আন্তর্জাতিক ডেস্ক
টুইটারের (বর্তমানে এক্স) শেয়ার কেনার তথ্য গোপন রাখার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) করা মামলায় ১৫ লাখ ডলার জরিমানা দিতে রাজি হয়েছেন ইলন মাস্ক।
২০২২ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটির মালিকানা নেওয়ার আগে শেয়ার কেনার তথ্য সময়মতো প্রকাশ না করে বিনিয়োগকারীদের ঠকানোর অভিযোগে এই মামলা করা হয়েছিল।
সোমবার একটি ফাইলিংয়ের মাধ্যমে জানা যায়, মাস্কের একটি ট্রাস্ট এই অর্থ পরিশোধ করবে। তবে জরিমানার অর্থ দিতে রাজি হলেও এসইসির আনা কোনো অভিযোগ স্বীকার করেননি মাস্ক। আদালত এই সমঝোতা প্রস্তাব অনুমোদন করলে মামলার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে।
উল্লেখ্য, এসইসি প্রাথমিকভাবে মাস্কের কাছে ২০০ মিলিয়ন (২০ কোটি) ডলারের বেশি দাবি করেছিল। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা নেওয়ার ঠিক আগে মাস্কের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়। নিয়ন্ত্রক সংস্থার অভিযোগ ছিল, টুইটারের ৫ শতাংশের বেশি শেয়ার কেনার তথ্য প্রকাশের নির্ধারিত সময়সীমা পার করেছিলেন মাস্ক। এর ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রায় ১৫ কোটি ডলারের বেশি লাভ থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন।
মাস্কের আইনজীবী অ্যালেক্স স্পিরো এই জরিমানাকে একটি ‘সামান্য জরিমানা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তিনি দাবি করেন, এর মাধ্যমে টুইটার অধিগ্রহণের সময় নথিপত্র দাখিলে বিলম্ব সংক্রান্ত সব সমস্যা থেকে মাস্ক মুক্তি পেয়েছেন।
অন্যদিকে এসইসির একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, যদি এই চুক্তি চূড়ান্ত হয়, তবে সময়মতো শেয়ার মালিকানার তথ্য না দেওয়ার দায়ে এটিই হবে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এসইসির দেওয়া সর্বোচ্চ জরিমানা।
ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে এসইসির এই তদন্ত শুরু হয়েছিল ২০২২ সালে। মামলার প্রক্রিয়া চলাকালে একবার মাস্ক সাক্ষ্য দিতে উপস্থিত না হয়ে তার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্সের রকেট উৎক্ষেপণ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। এই জরিমানা পরিশোধের মাধ্যমে এসইসির সঙ্গে বিরোধ মিটে গেলেও, একই ইস্যুতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের করা একটি যৌথ (ক্লাস-অ্যাকশন) মামলার মুখোমুখি এখনো রয়েছেন এই বিলিয়নিয়ার।
Reporter Name 





















