সবুজদিন রিপোর্ট।।
ক্ষমতাসীন দল বিএনপির সহযোগী সংগঠনগুলোতে নতুন নেতৃত্ব আসছে। চলছে যাচাই-বাছাই। সাংগঠনিক অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন ছাত্রদল-যুবদলের নেতারা। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, সাংগঠনিক গতিশীলতা বাড়াতে দ্রুতই নিয়মিত কাউন্সিলে ফিরতে চায় দল।
ক্ষমতাসীন বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী প্রায় সব সংগঠন বর্তমানে মেয়াদোত্তীর্ণ। নিয়মিত কাউন্সিল না হওয়ায় মূল দলসহ ১১টি অঙ্গসহযোগী সংগঠনের মধ্যে ১০টির মেয়াদ শেষ হয়েছে অনেক আগেই। গঠনতন্ত্রে প্রতি তিন বছর পর নতুন কমিটি গঠনের বিধান থাকলেও দীর্ঘদিন তা বাস্তবায়ন হয়নি। কোথাও তিন বছর, কোথাও পাঁচ বছর, আবার কোথাও এক যুগ একই কমিটি বহাল রয়েছে।
নিয়মিত কমিটি গঠন প্রক্রিয়া থমকে যাওয়ার পেছনে আওয়ামী দুঃশাসনকে দুষছেন নেতাকর্মীরা। নতুন কমিটি করার ক্ষেত্রে সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমানের নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।
যুবদলের সভাপতি আব্দুল মুনায়েম মুন্না বলেন, ‘হাইকমান্ড যে কোনো সময় যে কোনো সংগঠনের কমিটি পরিবর্তন করতেই পারে। কাজ করার জন্য আমাদের যে সুযোগ দেয়া আছে। নতুন করে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।’
কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, ‘প্রতিটি অঙ্গ সংগঠন, এমনকি মূল দলের কাউন্সিল প্রক্রিয়াধীন। দ্রুত সময়ে এ কাজগুলো হবে। আমাদের সংগঠনেরও নিজস্ব আলোচনা রয়েছে। পাশাপাশি মূল সংগঠন বিএনপির দিক নির্দেশনা-সব মিলিয়েই হবে।’
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ‘বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ ১ মার্চ শেষ হয়েছে। এখন আমরা বাড়তি সময় দায়িত্ব পালন করছি। উপযোগী একটি মেধাভিত্তিক ছাত্র রাজনীতি বিনির্মাণের জন্য আমাদের যে সব প্রচেষ্টা চলমান রেখেছি আগামীতে যারাই নেতৃত্বে আসবে তারাই দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করবে।’
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীও বলছেন, নিয়মতান্ত্রিক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধার কারণে সঠিক সময়ে এসব সংগঠনের কমিটি করা সম্ভব হয়নি। তবে নিয়মিত কাউন্সিলে ফিরতে চায় বিএনপি।
তিনি বলেন, ‘বিগত সরকারের আমলে আমাদের কাউন্সিল করতে বিভিন্নভাবে বাধা দিয়েছে। অঙ্গ সংগঠনগুলো কর্মীসভা করতে পারেনি। জেলায় জেলায় কাউন্সিল করতে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন নেতাকর্মীরা। ধীরে ধীরে সেগুলো ফিরে আসবে। নিয়মিত সম্মেলন, কাউন্সিল, নতুন কমিটি হবে। কেউ বসে নেই। সবাই কাজ করছে। নেতারাই সেগুলো মনিটরিং করছে।’
তবে এসব সংগঠনে সুবিধাবাদীরা যাতে যুক্ত না হতে পারে, তা নিশ্চিত করার কড়া হুঁশিয়ারি বিএনপি হাইকমান্ডের। দলীয় লাঠিয়াল বাহিনী নয়, বরং ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলোকে সরব দেখতে চায় বিএনপি।
Reporter Name 



















