১০:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিক্রেতারা চরম বিপাকে

নামজারী করতে না পারায় রাজশাহীতে সাঁওতাল ও আদিবাসীদের জমির বিক্রি হচ্ছে না

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
  • ১৮৪ Time View

oppo_0

পুঠিয়া (রাজশাহী) থেকে জাহাঙ্গীর আলম।।

রাজশাহীতে সাঁওতাল ও আদিবাসী দের জমির ক্রেতারা চরম বিপাকে, বর্তমানে উক্ত সম্প্রদায় থেকে ক্রয় করা জমি খারিজ বা নামজারী হচ্ছে না।. কারণ হিসেবে জানা গেল যে উক্ত জমি ক্রয়ের সময় প্রয়োজনীয় নিয়ম-নীতি অনুসরণ করা হয়নি। জমি রেজিস্ট্রেশন করার সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ডকুমেন্টস জমির রেকর্ড খাজনা এবং খারিজ ছাড়া রেজিস্ট্রি হয়েছিল এমনকি বিক্রয় অনুমোদন ব্যতিত রেজিস্ট্রি হয়েছিল।. বর্তমানে ভূমি সংস্কার আইনে জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া জমির রেজিস্ট্রি এবং খারিজ এবং নাম জারি হচ্ছে না। . জমির ক্রেতারা তাদের জমি খারিজ বা নামজারি করতে নিয়মিত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে এই সমস্যাগুলো সমাধানের লক্ষ্যে কিছুসংখ্যক দালালের আবির্ভাব হয়েছে। তারা এই সমস্যাগুলো সমাধান করে দেবে বলে জমির ক্রেতাদের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। ফলের যমে জমির মালিকগণ সাংসারিক বিভিন্ন অভাব অনটন এবং প্রয়োজনীয় কাজে তাদের নিজ দখলীয় জমি বিক্রয় করতে পারছেন না। . আবার আদিবাসীদের জমি কেউ ক্রয় করতে কেউ আগ্রহী না। বর্তমান মুসলিম সম্প্রদায় ব্যাক্তিগন তাদের ছেলে মেয়ের লেখাপড়া বিয়ে-শাদী এবং চিকিৎসাতে অর্থের প্রয়োজন মেটাতে জমি বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। সাঁওতাল ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের ওয়ারিশগণ . উক্ত রেজিস্টিকৃত জমি পুনরায় অনুমোদন করে বা পারমিশন করে রেজিস্ট্রি করে দিতে মোটা অংকের টাকা দাবি করছেন। আবার কেউ কেউ পুনরায় রেজিস্ট্রি করে দিতে অনিহা প্রকাশ করছেন। রাজশাহীর পঠিয়া উপজেলা বাঁশবাড়িয়া পশ্চিম ভাগ এবং আট ভাগ গ্রামে আদিবাসীদের নিকট থেকে পারমিশন ব্যতীত জমি ক্রয় করেছেন।. . পুঠিয়া উপজেলার কয়েকটি গ্রামে শতাধিক ব্যক্তির জমি পারমিশন ব্যতীত ক্রয় করা ফলে তারা নাম জারি বা খারিজ করতে পারছেন না। .

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

৫ সন্তানের পর অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে রোনালদো-জর্জিনা!

বিক্রেতারা চরম বিপাকে

নামজারী করতে না পারায় রাজশাহীতে সাঁওতাল ও আদিবাসীদের জমির বিক্রি হচ্ছে না

Update Time : ০১:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

পুঠিয়া (রাজশাহী) থেকে জাহাঙ্গীর আলম।।

রাজশাহীতে সাঁওতাল ও আদিবাসী দের জমির ক্রেতারা চরম বিপাকে, বর্তমানে উক্ত সম্প্রদায় থেকে ক্রয় করা জমি খারিজ বা নামজারী হচ্ছে না।. কারণ হিসেবে জানা গেল যে উক্ত জমি ক্রয়ের সময় প্রয়োজনীয় নিয়ম-নীতি অনুসরণ করা হয়নি। জমি রেজিস্ট্রেশন করার সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ডকুমেন্টস জমির রেকর্ড খাজনা এবং খারিজ ছাড়া রেজিস্ট্রি হয়েছিল এমনকি বিক্রয় অনুমোদন ব্যতিত রেজিস্ট্রি হয়েছিল।. বর্তমানে ভূমি সংস্কার আইনে জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া জমির রেজিস্ট্রি এবং খারিজ এবং নাম জারি হচ্ছে না। . জমির ক্রেতারা তাদের জমি খারিজ বা নামজারি করতে নিয়মিত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে এই সমস্যাগুলো সমাধানের লক্ষ্যে কিছুসংখ্যক দালালের আবির্ভাব হয়েছে। তারা এই সমস্যাগুলো সমাধান করে দেবে বলে জমির ক্রেতাদের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। ফলের যমে জমির মালিকগণ সাংসারিক বিভিন্ন অভাব অনটন এবং প্রয়োজনীয় কাজে তাদের নিজ দখলীয় জমি বিক্রয় করতে পারছেন না। . আবার আদিবাসীদের জমি কেউ ক্রয় করতে কেউ আগ্রহী না। বর্তমান মুসলিম সম্প্রদায় ব্যাক্তিগন তাদের ছেলে মেয়ের লেখাপড়া বিয়ে-শাদী এবং চিকিৎসাতে অর্থের প্রয়োজন মেটাতে জমি বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। সাঁওতাল ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের ওয়ারিশগণ . উক্ত রেজিস্টিকৃত জমি পুনরায় অনুমোদন করে বা পারমিশন করে রেজিস্ট্রি করে দিতে মোটা অংকের টাকা দাবি করছেন। আবার কেউ কেউ পুনরায় রেজিস্ট্রি করে দিতে অনিহা প্রকাশ করছেন। রাজশাহীর পঠিয়া উপজেলা বাঁশবাড়িয়া পশ্চিম ভাগ এবং আট ভাগ গ্রামে আদিবাসীদের নিকট থেকে পারমিশন ব্যতীত জমি ক্রয় করেছেন।. . পুঠিয়া উপজেলার কয়েকটি গ্রামে শতাধিক ব্যক্তির জমি পারমিশন ব্যতীত ক্রয় করা ফলে তারা নাম জারি বা খারিজ করতে পারছেন না। .