১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডে-কেয়ার সেন্টারে ‘অন্যরকম’ সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৩০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • ৭ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ভূমি ভবনে ডে-কেয়ার সেন্টারের শিশুদের সঙ্গে ‘অন্যরকম’ সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এদিন শিশুদের সঙ্গে কেক কেটে, উপহার দিয়ে আনন্দমুখর সময় কাটান তিনি।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধায়নের ‘শিশু দিবাযন্ত্র কেন্দ্র’-এ যান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তাকে কাছে পেয়ে ছোট্ট শিশুরা আনন্দে বিভোর হয়ে উঠে। তারা প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে তাদের খুশির অনুভূতি প্রকাশ করে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে পেয়ে শিশুরা এত খুশি হয়েছিল যে, তারা প্রধানমন্ত্রীর চারপাশে ঘিরে সেই খুশির আনন্দ প্রকাশ করছিল। প্রধানমন্ত্রীও শিশুদের কাছে পেয়ে অন্যরকম কিছুটা সময় কাটিয়েছেন।’

‘তাদের সঙ্গে নিয়ে কেক কেটেছেন। শিশুদের বিভিন্ন রকমের চকলেট, টফি, ললিপপ নিজ হাতে দিয়েছেন, দিয়েছেন গ্রিফট ব্যাগ। চকলেট-টফি দিতে দিকে প্রধানমন্ত্রী বলছিলেন, আর কেউ কি বাকি আছে’, যোগ করেন মন্ত্রী।

ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয় ভূমি ভবনের তৃতীয় তলায়। তিন দিনব্যাপী ভূমি মেলার উদ্বোধন করে ভবনের নিচতলা ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’-এ যান প্রধানমন্ত্রী।

অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন আরও বলেন, ‘আগে থেকেই একটি কেক রাখা হয়। প্রধানমন্ত্রী সেই কেকটি দেখে বলেন, আজকে কার জন্ম দিন বলো তো? একেক জন বলতে শুনা যায়, আংকেল আমার, আংকেল আমার।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে তোমাদের সবার জন্মদিন। আসো আমরা এক সঙ্গে কেক কাটি।’ পরে শিশুদের নিয়ে হাতে হাতে রেখে কেকটি কাটেন সরকারপ্রধান।

অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন শিশুদের নিয়ে কেক কাটছিলেন, শিশুরা আনন্দে বলছিলো হ্যাপি হ্যাপি, হ্যাপি ডে, হ্যাপি হ্যাপি বার্থ ডে।’

প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন ছোট্ট শিশু আরিবা। সে বলে, ‘প্রধানমন্ত্রী আংকেলকে দেখে আমি যে কী খুশি বলতে পারছি না। আংকেলের সঙ্গে মজা করে কেক খেয়েছি। আংকেলও কেক খেয়েছেন। কি মজা কি মজা। আংকেল খুব ভালো, খুব সুইট।’

পরিদর্শনের সময় ডে-কেয়ার সেন্টারের কর্মকর্তা মাহিয়া তাসনুভ তামান্না এখানে শিশুদের কীভাবে যত্ন নেওয়া হয়- তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। ওই সময়ে শিশুদের কী কী খাবার দেওয়া হয় সে সম্পর্কে জানতে চান তারেক রহমান।

মন্ত্রী অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন জানান, মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয় এইসব শিশু দিবাযন্ত্র কেন্দ্র পরিচালনা করে। ঢাকাসহ সারাদেশে এই ডে কেয়ার সেন্টার রয়েছে ২০টি।

তিনি বলেন,‘৪ বছর থেকে ৬ বছর বয়সী শিশুরা এই কেন্দ্রে সাড়ে ১০ ঘণ্টা সেবা পেয়ে থাকে। এই কেন্দ্রে শিশুরা সংখ্যা ৬০ জন। আজকে উপস্থিত ছিলেন ৫৫ জন।’

প্রধানমন্ত্রী বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ১৫ মিনিটের কিছু বেশি সময়ে এই কেন্দ্রে অবস্থানের পর প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কাছ থেকে হাত নেড়ে বিদায় নেন। কেন্দ্রটি পরিদর্শনের সময়ে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ছাড়াও ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ডে-কেয়ার সেন্টারে ‘অন্যরকম’ সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী

Update Time : ০৬:৩০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ভূমি ভবনে ডে-কেয়ার সেন্টারের শিশুদের সঙ্গে ‘অন্যরকম’ সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এদিন শিশুদের সঙ্গে কেক কেটে, উপহার দিয়ে আনন্দমুখর সময় কাটান তিনি।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধায়নের ‘শিশু দিবাযন্ত্র কেন্দ্র’-এ যান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তাকে কাছে পেয়ে ছোট্ট শিশুরা আনন্দে বিভোর হয়ে উঠে। তারা প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে তাদের খুশির অনুভূতি প্রকাশ করে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে পেয়ে শিশুরা এত খুশি হয়েছিল যে, তারা প্রধানমন্ত্রীর চারপাশে ঘিরে সেই খুশির আনন্দ প্রকাশ করছিল। প্রধানমন্ত্রীও শিশুদের কাছে পেয়ে অন্যরকম কিছুটা সময় কাটিয়েছেন।’

‘তাদের সঙ্গে নিয়ে কেক কেটেছেন। শিশুদের বিভিন্ন রকমের চকলেট, টফি, ললিপপ নিজ হাতে দিয়েছেন, দিয়েছেন গ্রিফট ব্যাগ। চকলেট-টফি দিতে দিকে প্রধানমন্ত্রী বলছিলেন, আর কেউ কি বাকি আছে’, যোগ করেন মন্ত্রী।

ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয় ভূমি ভবনের তৃতীয় তলায়। তিন দিনব্যাপী ভূমি মেলার উদ্বোধন করে ভবনের নিচতলা ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’-এ যান প্রধানমন্ত্রী।

অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন আরও বলেন, ‘আগে থেকেই একটি কেক রাখা হয়। প্রধানমন্ত্রী সেই কেকটি দেখে বলেন, আজকে কার জন্ম দিন বলো তো? একেক জন বলতে শুনা যায়, আংকেল আমার, আংকেল আমার।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে তোমাদের সবার জন্মদিন। আসো আমরা এক সঙ্গে কেক কাটি।’ পরে শিশুদের নিয়ে হাতে হাতে রেখে কেকটি কাটেন সরকারপ্রধান।

অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন শিশুদের নিয়ে কেক কাটছিলেন, শিশুরা আনন্দে বলছিলো হ্যাপি হ্যাপি, হ্যাপি ডে, হ্যাপি হ্যাপি বার্থ ডে।’

প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন ছোট্ট শিশু আরিবা। সে বলে, ‘প্রধানমন্ত্রী আংকেলকে দেখে আমি যে কী খুশি বলতে পারছি না। আংকেলের সঙ্গে মজা করে কেক খেয়েছি। আংকেলও কেক খেয়েছেন। কি মজা কি মজা। আংকেল খুব ভালো, খুব সুইট।’

পরিদর্শনের সময় ডে-কেয়ার সেন্টারের কর্মকর্তা মাহিয়া তাসনুভ তামান্না এখানে শিশুদের কীভাবে যত্ন নেওয়া হয়- তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। ওই সময়ে শিশুদের কী কী খাবার দেওয়া হয় সে সম্পর্কে জানতে চান তারেক রহমান।

মন্ত্রী অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন জানান, মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয় এইসব শিশু দিবাযন্ত্র কেন্দ্র পরিচালনা করে। ঢাকাসহ সারাদেশে এই ডে কেয়ার সেন্টার রয়েছে ২০টি।

তিনি বলেন,‘৪ বছর থেকে ৬ বছর বয়সী শিশুরা এই কেন্দ্রে সাড়ে ১০ ঘণ্টা সেবা পেয়ে থাকে। এই কেন্দ্রে শিশুরা সংখ্যা ৬০ জন। আজকে উপস্থিত ছিলেন ৫৫ জন।’

প্রধানমন্ত্রী বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ১৫ মিনিটের কিছু বেশি সময়ে এই কেন্দ্রে অবস্থানের পর প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কাছ থেকে হাত নেড়ে বিদায় নেন। কেন্দ্রটি পরিদর্শনের সময়ে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ছাড়াও ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।