সবুজদিন রিপোর্ট।।
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজের প্রায় ৫০ দিন পর বাড়ির পাশের এক আত্মীয়ের রান্নাঘরের মাটির ৮ থেকে ১০ ফুট নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় মিলেছে ওই বৃদ্ধের মরদেহ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) ভোরে সিরাজদিখান উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের চাইনপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে আওলাদ হোসেন (৬০) নামে ওই বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি গ্রামের মৃত ফরিদ শেখের ছেলে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ মে থেকে নিখোঁজ ছিলেন আওলাদ হোসেন। পরে ২৩ মে তার ভাই আব্দুল আউয়াল শেখ সিরাজদিখান থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালিয়েও তার কোনো সন্ধান পাননি। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আওলাদ হোসেনের ভায়রা খায়ের বেপারীর বাড়ির রান্নাঘরের মাটির গভীরে পুঁতে রাখা মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, আওলাদ হোসেন ব্যক্তিগত জীবনে দুইটি বিয়ে করেছিলেন। পাশাপাশি পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের পাশাপাশি ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ চারজনকে আটক করেছে। তারা হলেন-মানিক বেপারী (৪০), বিন আমিন (৩৬), রিপন (৩০) এবং রংপুরের রাজেন্দ্রপুর গ্রামের সাইফুল ইসলাম (৩৮)।
সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তদন্ত শেষে ঘটনার বিস্তারিত জানানো হবে।
Reporter Name 





















