১২:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাপানে ৬.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • ৭ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জাপানের দক্ষিণাঞ্চলে ৬ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভূমিকম্পের পরপরই সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও পরে তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (৩ জুলাই) স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৫ মিনিট) ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল জাপানের ওকিনাওয়া জেলার মিয়াকো দ্বীপের হিরারা শহর থেকে প্রায় ১৩৬ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে, ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। অগভীর গভীরতায় উৎপত্তি হওয়ায় কম্পন তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভূত হয়েছে।

ভূমিকম্পের পর জাপানের ভূমিকম্প গবেষণা সংস্থা সুনামি সতর্কতা জারি করলেও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর তা প্রত্যাহার করা হয়। প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থান করায় জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। প্রায় প্রতি মাসেই সেখানে একাধিক ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

উল্লেখ্য, জাপানের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে ২০১১ সালের ১১ মার্চ। ৯ দশমিক ১ মাত্রার সেই ভূমিকম্প ও পরবর্তী সুনামিতে প্রায় ২০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জাপানে ৬.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার

Update Time : ০২:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জাপানের দক্ষিণাঞ্চলে ৬ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভূমিকম্পের পরপরই সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও পরে তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (৩ জুলাই) স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৫ মিনিট) ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল জাপানের ওকিনাওয়া জেলার মিয়াকো দ্বীপের হিরারা শহর থেকে প্রায় ১৩৬ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে, ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। অগভীর গভীরতায় উৎপত্তি হওয়ায় কম্পন তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভূত হয়েছে।

ভূমিকম্পের পর জাপানের ভূমিকম্প গবেষণা সংস্থা সুনামি সতর্কতা জারি করলেও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর তা প্রত্যাহার করা হয়। প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থান করায় জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। প্রায় প্রতি মাসেই সেখানে একাধিক ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

উল্লেখ্য, জাপানের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে ২০১১ সালের ১১ মার্চ। ৯ দশমিক ১ মাত্রার সেই ভূমিকম্প ও পরবর্তী সুনামিতে প্রায় ২০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে।