১২:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বদলাচ্ছে ঢাকার ট্রাফিক রূপরেখা

৫০ মোড়ে বসছে এআই প্রযুক্তির সংকেতবাতি * মোট ব্যয় প্রায় ১০০ কোটি টাকা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৩০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৯ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।
রাজধানীর যানজট সামলাতে এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ফের বড় ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ—দুই সিটি করপোরেশনের আওতাধীন গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি ট্রাফিক ইন্টারসেকশনে (মোড়ে) বসতে যাচ্ছে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সমৃদ্ধ স্বয়ংক্রিয় সংকেতবাতি। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা। ফলে প্রতিটি সংকেতবাতি সংলগ্ন মোড় আধুনিকায়নে গড়ে খরচ পড়ছে প্রায় ২ কোটি টাকা। গত ১৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় দুই সিটি করপোরেশনকে ৫০ কোটি টাকা করে মোট ১০০ কোটি টাকার বিশেষ বাজেট প্রদান করে।

এতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ২৮টি স্থানের জন্য বরাদ্দ ধরা হয়েছে প্রায় ৫৫ কোটি টাকা আর দক্ষিণের (ডিএসসিসি) ২২টি স্থানের জন্য বরাদ্দ ধরা হয়েছে প্রায় ৪৪ কোটি টাকা। সাধারণভাবে সংকেত বাতির খরচ এত বেশি মনে হলেও, সিটি করপোরেশন সূত্র জানিয়েছে—এই অর্থ শুধু ট্রাফিক বাতি কেনার পেছনে ব্যয় হচ্ছে না। একটি মোড়কে পূর্ণাঙ্গ এআই সিগন্যালিং ব্যবস্থার আওতায় আনতে ব্যাপক অবকাঠামোগত ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

সিগন্যালের দুই পাশে ৫০ মিটার করে নিরাপত্তা স্টিলের বেড়া নির্মাণ, বাতির শক্তিশালী খুঁটি ও কংক্রিটের ভিত্তি তৈরি, বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন, সড়ক খনন এবং ট্রাফিক পুলিশের জন্য আলাদা নিয়ন্ত্রণকক্ষ তৈরি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন (এআই) ক্যামেরা, সংকেত নিয়ন্ত্রণ বক্স, ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের জন্য বিশেষ ট্যাব ও আনুষঙ্গিক সফটওয়্যার প্রযুক্তি। সমগ্র প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে। বেড়া নির্মাণ, খুঁটির ভিত্তি তৈরি, বিদ্যুতায়ন ও সড়ক কাটিংয়ের মতো কঠিন পূর্তকাজগুলো সম্পন্ন করবে। (ডিএনসিসিতে এ খাতে ব্যয় প্রায় ৪৩ কোটি টাকা এবং ডিএসসিসিতে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা)।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) সিগন্যাল ব্যবস্থার মূল নকশা (ডিজাইন) প্রণয়ন, আধুনিক প্রযুক্তি সরঞ্জাম সরবরাহ, এআই ক্যামেরা স্থাপন এবং সড়কের যানবাহন চলাচলসংক্রান্ত বিশেষ জরিপ পরিচালনা করবে।

ঢাকা উত্তরের মিরপুর, গুলশান, তেজগাঁও ও আগারগাঁও এলাকার যানজট নিরসনে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত স্থানগুলো হলো -মিরপুর ও মোহাম্মদপুর জোন: মানিক মিঞা অ্যাভিনিউ, আসাদ গেট, গণভবন, মোহাম্মদপুর থানা, কলেজ গেট, টেকনিক্যাল, মাজার রোড, মিরপুর-১, মিরপুর-৬, মিরপুর-১০, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৪ এবং সনি সিনেমা হল এলাকা।

প্রশাসনিক এলাকা: আগারগাঁও, আবহাওয়া অধিদপ্তর ও পরিকল্পনা কমিশন। গুলশান ও কূটনৈতিক এলাকা: গুলশান-১, গুলশান ক্লাব, গুলশান আজাদ মসজিদ, ডোমিনোজ ক্রসিং, পুলিশ প্লাজা এবং নিকেতন। তেজগাঁও ও শিল্পাঞ্চল জোন: তেজগাঁও পুরোনো আড়ং, শান্তা টাওয়ার, তেজগাঁও-মহাখালী লিংক রোড, বিওয়াইডি শোরুম, রেইনবো ক্রসিং এবং হাতিরঝিল-মগবাজার ক্রসিং।

দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পুরান ঢাকা, ধানমন্ডি, মতিঝিল ও বাণিজ্যিক এলাকাগুলোর ট্রাফিক প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে তালিকাভুক্ত স্থানগুলো হলো- ধানমন্ডি ও নিউমার্কেট জোন: আজিমপুর, নিউমার্কেট, সায়েন্স ল্যাব, ধানমন্ডি-৬, ধানমন্ডি-৭, ধানমন্ডি-২৭, কলাবাগান এবং রাসেল স্কয়ার। শাহবাগ ও কাকরাইল জোন: কাঁটাবন, বাটা সিগন্যাল, গ্রিন রোড, কাকরাইল, মিন্টো রোড এবং অফিসার্স ক্লাব ক্রসিং। বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক এলাকা: বিজয়নগর, ফকিরেরপুল, দৈনিক বাংলা মোড়, বঙ্গভবন, গুলিস্তান স্কয়ার, জিপিও, পল্টন মোড় এবং মগবাজার মোড়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচিত এই ৫০টি মোড়ে ট্রাফিক সিগন্যাল আধুনিকায়ন, অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদ, পথচারী পারাপার সহজীকরণ এবং নির্দিষ্ট বাস স্টপেজ নির্ধারণের কাজ প্রাধান্য পাবে। নগর বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে যানজট কমানো সম্ভব হলে পুরো ঢাকার সার্বিক পরিবহন ব্যবস্থায় দৃশ্যমান ও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

এর আগে প্রথম ধাপে ফার্মগেট, বাংলামোটর, বিজয়নগর ও বিজয় সরণিসহ ২২টি মোড়ে দেশীয় প্রযুক্তির সংকেতবাতি ও এআই ক্যামেরা যুক্ত করা হয়েছিল। মাঠপর্যায়ের ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা জানান, স্বয়ংক্রিয় লাল বাতি জ্বললেই গাড়ি থেমে যাওয়ার কারণে তাদের আগের মতো পরিশ্রম ও বিড়ম্বনা সইতে হচ্ছে না।

নগর পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান মনে করেন, এআই প্রযুক্তির অটোমেটিক জরিমানার কারণে চালকদের আইন মানার প্রবণতা বাড়ছে। তবে প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি লেন ধরে গাড়ি চালানো এবং অন্যান্য ট্রাফিক শৃঙ্খলা কঠোরভাবে নিশ্চিত না করলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া কঠিন হবে।

বর্তমানে দক্ষিণ সিটিতে (ডিএসসিসি) দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী সপ্তাহের মধ্যেই মাঠে কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। অন্যদিকে উত্তর সিটিতে (ডিএনসিসি) দরপত্র প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। দ্রুতই দুই সিটিতে একযোগে কাজ শুরু করে ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ নতুন এক স্মার্ট যুগে প্রবেশ করানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

দুই দেশ থেকে ৯০৩ কোটি টাকার সার কেনার সিদ্ধান্ত

বদলাচ্ছে ঢাকার ট্রাফিক রূপরেখা

৫০ মোড়ে বসছে এআই প্রযুক্তির সংকেতবাতি * মোট ব্যয় প্রায় ১০০ কোটি টাকা

Update Time : ০১:৩০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।
রাজধানীর যানজট সামলাতে এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ফের বড় ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ—দুই সিটি করপোরেশনের আওতাধীন গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি ট্রাফিক ইন্টারসেকশনে (মোড়ে) বসতে যাচ্ছে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সমৃদ্ধ স্বয়ংক্রিয় সংকেতবাতি। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা। ফলে প্রতিটি সংকেতবাতি সংলগ্ন মোড় আধুনিকায়নে গড়ে খরচ পড়ছে প্রায় ২ কোটি টাকা। গত ১৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় দুই সিটি করপোরেশনকে ৫০ কোটি টাকা করে মোট ১০০ কোটি টাকার বিশেষ বাজেট প্রদান করে।

এতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ২৮টি স্থানের জন্য বরাদ্দ ধরা হয়েছে প্রায় ৫৫ কোটি টাকা আর দক্ষিণের (ডিএসসিসি) ২২টি স্থানের জন্য বরাদ্দ ধরা হয়েছে প্রায় ৪৪ কোটি টাকা। সাধারণভাবে সংকেত বাতির খরচ এত বেশি মনে হলেও, সিটি করপোরেশন সূত্র জানিয়েছে—এই অর্থ শুধু ট্রাফিক বাতি কেনার পেছনে ব্যয় হচ্ছে না। একটি মোড়কে পূর্ণাঙ্গ এআই সিগন্যালিং ব্যবস্থার আওতায় আনতে ব্যাপক অবকাঠামোগত ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

সিগন্যালের দুই পাশে ৫০ মিটার করে নিরাপত্তা স্টিলের বেড়া নির্মাণ, বাতির শক্তিশালী খুঁটি ও কংক্রিটের ভিত্তি তৈরি, বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন, সড়ক খনন এবং ট্রাফিক পুলিশের জন্য আলাদা নিয়ন্ত্রণকক্ষ তৈরি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন (এআই) ক্যামেরা, সংকেত নিয়ন্ত্রণ বক্স, ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের জন্য বিশেষ ট্যাব ও আনুষঙ্গিক সফটওয়্যার প্রযুক্তি। সমগ্র প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে। বেড়া নির্মাণ, খুঁটির ভিত্তি তৈরি, বিদ্যুতায়ন ও সড়ক কাটিংয়ের মতো কঠিন পূর্তকাজগুলো সম্পন্ন করবে। (ডিএনসিসিতে এ খাতে ব্যয় প্রায় ৪৩ কোটি টাকা এবং ডিএসসিসিতে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা)।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) সিগন্যাল ব্যবস্থার মূল নকশা (ডিজাইন) প্রণয়ন, আধুনিক প্রযুক্তি সরঞ্জাম সরবরাহ, এআই ক্যামেরা স্থাপন এবং সড়কের যানবাহন চলাচলসংক্রান্ত বিশেষ জরিপ পরিচালনা করবে।

ঢাকা উত্তরের মিরপুর, গুলশান, তেজগাঁও ও আগারগাঁও এলাকার যানজট নিরসনে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত স্থানগুলো হলো -মিরপুর ও মোহাম্মদপুর জোন: মানিক মিঞা অ্যাভিনিউ, আসাদ গেট, গণভবন, মোহাম্মদপুর থানা, কলেজ গেট, টেকনিক্যাল, মাজার রোড, মিরপুর-১, মিরপুর-৬, মিরপুর-১০, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৪ এবং সনি সিনেমা হল এলাকা।

প্রশাসনিক এলাকা: আগারগাঁও, আবহাওয়া অধিদপ্তর ও পরিকল্পনা কমিশন। গুলশান ও কূটনৈতিক এলাকা: গুলশান-১, গুলশান ক্লাব, গুলশান আজাদ মসজিদ, ডোমিনোজ ক্রসিং, পুলিশ প্লাজা এবং নিকেতন। তেজগাঁও ও শিল্পাঞ্চল জোন: তেজগাঁও পুরোনো আড়ং, শান্তা টাওয়ার, তেজগাঁও-মহাখালী লিংক রোড, বিওয়াইডি শোরুম, রেইনবো ক্রসিং এবং হাতিরঝিল-মগবাজার ক্রসিং।

দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পুরান ঢাকা, ধানমন্ডি, মতিঝিল ও বাণিজ্যিক এলাকাগুলোর ট্রাফিক প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে তালিকাভুক্ত স্থানগুলো হলো- ধানমন্ডি ও নিউমার্কেট জোন: আজিমপুর, নিউমার্কেট, সায়েন্স ল্যাব, ধানমন্ডি-৬, ধানমন্ডি-৭, ধানমন্ডি-২৭, কলাবাগান এবং রাসেল স্কয়ার। শাহবাগ ও কাকরাইল জোন: কাঁটাবন, বাটা সিগন্যাল, গ্রিন রোড, কাকরাইল, মিন্টো রোড এবং অফিসার্স ক্লাব ক্রসিং। বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক এলাকা: বিজয়নগর, ফকিরেরপুল, দৈনিক বাংলা মোড়, বঙ্গভবন, গুলিস্তান স্কয়ার, জিপিও, পল্টন মোড় এবং মগবাজার মোড়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচিত এই ৫০টি মোড়ে ট্রাফিক সিগন্যাল আধুনিকায়ন, অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদ, পথচারী পারাপার সহজীকরণ এবং নির্দিষ্ট বাস স্টপেজ নির্ধারণের কাজ প্রাধান্য পাবে। নগর বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে যানজট কমানো সম্ভব হলে পুরো ঢাকার সার্বিক পরিবহন ব্যবস্থায় দৃশ্যমান ও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

এর আগে প্রথম ধাপে ফার্মগেট, বাংলামোটর, বিজয়নগর ও বিজয় সরণিসহ ২২টি মোড়ে দেশীয় প্রযুক্তির সংকেতবাতি ও এআই ক্যামেরা যুক্ত করা হয়েছিল। মাঠপর্যায়ের ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা জানান, স্বয়ংক্রিয় লাল বাতি জ্বললেই গাড়ি থেমে যাওয়ার কারণে তাদের আগের মতো পরিশ্রম ও বিড়ম্বনা সইতে হচ্ছে না।

নগর পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান মনে করেন, এআই প্রযুক্তির অটোমেটিক জরিমানার কারণে চালকদের আইন মানার প্রবণতা বাড়ছে। তবে প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি লেন ধরে গাড়ি চালানো এবং অন্যান্য ট্রাফিক শৃঙ্খলা কঠোরভাবে নিশ্চিত না করলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া কঠিন হবে।

বর্তমানে দক্ষিণ সিটিতে (ডিএসসিসি) দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী সপ্তাহের মধ্যেই মাঠে কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। অন্যদিকে উত্তর সিটিতে (ডিএনসিসি) দরপত্র প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। দ্রুতই দুই সিটিতে একযোগে কাজ শুরু করে ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ নতুন এক স্মার্ট যুগে প্রবেশ করানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।