সবুজদিন রিপোর্ট।।
রাজধানী ঢাকায় আজ ভোর থেকেই মুষলধারে বৃষ্টি ঝরছে। এতে কয়েক দিন যে ভ্যাপসা গরম ছিল, তাতে এসেছে স্বস্তি। আজ বুধবার ভোর থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে কিছুটা স্বস্তি মিললেও সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও শ্রমজীবীরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বৃষ্টির কারণে সড়কে যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে। রাজধানীর অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এর সঙ্গে তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে, যা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে অফিসগামীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
অনেকেই ছাতা ছাড়া বের হয়ে বৃষ্টিতে আশ্রয়ের জন্য কাছাকাছি দোকান বা ভবনে ছুটে যান। এমনকি যাদের কাছে ছাতা ছিল, তারাও পুরোপুরি রক্ষা পাননি। অনেকেই নির্ধারিত সময়ের আগেই বাসা থেকে বের হলেও যানজট ও ধীরগতির কারণে সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন না বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
কর্মজীবী নারী সুমাইয়া সোমা বলেন, অফিসে যাওয়ার পথে রিকশা পেতে তাকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছে। পরে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে রিকশায় যেতে বাধ্য হন তিনি।
শিউলি নামের আরেক নারী কর্মজীবী বলেন, ‘ছাতা থাকা সত্ত্বেও বৃষ্টিতে ভেজা এড়াতে পারিনি। তবে ভোগান্তি হলেও গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি।’
এদিকে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ বুধবার রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা ও ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
সেই সঙ্গে ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। তবে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, এমন বর্ষণ চলবে আরও চার দিন অর্থাৎ শনিবার পর্যন্ত সারাদেশে ঝরবে বৃষ্টি। কোথাও কোথাও দমকা ও ঝড়ো হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকাবে। ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট এই তিন বিভাগের ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
তবে শনিবারের পর বৃষ্টি কমে আসবে এবং সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
Reporter Name 



















