০৮:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফ্ল্যাট জালিয়াতি

টিউলিপের ‎বিরুদ্ধে চার্জগঠনের শুনানি পেছাল

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৫৫:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ Time View

আদালত প্রতিবেদক

‎রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে একটি ফ্ল্যাট গ্রহণের মামলায় শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের শুনানি পিছিয়ে আগামি ৬ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত।

‎আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন নতুন এ তারিখ ঠিক করেন।

‎‎অবৈধ সুবিধা নিয়ে ঢাকার গুলশানে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের ফ্ল্যাট নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৫ এপ্রিল রিজওয়ানা সিদ্দিক, রাজউক-এর সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা শাহ মো. খসরুজ্জামান ও সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা-১ সরদার মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে কমিশনের সহকারি পরিচালক মনিরুল ইসলাম মামলা করেন।

‎‎মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোনো টাকা পরিশোধ না করেই অবৈধভাবে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের গুলশান-২ এর ফ্ল্যাট (ফ্ল্যাট নং বি/২০১, বাড়ি নং ৫এ ও ৫বি (পুরোনো), বর্তমানে- ১১৩, ১১বি (নতুন), রোড নং ৭১) দখল নেন ও পরে রেজিস্ট্রি করেন।

মামলার পর গত বছরের জুলাই মাসে আসামি শাহ খসরুজ্জামান মামলার তদন্ত স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট করেন। তার রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট খসরুজ্জামানের তদন্ত তিন মাসের জন্য স্থগিত করে। পরে চেম্বার আদালতে গেলেও দুদক ‘নো অর্ডার’ আদেশ পায়।

পরে তদন্ত শেষে গত ১১ ডিসেম্বর দণ্ডবিধির ১৬১/১৬৫(ক)/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারায় এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে গত ১৩ জানুয়ারি অভিযোগপত্র জমা দেন দুদকের সহকারি পরিচালক এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর। তদন্ত শেষে দুজনের বিরুদ্ধে গত ১৩ জানুয়ারি অভিযোগপত্র জমা দেন দুদকের সহকারী পরিচালক এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি অভিযোগপত্র আমলে গ্রহণ করে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর আসামি টিউলিপ সিদ্দিককে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে।

গত ৮ মার্চ বিজি প্রেস থেকে তাদের আদালতে হাজিরে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দেয় আদালত। গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়ে আদালতে প্রতিবেদন আসে। বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় গত ৮ এপ্রিল ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ বদলির আদেশ করেন। একই সঙ্গে অভিযোগ গঠনের জন্য ১৬ এপ্রিল দিন ধার্য করা হয়।

‎‎উল্লেখ্য, এর আগে প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির পৃথক তিন মামলায় টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকের দুই বছর করে ছয় বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে এখনো জ্বালানির দাম বাড়াইনি: প্রধানমন্ত্রী

ফ্ল্যাট জালিয়াতি

টিউলিপের ‎বিরুদ্ধে চার্জগঠনের শুনানি পেছাল

Update Time : ০২:৫৫:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

আদালত প্রতিবেদক

‎রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে একটি ফ্ল্যাট গ্রহণের মামলায় শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের শুনানি পিছিয়ে আগামি ৬ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত।

‎আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন নতুন এ তারিখ ঠিক করেন।

‎‎অবৈধ সুবিধা নিয়ে ঢাকার গুলশানে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের ফ্ল্যাট নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৫ এপ্রিল রিজওয়ানা সিদ্দিক, রাজউক-এর সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা শাহ মো. খসরুজ্জামান ও সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা-১ সরদার মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে কমিশনের সহকারি পরিচালক মনিরুল ইসলাম মামলা করেন।

‎‎মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোনো টাকা পরিশোধ না করেই অবৈধভাবে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের গুলশান-২ এর ফ্ল্যাট (ফ্ল্যাট নং বি/২০১, বাড়ি নং ৫এ ও ৫বি (পুরোনো), বর্তমানে- ১১৩, ১১বি (নতুন), রোড নং ৭১) দখল নেন ও পরে রেজিস্ট্রি করেন।

মামলার পর গত বছরের জুলাই মাসে আসামি শাহ খসরুজ্জামান মামলার তদন্ত স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট করেন। তার রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট খসরুজ্জামানের তদন্ত তিন মাসের জন্য স্থগিত করে। পরে চেম্বার আদালতে গেলেও দুদক ‘নো অর্ডার’ আদেশ পায়।

পরে তদন্ত শেষে গত ১১ ডিসেম্বর দণ্ডবিধির ১৬১/১৬৫(ক)/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারায় এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে গত ১৩ জানুয়ারি অভিযোগপত্র জমা দেন দুদকের সহকারি পরিচালক এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর। তদন্ত শেষে দুজনের বিরুদ্ধে গত ১৩ জানুয়ারি অভিযোগপত্র জমা দেন দুদকের সহকারী পরিচালক এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি অভিযোগপত্র আমলে গ্রহণ করে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর আসামি টিউলিপ সিদ্দিককে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে।

গত ৮ মার্চ বিজি প্রেস থেকে তাদের আদালতে হাজিরে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দেয় আদালত। গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়ে আদালতে প্রতিবেদন আসে। বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় গত ৮ এপ্রিল ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ বদলির আদেশ করেন। একই সঙ্গে অভিযোগ গঠনের জন্য ১৬ এপ্রিল দিন ধার্য করা হয়।

‎‎উল্লেখ্য, এর আগে প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির পৃথক তিন মামলায় টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকের দুই বছর করে ছয় বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।