০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারীর সঙ্গে সেই ভাইরাল ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন জামায়াত এমপি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৩১:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ৪ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলাম তার ভাইরাল হওয়া ভিডিও প্রসঙ্গে একটি লিখিত বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, ভিডিওটি ঢাকার মগবাজারে একটি ব্যবসায়িক কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ থেকে নেওয়া হয়েছে এবং এটি পরিকল্পিতভাবে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে তাকে ব্ল্যাকমেইল ও চরিত্রহননের চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি জানান, ওই দিন তিনি তার প্রথম স্ত্রী মোসাম্মৎ মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম এবং ব্যক্তিগত গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর মগবাজারস্থ ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে তারা প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করেন। এ সময় চালক ওবায়দুল্লাহ কৌশলে ৬ থেকে ৭ জন অপরিচিত ব্যক্তিকে কার্যালয়ে প্রবেশের সুযোগ করে দেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ওই ব্যক্তিরা কক্ষে প্রবেশ করে এমপি ও তার পরিবারের সদস্যদের পরিচয় জানতে চেয়ে হেনস্তা শুরু করেন। পরে তাদের নিচে একটি চায়ের দোকানে নিয়ে গিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু টাকা দেওয়ার পর তারা সেখান থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন।

গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, পরে তিনি জানতে পারেন, পুরো ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তার গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ, যিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা। তিনি আরও বলেন, মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে ওবায়দুল্লাহর দুলাভাইয়ের পূর্বশত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন রাত ১০টার দিকে ওবায়দুল্লাহ এমপির কাছে ৫ লাখ টাকা এবং মাসুম বিল্লাহর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা এবং পরিবারের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়।

সংসদ সদস্যের দাবি, চাঁদার টাকা না পেয়ে ওবায়দুল্লাহ কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ ভিডিও তৈরি করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। তিনি এটিকে তার ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র এবং চরিত্রহননের অপচেষ্টা বলে উল্লেখ করেন।

গাজী নজরুল ইসলাম এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটি সম্পূর্ণ সাজানো একটি ঘটনা।

তিনি এইষড়যন্ত্রের মূল হোতা চালক ওবায়দুল্লাহসহ জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

মোদি সরকার বিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের পাশে এবার বলিউড তারকারা

নারীর সঙ্গে সেই ভাইরাল ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন জামায়াত এমপি

Update Time : ০৮:৩১:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলাম তার ভাইরাল হওয়া ভিডিও প্রসঙ্গে একটি লিখিত বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, ভিডিওটি ঢাকার মগবাজারে একটি ব্যবসায়িক কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ থেকে নেওয়া হয়েছে এবং এটি পরিকল্পিতভাবে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে তাকে ব্ল্যাকমেইল ও চরিত্রহননের চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি জানান, ওই দিন তিনি তার প্রথম স্ত্রী মোসাম্মৎ মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম এবং ব্যক্তিগত গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর মগবাজারস্থ ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে তারা প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করেন। এ সময় চালক ওবায়দুল্লাহ কৌশলে ৬ থেকে ৭ জন অপরিচিত ব্যক্তিকে কার্যালয়ে প্রবেশের সুযোগ করে দেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ওই ব্যক্তিরা কক্ষে প্রবেশ করে এমপি ও তার পরিবারের সদস্যদের পরিচয় জানতে চেয়ে হেনস্তা শুরু করেন। পরে তাদের নিচে একটি চায়ের দোকানে নিয়ে গিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু টাকা দেওয়ার পর তারা সেখান থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন।

গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, পরে তিনি জানতে পারেন, পুরো ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তার গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ, যিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা। তিনি আরও বলেন, মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে ওবায়দুল্লাহর দুলাভাইয়ের পূর্বশত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন রাত ১০টার দিকে ওবায়দুল্লাহ এমপির কাছে ৫ লাখ টাকা এবং মাসুম বিল্লাহর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা এবং পরিবারের ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয়।

সংসদ সদস্যের দাবি, চাঁদার টাকা না পেয়ে ওবায়দুল্লাহ কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ ভিডিও তৈরি করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। তিনি এটিকে তার ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র এবং চরিত্রহননের অপচেষ্টা বলে উল্লেখ করেন।

গাজী নজরুল ইসলাম এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটি সম্পূর্ণ সাজানো একটি ঘটনা।

তিনি এইষড়যন্ত্রের মূল হোতা চালক ওবায়দুল্লাহসহ জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।