সবুজদিন রিপোর্ট।।
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় হত্যাকাণ্ডের শিকার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ স্থানীয় ফিউনারেল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। আগামী ৬ মে তার জানাজা হবে। এরপরই বৃষ্টির মরদেহ ঢাকায় পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ শনাক্তের পর হস্তান্তর করা হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার (২ মে) সকালে টাম্পার স্থানীয় একটি ফিউনারেলের কাছে বৃষ্টির মরদেহ হস্তান্তর করে পুলিশ।
আগামী বুধবার (৬ মে) টাম্পার স্থানীয় ইসলামিক সোসাইটি মসজিদে বাদ যোহর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশি কমিউনিটি। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বৃষ্টির মরদেহ বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে।
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী দুই মেধাবী শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত স্থানীয় প্রবাসীরা। কণ্ঠশিল্পী এসআই টুটুল বলেন, সমস্ত আয়োজন, অনুষ্ঠান, আনন্দ সবকিছু সারা জীবনের জন্য বিলীন হয়ে গেলে শুধুমাত্র এই একটা বাজে ঘটনার জন্য।
জামিল ও বৃষ্টির খুনের ঘটনায় ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার ক্যাম্পাসজুড়ে এখনও চলছে শোক। স্মরণসভা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বৃষ্টি ও জামিলের সহপাঠী এবং বন্ধুরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে থাকা উভয় পরিবারের সহায়তায় গোফান্ডমিতে খোলা একাউন্টে ইতোমধ্যে পৌনে দুই লাখ ডলার জমা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠী ও শিক্ষকরা আশা করছেন দুটি পরিবারের হাতে এক লাখ ডলার করে তু্লে দিতে পারবেন তারা।
ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার পিএইচডি শিক্ষার্থী মো. মুস্তাকিম আবতাহী বলেন, জামিল যে অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সে থাকতেন, পুরো বিষয়টাতে কর্তৃপক্ষের কোনো গাফিলতি আছে কিনা, এ জিনিসটা আমরা খতিয়ে দেখছি।
এপ্রিলের শেষে ফ্লোরিডার টাম্পায় দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী খুন হলে আলোড়ন সৃষ্টি হয় যুক্তরাষ্ট্র-সহ সারা বিশ্বে প্রবাসীদের মাঝে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, জামিলের রুমমেট হিশাম ঘারবেহ পরিকল্পিতভাবে দুজনকে হত্যা করেছে। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করার পর আদালত জামিন নাকচ করে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠিয়েছে।
Reporter Name 



















