১০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অ্যাক্রেডিটেশন দেশের শিল্পখাতকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখার শক্তিশালী হাতিয়ার : প্রধানমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৪৮:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • ৭ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, অ্যাক্রেডিটেশন কেবল একটি সনদ বা স্বীকৃতি নয়, এটি দেশের শিল্পখাতকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার।

আগামীকাল বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উপলক্ষ্যে আজ দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য, ‘উদ্ভাবন, আস্থা এবং টেকসই উন্নয়ন অ্যাক্রেডিটেশনের শক্তি।’

তারেক রহমান বলেন, ‘অ্যাক্রেডিটেশন একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা, যা নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে পণ্য ও সেবার গুণগত মান যাচাই করে। অ্যাক্রেডিটেশন কেবল একটি সনদ বা স্বীকৃতি নয়, এটি দেশের শিল্পখাতকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার।’

তিনি বলেন, ‘অ্যাক্রেডিটেশনের মাধ্যমে বিএবি বাংলাদেশের পণ্য ও সেবাকে বিশ্ববাজারে আরো গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলছে। এ পর্যন্ত বিএবি দেশে ১৬৮টি সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানকে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে পাঁচটি ক্ষেত্রভিত্তিক স্কিমের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে উদ্ভাবন, আস্থা এবং টেকসই উন্নয়ন একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি। এ প্রেক্ষাপটে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) কর্তৃক বিশ্ব অ্যাক্রিডিটেশন দিবস ২০২৬ উদযাপনের উদ্যোগ সময়োপযোগী।’

আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে আমাদের উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণ করা জরুরি জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে ভোক্তারা আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। তারা শুধু পণ্যের গুণগত মানই নয়, বরং উৎপাদনের নৈতিকতা, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং পরিবেশের ওপর এর প্রভাবও বিবেচেনায় নেন

বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস প্রতিবছর আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের পণ্য ও সেবার নিরাপত্তা, গুণগত মান এবং আস্থার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয় জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন ফোরাম (আইএএফ) এবং ইন্টারন্যাশনাল ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কো-অপারেশন (আইএলএসি) প্রতিবছর ৯ জুন বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস পালন করে।

বাণীতে তিনি বিশ্ব আ্যাক্রেডিটেশন দিবস দেশের মান অবকাঠামোকে আরো শক্তিশালী করবে এবং উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে আরো ত্বরান্বিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন এবং দিবসটির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

চা-এর সঙ্গে যেসব খাবার ডেকে আনতে পারে বিপদ

অ্যাক্রেডিটেশন দেশের শিল্পখাতকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখার শক্তিশালী হাতিয়ার : প্রধানমন্ত্রী

Update Time : ০৭:৪৮:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, অ্যাক্রেডিটেশন কেবল একটি সনদ বা স্বীকৃতি নয়, এটি দেশের শিল্পখাতকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার।

আগামীকাল বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উপলক্ষ্যে আজ দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য, ‘উদ্ভাবন, আস্থা এবং টেকসই উন্নয়ন অ্যাক্রেডিটেশনের শক্তি।’

তারেক রহমান বলেন, ‘অ্যাক্রেডিটেশন একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা, যা নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে পণ্য ও সেবার গুণগত মান যাচাই করে। অ্যাক্রেডিটেশন কেবল একটি সনদ বা স্বীকৃতি নয়, এটি দেশের শিল্পখাতকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার।’

তিনি বলেন, ‘অ্যাক্রেডিটেশনের মাধ্যমে বিএবি বাংলাদেশের পণ্য ও সেবাকে বিশ্ববাজারে আরো গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলছে। এ পর্যন্ত বিএবি দেশে ১৬৮টি সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানকে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে পাঁচটি ক্ষেত্রভিত্তিক স্কিমের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে উদ্ভাবন, আস্থা এবং টেকসই উন্নয়ন একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি। এ প্রেক্ষাপটে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) কর্তৃক বিশ্ব অ্যাক্রিডিটেশন দিবস ২০২৬ উদযাপনের উদ্যোগ সময়োপযোগী।’

আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে আমাদের উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণ করা জরুরি জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে ভোক্তারা আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। তারা শুধু পণ্যের গুণগত মানই নয়, বরং উৎপাদনের নৈতিকতা, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং পরিবেশের ওপর এর প্রভাবও বিবেচেনায় নেন

বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস প্রতিবছর আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের পণ্য ও সেবার নিরাপত্তা, গুণগত মান এবং আস্থার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয় জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন ফোরাম (আইএএফ) এবং ইন্টারন্যাশনাল ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কো-অপারেশন (আইএলএসি) প্রতিবছর ৯ জুন বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস পালন করে।

বাণীতে তিনি বিশ্ব আ্যাক্রেডিটেশন দিবস দেশের মান অবকাঠামোকে আরো শক্তিশালী করবে এবং উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে আরো ত্বরান্বিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন এবং দিবসটির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।