আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে তাদের ওপর নতুন করে সামরিক আগ্রাসন চালানোর বিভিন্ন পথ ও কৌশল খতিয়ে দেখছে সৌদি আরব। দীর্ঘ চার বছর ধরে চলা অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি ভেঙে সম্প্রতি দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার পর এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক ও আঞ্চলিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, হুথিকে লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য পর্দার আড়ালে সৌদি আরবকে সবুজ সংকেত ও প্রয়োজনীয় স্বাধীনতা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে রিয়াদের শীর্ষ নেতৃত্ব এখনো এই বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি।
মার্কিন এবং পশ্চিমা কর্মকর্তাদের মতে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার ব্যাপক উত্তেজনার মাঝে হুথিকে কীভাবে মোকাবিলা করা হবে, তা নিয়ে খোদ সৌদি রাজদরবারের ভেতরেও মতভেদ দেখা দিয়েছে।
সাম্প্রতিক এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয় চলতি মাসের শুরুতে। ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় অংশ নিতে হুথি কর্মকর্তাদের বহনকারী একটি বিমান সানা বিমানবন্দর থেকে তেহরানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। অভিযোগ উঠেছে, বিমানটি যেন সানায় ফিরে আসতে না পারে সেজন্য সৌদি আরব সানা বিমানবন্দরে বোমাবর্ষণ করে। এর জবাবে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আবহায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় হুথি। হুথি নেতা আব্দুল মালিক আল-হুথি এক টেলিভিশন ভাষণে সৌদি আরবকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, রিয়াদ যদি ইয়েমেনে পুনরায় হামলা চালায়, তবে সৌদির সমস্ত তেল শোধনাগার এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, বিমানবন্দরের বদলে বিমানবন্দর এবং বন্দরের বদলে বন্দরে আঘাত হানা হবে।
Reporter Name 























