০৫:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্রমিকদের কল্যাণে বিএনপি সবচেয়ে বৃহৎ কর্মপরিকল্পনা দিয়েছে: নজরুল ইসলাম

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:১৩:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • ৪ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।

শ্রমিকদের কল্যাণে বিএনপি সবচেয়ে বৃহৎ কর্মপরিকল্পনা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মে দিবসের আলোচনা সভায় দেয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

শ্রমিকদের কল্যাণে সরকার আন্তরিক জানিয়ে নজরুল ইসলাম বলেন, সরকারের অন্যতম আকাঙ্ক্ষা কর্মসংস্থান তৈরি করা। কর্মসংস্থান আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। আজকে যদি প্রতি মাসে আমার বেকার সন্তানকে আমার ২০০ টাকা দিতে হয়, কালকে যদি সে একটা কাজ পায়, সে যদি আমাকে কোনো টাকা নাও দেয়-এই যে ২০০ টাকা আর দেয়া লাগল না তাকে, এটা আমার লাভ হলো না? প্রকৃত মজুরি ২০০ টাকা বাড়ল তো নাকি?

তিনি বলেন, ইতিহাসকে ধারণ করে মে দিবস উদযাপন করছি। মহান মে দিবসের দাবি এখনো পূরণ হয়নি। দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজ নিশ্চিত হতে হবে। এই দাবি পূরণে প্রধানমন্ত্রী তারক রহমানের ওপর ভরসা করছি।

এই বিএনপি নেতা বলেন, কর্মক্ষেত্রে মৌলিক অধিকার যেমন: পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা, অবাধ ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার, শ্রমিকদের ন্যায় বিচার এবং ক্ষতিপূরণ, সামাজিক সুরক্ষা, হয়রানিমুক্ত কর্মপরিবেশ-এই সব নিশ্চিত করে একটা বৈষম্যহীন, একটা মর্যাদাপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। সেখানে একজন শ্রমিক তার মানবিক মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকবে, তার সন্তান-সন্ততি নিয়ে কাজ করবে-এটাই তো আকাঙ্ক্ষা আমাদের।

তিনি বলেন, যে নির্বাচনী ইশতেহার দেখে জনগণ আমাদের দলকে ভোট দিয়েছে, সেই নির্বাচনী ইশতেহার আমাদের দলের সরকার বাস্তবায়ন করবে বলে আশা করি। আমরা অপেক্ষা করব, আমরা সহযোগিতা করব। কিন্তু অবশ্যই যদি এটা অর্জিত না হয় আমরা অসন্তুষ্ট হব, আমরা প্রতিবাদ জানাব, শ্রমিক আন্দোলনের নিয়ম অনুযায়ী অবশ্যই আমাদের আন্দোলন সংগ্রাম করতে হবে।

নজরুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা অবশ্যই আমাদের কল্যাণ চাই, আমরা অবশ্যই আমাদের ভাগ্যের পরিবর্তন চাই, আমরা অবশ্যই আমাদের ন্যায্য মজুরি চাই, আমরা অবশ্যই স্বাস্থ্যকর কাজের পরিবেশ চাই। কিন্তু তা আমাদের আদায় করতে হবে একটা গঠনমূলক প্রক্রিয়ায়। কারণ এই দেশটা আমাদের, আমরা রক্ত দিয়ে দেশটাকে স্বাধীন করেছি। আমাদেরকে বিভ্রান্ত করে যেন এই দেশের স্বাধীনতা বা সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কেউ কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রমিকদের কল্যাণে বিএনপি সবচেয়ে বৃহৎ কর্মপরিকল্পনা দিয়েছে: নজরুল ইসলাম

Update Time : ০৩:১৩:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।

শ্রমিকদের কল্যাণে বিএনপি সবচেয়ে বৃহৎ কর্মপরিকল্পনা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মে দিবসের আলোচনা সভায় দেয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

শ্রমিকদের কল্যাণে সরকার আন্তরিক জানিয়ে নজরুল ইসলাম বলেন, সরকারের অন্যতম আকাঙ্ক্ষা কর্মসংস্থান তৈরি করা। কর্মসংস্থান আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। আজকে যদি প্রতি মাসে আমার বেকার সন্তানকে আমার ২০০ টাকা দিতে হয়, কালকে যদি সে একটা কাজ পায়, সে যদি আমাকে কোনো টাকা নাও দেয়-এই যে ২০০ টাকা আর দেয়া লাগল না তাকে, এটা আমার লাভ হলো না? প্রকৃত মজুরি ২০০ টাকা বাড়ল তো নাকি?

তিনি বলেন, ইতিহাসকে ধারণ করে মে দিবস উদযাপন করছি। মহান মে দিবসের দাবি এখনো পূরণ হয়নি। দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজ নিশ্চিত হতে হবে। এই দাবি পূরণে প্রধানমন্ত্রী তারক রহমানের ওপর ভরসা করছি।

এই বিএনপি নেতা বলেন, কর্মক্ষেত্রে মৌলিক অধিকার যেমন: পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা, অবাধ ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার, শ্রমিকদের ন্যায় বিচার এবং ক্ষতিপূরণ, সামাজিক সুরক্ষা, হয়রানিমুক্ত কর্মপরিবেশ-এই সব নিশ্চিত করে একটা বৈষম্যহীন, একটা মর্যাদাপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। সেখানে একজন শ্রমিক তার মানবিক মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকবে, তার সন্তান-সন্ততি নিয়ে কাজ করবে-এটাই তো আকাঙ্ক্ষা আমাদের।

তিনি বলেন, যে নির্বাচনী ইশতেহার দেখে জনগণ আমাদের দলকে ভোট দিয়েছে, সেই নির্বাচনী ইশতেহার আমাদের দলের সরকার বাস্তবায়ন করবে বলে আশা করি। আমরা অপেক্ষা করব, আমরা সহযোগিতা করব। কিন্তু অবশ্যই যদি এটা অর্জিত না হয় আমরা অসন্তুষ্ট হব, আমরা প্রতিবাদ জানাব, শ্রমিক আন্দোলনের নিয়ম অনুযায়ী অবশ্যই আমাদের আন্দোলন সংগ্রাম করতে হবে।

নজরুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা অবশ্যই আমাদের কল্যাণ চাই, আমরা অবশ্যই আমাদের ভাগ্যের পরিবর্তন চাই, আমরা অবশ্যই আমাদের ন্যায্য মজুরি চাই, আমরা অবশ্যই স্বাস্থ্যকর কাজের পরিবেশ চাই। কিন্তু তা আমাদের আদায় করতে হবে একটা গঠনমূলক প্রক্রিয়ায়। কারণ এই দেশটা আমাদের, আমরা রক্ত দিয়ে দেশটাকে স্বাধীন করেছি। আমাদেরকে বিভ্রান্ত করে যেন এই দেশের স্বাধীনতা বা সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কেউ কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।