১২:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সপ্তাহের ব্যবধানে মাছ-মুরগির দামে নাভিশ্বাস, চাপে ক্রেতারা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:০৬:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • ৭ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।

রাজধানীর কাঁচাবাজারে আবারও বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায়। একই সঙ্গে অধিকাংশ মাছের দামও চড়া থাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য কিনতে বাড়তি চাপের মুখে পড়েছেন ক্রেতারা। তবে গরুর মাংস ও ডিমের বাজারে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।

শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

বাজারে রুই মাছ আকারভেদে প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতলা ২৩০ থেকে ৫০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং টাকি ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, কই ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

চিংড়ি মাছের দামও বেড়েছে। জাত ও আকারভেদে প্রতি কেজি চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকায়। বড় আকারের কিছু চিংড়ির দাম ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে।

মুরগির বাজারে ব্রয়লারের পাশাপাশি সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল। প্রতি ডজন সাদা ডিম ১০০ টাকা এবং বাদামি ডিম ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের দামও অপরিবর্তিত থেকে প্রতি কেজি ৮০০ টাকায় রয়েছে।

ধানমন্ডির বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রায় সব ধরনের মাছের দামই সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। চাষের মাছের দাম তুলনামূলক কম হলেও সামুদ্রিক মাছ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

ডিম বিক্রেতা মাসুম জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। আগে প্রতি ডজন ডিম ১২৫ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে সাদা ডিম ১০০ টাকা এবং বাদামি ডিম ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রায়েরবাজারের মাছ বিক্রেতা আব্দুল কাদের বলেন, মাছের দাম মূলত সরবরাহের ওপর নির্ভর করে। বিশেষ করে চিংড়ির সরবরাহ কম থাকায় এর দাম বেশি। বর্ষা মৌসুমে নদীর মাছের সরবরাহ বাড়লে দাম কিছুটা কমতে পারে।

অন্যদিকে মুরগি বিক্রেতা মো. সোহেল জানান, ব্রয়লার মুরগির সরবরাহ কম থাকায় গত সপ্তাহের তুলনায় প্রতি কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দামও কমে আসতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

সপ্তাহের ব্যবধানে মাছ-মুরগির দামে নাভিশ্বাস, চাপে ক্রেতারা

Update Time : ১২:০৬:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।

রাজধানীর কাঁচাবাজারে আবারও বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায়। একই সঙ্গে অধিকাংশ মাছের দামও চড়া থাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য কিনতে বাড়তি চাপের মুখে পড়েছেন ক্রেতারা। তবে গরুর মাংস ও ডিমের বাজারে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।

শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

বাজারে রুই মাছ আকারভেদে প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতলা ২৩০ থেকে ৫০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং টাকি ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, কই ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

চিংড়ি মাছের দামও বেড়েছে। জাত ও আকারভেদে প্রতি কেজি চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকায়। বড় আকারের কিছু চিংড়ির দাম ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে।

মুরগির বাজারে ব্রয়লারের পাশাপাশি সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল। প্রতি ডজন সাদা ডিম ১০০ টাকা এবং বাদামি ডিম ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের দামও অপরিবর্তিত থেকে প্রতি কেজি ৮০০ টাকায় রয়েছে।

ধানমন্ডির বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রায় সব ধরনের মাছের দামই সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। চাষের মাছের দাম তুলনামূলক কম হলেও সামুদ্রিক মাছ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

ডিম বিক্রেতা মাসুম জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। আগে প্রতি ডজন ডিম ১২৫ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে সাদা ডিম ১০০ টাকা এবং বাদামি ডিম ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রায়েরবাজারের মাছ বিক্রেতা আব্দুল কাদের বলেন, মাছের দাম মূলত সরবরাহের ওপর নির্ভর করে। বিশেষ করে চিংড়ির সরবরাহ কম থাকায় এর দাম বেশি। বর্ষা মৌসুমে নদীর মাছের সরবরাহ বাড়লে দাম কিছুটা কমতে পারে।

অন্যদিকে মুরগি বিক্রেতা মো. সোহেল জানান, ব্রয়লার মুরগির সরবরাহ কম থাকায় গত সপ্তাহের তুলনায় প্রতি কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দামও কমে আসতে পারে।