সবুজদিন রিপোর্ট।।
পশু কোরবানির জন্য ৩৫৭টি নির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণ করে দিলেও নগরবাসী তা পুরোপুরি মেনে চলেননি বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম।
ঈদুল আজহার দিন বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে রাজধানীর কলাবাগানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই অভিযোগ করেন তিনি।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর বেঁধে দেয়া সময় ১২ ঘণ্টা হলেও আমরা মাত্র ৮ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের চেষ্টা করছি। অধিকাংশ মানুষ শৃঙ্খলা মেনে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেললেও কিছু কিছু জায়গায় এর ব্যত্যয় ঘটেছে। আশা করি আগামী দিনগুলোতে নগরবাসী এ ব্যাপারে আরও সচেতন হবেন।’
যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলার বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কোনো এলাকা একবার পরিষ্কার করার পরও যদি সেখানে পুনরায় আবর্জনা ফেলা হয়, তবে সেই দায় সিটি করপোরেশনের নয়। তা সত্ত্বেও আমরা সেগুলো পরিষ্কার করে দেব।’
পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সফল করতে সবার ছুটি বাতিল করে স্পেশাল ডিউটি চলমান রাখা হয়েছে উল্লেখ করে আবদুস সালাম বলেন, ‘এরইমধ্যে ১১টি পশুর হাটের বাঁশ ও অন্যান্য জিনিসপত্র অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে, যা আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সম্পূর্ণ পরিষ্কার করা হবে। আমাদের হিসাব অনুযায়ী আজ ৬০ শতাংশ আগামীকাল ৩০ শতাংশ এবং পরদিন ১০ শতাংশ কোরবানি সম্পন্ন হবে। এর সবটুকুই ধাপে ধাপে পরিষ্কার করে ফেলা হবে।’
অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আমরা কোরবানির জন্য ৩৫৭টি নির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম। কিন্তু নগরবাসী তা পুরোপুরি মেনে চলেননি। তারা যদি নির্ধারিত স্থানে কোরবানি দিতেন, তবে আমাদের কষ্ট অনেক কম হতো এবং পরিচ্ছন্নতার কাজটি আরও নিখুঁতভাবে করা সম্ভব হতো।’
Reporter Name 


















