজন ও যানবাহন চলাচল করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।
০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পুঠিয়া উপজেলার আটভাগ গ্রামের রাস্তা পাকা না হওয়ার কারণে বর্ষা মৌসুমে লোকজন ও যানবাহন চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হয় এলাকাবাসীর
-
সবুজদিন ডেস্ক।। - Update Time : ০৫:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
- ৩১৫ Time View
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ






















