আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
বারুইপুর ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছিল। সেখানে দেখা গিয়েছে, এক ব্যক্তি একটি পুকুরে নেমে আঙুল দিয়ে দেখাচ্ছেন মৃতদেহটি কোথায় রয়েছে। তাঁর দেখানো জায়গা থেকে বস্তাবন্দি নাবালিকার দেহ উদ্ধার হতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এলাকাবাসী। মারধর শুরু হয় ওই ব্যক্তিকে। ঘটনাচক্রে দেখা গিয়েছে, ওই ব্যক্তিই এই ধর্ষণ এবং খুন কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত। নাম প্রভাস মণ্ডল।
মঙ্গলবার রাতেই পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় প্রভাসের। ঘটনার পুনর্নির্মাণে তাঁকে মঙ্গলবার রাতে নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ। সূত্রের খবর, সেই সময় পুলিশের কাছ থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন তিনি। পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। পুলিশের পাল্টা গুলিতে গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বারুইপুর কাণ্ডে প্রথম গ্রেফতার হয়েছিলেন প্রভাসই।
গত শনিবার বন্ধুর জন্মদিনে যাবে বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল নাবালিকা। তার পর থেকে তার আর খোঁজ মেলেনি। তার খোঁজ করার সময় এলাকার কয়েকটি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ। সেই সময় ওই নাবালিকাকে এক যুবকের সঙ্গে দেখতে পাওয়া যায়। নীল টি-শার্ট এবং লাল টুপি পরা ওই যুবকের খোঁজ শুরু হয়। সেই সূত্র ধরে পুলিশ ওই যুবককে শনাক্ত করে। তার পরই গ্রেফতার হন প্রভাস। তাঁকে জেরা করে আরও তিন অভিযুক্ত আনন্দ সর্দার, দিবাকর সর্দারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মঙ্গলবার গ্রেফতার করা হয় কবীর মোল্লা নামে আরও এক যুবককে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বুধবার রাজভবনে যান। বারুইপুরের সামগ্রিক ঘটনার রিপোর্ট পেশ করেন। সূত্রের খবর, রাজ্যপালের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে তাঁর।
Reporter Name 





















