০২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন সংস্কার চায় সরকার: তথ্যমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৪৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ২২১ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এজন্য গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের সাথে শিগগিরই আলোচনা করা হবে। সরকার সবার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইআরএফ কার্যালয়ে ‘নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ও ইআরএফের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং বাংলাদেশ রিফর্ম ট্র্যাকার ও গণমাধ্যমের প্রাসঙ্গিকতা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টকে আমরা পুনর্মূল্যায়ন করতে চাচ্ছি, সবার জন্য নিরাপত্তা বিধান প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছি, মিডিয়া রিফরমস কমিশনকে বৃটিশ অফকম সিস্টেমের আদলে পুনর্গঠনের চিন্তা চলছে, হত্যা, মিথ্যা মামলা, গুমসহ সব ধরনের নির্যাতিত সাংবাদিকদের জন্য ন্যায্য প্রতিকারের ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে আনতে চাচ্ছি, অবসরপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের অন্য ভাতা সিস্টেম চালু করতে চাচ্ছি।

তিনি বলেন, বড় বড় অপরাধ করার জন্য বয়ান তৈরি করা হচ্ছে। বয়ানের কারণে সেই অপরাধ জাস্টিফাই হচ্ছে। পৃথিবীর বড় বড় রাষ্ট্রনায়করা গণমাধ্যম ও ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যম কাজে লাগিয়ে অন্যরকম পরিবেশ তৈরি করেছেন।

ফ্রিডম ও রেস্পন্সিবিলিটির কথা উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, যে কোনো স্বাধীনতা ও নৈরাজ্যের মধ্যে ব্যবধান থাকতে হবে। সঠিক স্বাধীনতা দ্বারা যে আক্রান্ত হবেন তিনি বলবেন এটা নৈরাজ্য, যেটা আসলেই নৈরাজ্য যে বলবে এটা স্বাধীনতা। এর সমাধান কী সেই প্রশ্ন রাখেন তথ্যমন্ত্রী।

সব স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সাংবাদিকদের বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট, মিডিয়া রিফর্ম, নির্যাতিত সাংবাদিকদের সব ধরনের ফ্রেমওয়ার্ক দাঁড় করাতে চাচ্ছি।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সর্বোচ্চ সমালোচনা, সর্বোচ্চ অনুসন্ধানী মন্তব্য তুলে ধরলে সরকারের অনেক বড় উপকার হবে। রিফর্ম ট্র্যাকার খুব গুরুত্বপূর্ণ ম্যাকানিজম। ডিসিশন ম্যাকিংয়ে এর ব্যবহার অনেক কাজে আসবে।’

বিজ্ঞাপনের নীতিমালা নির্ধারণ হয়নি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এসব নিয়ে অঘোষিতভাবে খুব সমষ্টিগতভাবে প্রতারণা চলছে। এসব নিয়ে যে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে তা সম্পাদনে এরইমধ্যে কাজ করা হচ্ছে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সব পৌরসভায় ডিজিটাল হাজিরা চালুর নির্দেশ

ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন সংস্কার চায় সরকার: তথ্যমন্ত্রী

Update Time : ০৭:৪৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এজন্য গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের সাথে শিগগিরই আলোচনা করা হবে। সরকার সবার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইআরএফ কার্যালয়ে ‘নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ও ইআরএফের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং বাংলাদেশ রিফর্ম ট্র্যাকার ও গণমাধ্যমের প্রাসঙ্গিকতা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টকে আমরা পুনর্মূল্যায়ন করতে চাচ্ছি, সবার জন্য নিরাপত্তা বিধান প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছি, মিডিয়া রিফরমস কমিশনকে বৃটিশ অফকম সিস্টেমের আদলে পুনর্গঠনের চিন্তা চলছে, হত্যা, মিথ্যা মামলা, গুমসহ সব ধরনের নির্যাতিত সাংবাদিকদের জন্য ন্যায্য প্রতিকারের ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে আনতে চাচ্ছি, অবসরপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের অন্য ভাতা সিস্টেম চালু করতে চাচ্ছি।

তিনি বলেন, বড় বড় অপরাধ করার জন্য বয়ান তৈরি করা হচ্ছে। বয়ানের কারণে সেই অপরাধ জাস্টিফাই হচ্ছে। পৃথিবীর বড় বড় রাষ্ট্রনায়করা গণমাধ্যম ও ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যম কাজে লাগিয়ে অন্যরকম পরিবেশ তৈরি করেছেন।

ফ্রিডম ও রেস্পন্সিবিলিটির কথা উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, যে কোনো স্বাধীনতা ও নৈরাজ্যের মধ্যে ব্যবধান থাকতে হবে। সঠিক স্বাধীনতা দ্বারা যে আক্রান্ত হবেন তিনি বলবেন এটা নৈরাজ্য, যেটা আসলেই নৈরাজ্য যে বলবে এটা স্বাধীনতা। এর সমাধান কী সেই প্রশ্ন রাখেন তথ্যমন্ত্রী।

সব স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সাংবাদিকদের বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট, মিডিয়া রিফর্ম, নির্যাতিত সাংবাদিকদের সব ধরনের ফ্রেমওয়ার্ক দাঁড় করাতে চাচ্ছি।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সর্বোচ্চ সমালোচনা, সর্বোচ্চ অনুসন্ধানী মন্তব্য তুলে ধরলে সরকারের অনেক বড় উপকার হবে। রিফর্ম ট্র্যাকার খুব গুরুত্বপূর্ণ ম্যাকানিজম। ডিসিশন ম্যাকিংয়ে এর ব্যবহার অনেক কাজে আসবে।’

বিজ্ঞাপনের নীতিমালা নির্ধারণ হয়নি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এসব নিয়ে অঘোষিতভাবে খুব সমষ্টিগতভাবে প্রতারণা চলছে। এসব নিয়ে যে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে তা সম্পাদনে এরইমধ্যে কাজ করা হচ্ছে।’