সবুজদিন রিপোর্ট।।
বাংলাদেশ বর্তমানে মাছ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান ২.৫৮ শতাংশ। ইলিশ আহরণে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম, মিঠা পানির মাছে দ্বিতীয় এবং তেলাপিয়া উৎপাদনে চতুর্থ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই খাত থেকে আয় হয়েছে ৬,১৪৪.৯১ কোটি টাকা।
রবিবার(১৬ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে ‘রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধে এসব তথ্য প্রকাশ করেন বক্তারা।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মৎস্য বিভাগের উপপরিচালক শ্রীবাস চন্দ্র চন্দ, চট্টগ্রাম জেলা পিপি মো. কাশেম চৌধুরী। আলোচনা শেষে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণ হতে বর্ণাঢ্য র্যালি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে লালদিঘিতে পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়।
প্রধান অতিথি ড. মো. জিয়া উদ্দীন বলেন, দেশের অর্থনীতি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে মৎস্য সম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম। মৎস্যজীবী ও মৎস্যচাষীদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করে টেকসই মৎস্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে।
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, জাতীয় মৎস্য পক্ষ ও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত এবং সরকারের উদ্যোগ সম্পর্কে মানুষকে অবহিত করা সম্ভব হয়।
চট্টগ্রাম মৎস্য বিভাগের উপ পরিচালক শ্রীবাস চন্দ্র চন্দ বলেন, মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরা থেকে বিরত থেকে সকলকে মৎস্যপ্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করতে হবে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম বলেন, হালদা নদীর ২০২৫ সালে মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি সামুদ্রিক জলসীমায় সলিমপুর সংরক্ষিত এলাকা সংরক্ষণ, জেলেদের ভিজিএফ বিতরণ এবং খাল-জলাধার পুনঃখনন কর্মসূচির ফলে মাছের প্রজনন ও বিচরণ ক্ষেত্র বৃদ্ধি এবং উৎপাদন বাড়বে।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ আজম উদ্দিন, মৎস্যজীবী ও মৎস্য চাষিদের পক্ষ থেকে জেলে প্রতিনিধি সমীরন দাশ, মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক নুরুল হক প্রমুখ।
Reporter Name 




















