সবুজদিন রিপোর্ট।।
সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত করতে কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান চলছে। গত দেড় বছরে ৪৩টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৪০ জন সক্রিয় বনদস্যুকে আটক করা হয়েছে। সুন্দরবন থেকে দস্যুতা নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তারই ধারাবাহিকতায় রবিবার কোস্টগার্ড, নৌ-বাহিনী, পুলিশ ও র্যাবের সমন্বয়ে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় একটি যৌথ অভিযান চালানো হয়েছে।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় সুন্দরবন অঞ্চলে সক্রিয় বনদস্যুদের বিরুদ্ধে কোস্টগার্ড কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বাহিনীটির নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুইটি বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে।
এছাড়া সুন্দরবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ও বনের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের মাঝে বনদস্যু সম্পর্কে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সার্বক্ষণিক টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সুন্দরবনের ভেতরে ও আশপাশের নদী এবং খালে কোস্টগার্ডের নজরদারি আগের তুলনায় বহু অংশে বাড়ানো হয়েছে। যার ফলে এসব এলাকায় দস্যুতা অনেক হ্রাস পেয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, কোস্ট গার্ডের নিয়মিত অভিযানে গত দেড় বছরে করিম শরীফ, নানা ভাই, ছোট সুমন, আলিফ, দুলাভাই ও আসাবুর বাহিনীসহ বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর ৪০ জন সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এ সময় ৪৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, তাঁজাগুলি, ২৯৯ রাউন্ড ফাঁকাগুলি, দুইটি হাতবোমাসহ পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। ডাকাত বাহিনীর কয়েকটি আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ৩৭ জন জেলে, দুজন পর্যটক এবং একজন রিসোর্ট মালিককে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সাব্বির আলম সুজন আরও বলেন, সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত করতে কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও যৌথ অভিযান অব্যাহত রাখবে।
Reporter Name 






















