০৩:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোনায় ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে হাওরে ঢুকছে পাহাড়ি ঢলের পানি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:০০:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
  • ১ Time View

সবুজদিন ডেস্ক।।

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার গড়াডোবা হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে পাহাড়ি ঢলের পানি ঢুকছে। এতে নতুন করে বড়কাপন ও পোগলা ইউনিয়নের কয়েকটি হাওর প্লাবিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে বড়কাপন ইউনিয়নের কেশবপুর এলাকার কামাউড়া স্লুইসগেট সংলগ্ন অংশে বাঁধটি ভেঙে যায়। এরপর দ্রুত হাওরে পানি প্রবেশ শুরু হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত দুই দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পানি হঠাৎ বেড়ে যায়। এতে হাওরের নিচু এলাকার ফসল ইতোমধ্যে পানিতে তলিয়ে গেছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাখাওয়াত হোসেন বলেন, হাওরের বোরো ধান কাটার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তাই বাঁধ ভেঙে গেলেও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা নেই। তবে হাওরের উঁচু এলাকাগুলোতে এখনও কিছু ফসল রয়েছে। সেগুলো দ্রুত কেটে ঘরে তোলার জন্য কৃষকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনায় ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে হাওরে ঢুকছে পাহাড়ি ঢলের পানি

Update Time : ০২:০০:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

সবুজদিন ডেস্ক।।

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার গড়াডোবা হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে পাহাড়ি ঢলের পানি ঢুকছে। এতে নতুন করে বড়কাপন ও পোগলা ইউনিয়নের কয়েকটি হাওর প্লাবিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে বড়কাপন ইউনিয়নের কেশবপুর এলাকার কামাউড়া স্লুইসগেট সংলগ্ন অংশে বাঁধটি ভেঙে যায়। এরপর দ্রুত হাওরে পানি প্রবেশ শুরু হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত দুই দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পানি হঠাৎ বেড়ে যায়। এতে হাওরের নিচু এলাকার ফসল ইতোমধ্যে পানিতে তলিয়ে গেছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাখাওয়াত হোসেন বলেন, হাওরের বোরো ধান কাটার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তাই বাঁধ ভেঙে গেলেও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা নেই। তবে হাওরের উঁচু এলাকাগুলোতে এখনও কিছু ফসল রয়েছে। সেগুলো দ্রুত কেটে ঘরে তোলার জন্য কৃষকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।