০৫:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মার্কিন কংগ্রেস সদস্যের অভিনন্দন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:০৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৭২ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্য গ্রেস মেং।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রভাবশালী সদস্য গ্রেস মেং।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জ্ঞাপন করেন। গ্রেস মেং তাঁর বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় ও জোরদার করার লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।
গ্রেস মেং উল্লেখ করেছেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের ওপর নিউ ইয়র্কের কুইনসসহ যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা গভীর নজর রেখেছিলেন।
তিনি বলেন, প্রবাসীরা বাংলাদেশে টেকসই গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং মানবাধিকার সুরক্ষার মাধ্যমে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রত্যাশা করেন। তাঁর নির্বাচনী এলাকায় বসবাসরত বিশাল বাংলাদেশি জনগোষ্ঠীর আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক অগ্রগতির ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে গ্রেস মেং বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তনের বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেসের ক্রমবর্ধমান আগ্রহের কথা তুলে ধরেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে, দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায় শুরু হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে আরও এগিয়ে যাবে এবং যুক্তরাষ্ট্র এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় পাশে থাকবে বলে তিনি তাঁর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
একই সঙ্গে গ্রেস মেং তাঁর নিজস্ব নির্বাচনী এলাকায় বসবাসকারী বাংলাদেশি আমেরিকানদের পাশে থাকার এবং তাঁদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করার দৃঢ় সংকল্প ঘোষণা করেছেন। তাঁর এই অভিনন্দন বার্তা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের গুরুত্বকে পুনরায় সামনে নিয়ে এসেছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়েও তিনি ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সব পৌরসভায় ডিজিটাল হাজিরা চালুর নির্দেশ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মার্কিন কংগ্রেস সদস্যের অভিনন্দন

Update Time : ০৩:০৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্য গ্রেস মেং।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রভাবশালী সদস্য গ্রেস মেং।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জ্ঞাপন করেন। গ্রেস মেং তাঁর বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় ও জোরদার করার লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।
গ্রেস মেং উল্লেখ করেছেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের ওপর নিউ ইয়র্কের কুইনসসহ যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা গভীর নজর রেখেছিলেন।
তিনি বলেন, প্রবাসীরা বাংলাদেশে টেকসই গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং মানবাধিকার সুরক্ষার মাধ্যমে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রত্যাশা করেন। তাঁর নির্বাচনী এলাকায় বসবাসরত বিশাল বাংলাদেশি জনগোষ্ঠীর আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক অগ্রগতির ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে গ্রেস মেং বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তনের বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেসের ক্রমবর্ধমান আগ্রহের কথা তুলে ধরেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে, দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায় শুরু হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে আরও এগিয়ে যাবে এবং যুক্তরাষ্ট্র এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় পাশে থাকবে বলে তিনি তাঁর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
একই সঙ্গে গ্রেস মেং তাঁর নিজস্ব নির্বাচনী এলাকায় বসবাসকারী বাংলাদেশি আমেরিকানদের পাশে থাকার এবং তাঁদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করার দৃঢ় সংকল্প ঘোষণা করেছেন। তাঁর এই অভিনন্দন বার্তা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের গুরুত্বকে পুনরায় সামনে নিয়ে এসেছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়েও তিনি ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন।