০৮:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরান যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে সহায়তার ঘোষণা ওপেকের

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:০৮:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ১ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি, পণ্যদ্রব্য এবং বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ার ফলে সৃষ্ট ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপ সামাল দিতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি বিশাল সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ভিয়েনা-ভিত্তিক এই সংস্থাটি জানিয়েছে, এই বিশাল অংকের অর্থ এখন থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে বিভিন্ন দেশের চাহিদার ভিত্তিতে বিতরণ করা হবে। মূলত যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে পণ্যের আকাশচুম্বী দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর সরকারকে ক্রমবর্ধমান ব্যয় মেটাতে সহায়তা করাই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য।

বিশেষ করে খাদ্য, জ্বালানি এবং সারের মতো অতি প্রয়োজনীয় পণ্যগুলোর সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই তহবিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ওপেক ফান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বজুড়ে সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দিতে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই সহায়তা প্যাকেজটি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য একটি বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

রাতের মধ্যেই ১১ জেলায় ৮০ কি.মি. বেগে কালবৈশাখীর শঙ্কা

ইরান যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে সহায়তার ঘোষণা ওপেকের

Update Time : ০৭:০৮:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি, পণ্যদ্রব্য এবং বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ার ফলে সৃষ্ট ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপ সামাল দিতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি বিশাল সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ভিয়েনা-ভিত্তিক এই সংস্থাটি জানিয়েছে, এই বিশাল অংকের অর্থ এখন থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে বিভিন্ন দেশের চাহিদার ভিত্তিতে বিতরণ করা হবে। মূলত যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে পণ্যের আকাশচুম্বী দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর সরকারকে ক্রমবর্ধমান ব্যয় মেটাতে সহায়তা করাই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য।

বিশেষ করে খাদ্য, জ্বালানি এবং সারের মতো অতি প্রয়োজনীয় পণ্যগুলোর সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই তহবিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ওপেক ফান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বজুড়ে সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দিতে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই সহায়তা প্যাকেজটি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য একটি বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা দিচ্ছে।