১১:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লীগের রাজনীতিই করে যেতে চান সাকিব

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫৯:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬১ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সংসদ সদস্য ছিলেন সাকিব আল হাসান। বর্তমানে দলটির কার্যক্রম স্থগিত থাকায় তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় নন। তবে দলীয় কার্যক্রম পুনরায় শুরু হলে তিনি রাজনীতিতে ফিরে আসতে ইচ্ছুক।
এক জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে আলাপে সাকিব বলেন, ‘যেহেতু এখন দলের কার্যক্রম নেই, তাই ক্রিকেট চালিয়ে যাচ্ছি। দলীয় কার্যক্রম শুরু হলে রাজনীতিতে ফিরে আসার সুযোগ থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাজনীতি জীবনব্যাপী করা যায়, সময় অনেক আছে। কিন্তু ক্রিকেটের সময় সীমিত। তাই আগে ক্রিকেটের দিকে মনোযোগ দিতে চাই। রাজনীতির মাধ্যমে মানুষকে সাহায্য করতে পারলে ভালো লাগে, সেই আশাই এখনো আছে।’
গেল দুই বছরে দেশে ফিরতে না পারায় দেশের প্রতি মাঝেমধ্যেই টান অনুভূত হয়। তিনি বলেন, ‘যে কেউ নিজের দেশে যেতে না পারলে দেশকে মিস করবে। আমিও তাই, দেশকে খুব মিস করি। আশা করি শিগগিরই ফিরতে পারব, তখন অবশ্যই আনন্দ হবে।’
দেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি সবসময় আশাবাদী। আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দ্রুত সবকিছু সমাধান করতে পারলে সময় লাগবে না। আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যাতে দ্রুত সবকিছু ঠিক হয়ে যায় এবং দেশে ফিরতে পারি।’

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের বর্তমান অবস্থা এবং বিশ্বকাপ খেলতে না পারা প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, ‘বিশ্বকাপ না খেলাটা অবশ্যই হতাশাজনক। ওই সময় সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আসলে তার উপর তো বিসিবি কথা বলতে পারে না। এটা সম্ভব ছিলো না। তৎকালীন সরকারের কিছু সিদ্ধান্তের কারণেই আসলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, যার দায় ওই সময়ের সরকারের ওপরেই বর্তায়। কারণ তাদের সিদ্ধান্তের কারণেই বিশ্বকাপ খেলাটা হয় নাই।’
মাঠের ক্রিকেট আর কতদিন চালিয়ে যাবেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘খেলার প্রতি আমার আগ্রহ এখনো আগের মতোই অটুট আছে, তাই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। যেদিন দেখব আর আগ্রহ নেই, সেদিন নিজ থেকেই সরে দাঁড়াব।’
উল্লেখ্য, চব্বিশের জুলাইয়ে অভ্যুত্থান চলাকালে রাজপথে ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয় দেখলেও সাকিব নীরব ছিলেন, যা সেসময় বেশিরভাগ সাধারণ মানুষ এবং ভক্তদের ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অভ্যুত্থানের পরও কিছু মানুষ তার দেশে ফেরা প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগের রাজনীতিই করে যেতে চান সাকিব

Update Time : ০১:৫৯:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সংসদ সদস্য ছিলেন সাকিব আল হাসান। বর্তমানে দলটির কার্যক্রম স্থগিত থাকায় তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় নন। তবে দলীয় কার্যক্রম পুনরায় শুরু হলে তিনি রাজনীতিতে ফিরে আসতে ইচ্ছুক।
এক জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে আলাপে সাকিব বলেন, ‘যেহেতু এখন দলের কার্যক্রম নেই, তাই ক্রিকেট চালিয়ে যাচ্ছি। দলীয় কার্যক্রম শুরু হলে রাজনীতিতে ফিরে আসার সুযোগ থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাজনীতি জীবনব্যাপী করা যায়, সময় অনেক আছে। কিন্তু ক্রিকেটের সময় সীমিত। তাই আগে ক্রিকেটের দিকে মনোযোগ দিতে চাই। রাজনীতির মাধ্যমে মানুষকে সাহায্য করতে পারলে ভালো লাগে, সেই আশাই এখনো আছে।’
গেল দুই বছরে দেশে ফিরতে না পারায় দেশের প্রতি মাঝেমধ্যেই টান অনুভূত হয়। তিনি বলেন, ‘যে কেউ নিজের দেশে যেতে না পারলে দেশকে মিস করবে। আমিও তাই, দেশকে খুব মিস করি। আশা করি শিগগিরই ফিরতে পারব, তখন অবশ্যই আনন্দ হবে।’
দেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি সবসময় আশাবাদী। আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দ্রুত সবকিছু সমাধান করতে পারলে সময় লাগবে না। আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যাতে দ্রুত সবকিছু ঠিক হয়ে যায় এবং দেশে ফিরতে পারি।’

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের বর্তমান অবস্থা এবং বিশ্বকাপ খেলতে না পারা প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, ‘বিশ্বকাপ না খেলাটা অবশ্যই হতাশাজনক। ওই সময় সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আসলে তার উপর তো বিসিবি কথা বলতে পারে না। এটা সম্ভব ছিলো না। তৎকালীন সরকারের কিছু সিদ্ধান্তের কারণেই আসলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, যার দায় ওই সময়ের সরকারের ওপরেই বর্তায়। কারণ তাদের সিদ্ধান্তের কারণেই বিশ্বকাপ খেলাটা হয় নাই।’
মাঠের ক্রিকেট আর কতদিন চালিয়ে যাবেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘খেলার প্রতি আমার আগ্রহ এখনো আগের মতোই অটুট আছে, তাই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। যেদিন দেখব আর আগ্রহ নেই, সেদিন নিজ থেকেই সরে দাঁড়াব।’
উল্লেখ্য, চব্বিশের জুলাইয়ে অভ্যুত্থান চলাকালে রাজপথে ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয় দেখলেও সাকিব নীরব ছিলেন, যা সেসময় বেশিরভাগ সাধারণ মানুষ এবং ভক্তদের ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অভ্যুত্থানের পরও কিছু মানুষ তার দেশে ফেরা প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে।