০৪:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি

বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়ন করছে পাকিস্তান

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:১১:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • ৩ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

চীন-নির্মিত পাকিস্তানের নতুন হাঙ্গর-ক্লাস সাবমেরিন সম্প্রতি করাচি বন্দরে এসে পৌঁছেছে। তবে এই সাবমেরিনকে ঘিরে পাকিস্তান নৌবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের একটি মন্তব্য দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্য দিয়েছে। পাকিস্তানি নৌ-কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই সাবমেরিনের মাধ্যমে তারা দূরবর্তী বঙ্গোপসাগরে নিজেদের উপস্থিতি বজায় রাখতে চান।

১৯৭১ সালের যুদ্ধে পাকিস্তানের চূড়ান্ত পরাজয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে বঙ্গোপসাগরে দেশটির নৌবাহিনীর কার্যকর কোনো উপস্থিতি ছিল না। দীর্ঘ ৫৫ বছর পর সেখানে পুনরায় নিজেদের প্রভাব বিস্তারের এই উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নৌবাহিনীর ইতিহাসে হাঙ্গর নামটি পাকিস্তানের কাছে অত্যন্ত প্রতীকী ও ঐতিহাসিক। ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ চলাকালে তৎকালীন পাকিস্তানি সাবমেরিন পিএনএস হাঙ্গর ভারতের যুদ্ধজাহাজ আইএনএস যুকরিকে ডুবিয়ে দিয়েছিল। স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে সেটিই ছিল প্রথম কোনো যুদ্ধজাহাজ ডোবার ঘটনা, যা পাকিস্তান নৌবাহিনীর অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে উদযাপিত হয়। তবে ওই একটি ঘটনা ১৯৭১ সালের যুদ্ধের ফলাফলে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। ভারত এবং বাংলাদেশের যৌথ বাহিনীর কাছে পাকিস্তানি বাহিনী জল, স্কুল ও আকাশপথে চূড়ান্তভাবে পরাস্ত হয়েছিল।

এখন দীর্ঘ সময় পর পাকিস্তান তার নতুন সাবমেরিন বহরের প্রথমটির নাম আবারও পিএনএস হাঙ্গর রেখে সেই প্রতীকী ইতিহাসকে পুনরুজ্জীবিত করতে চাইছে।

গত সপ্তাহে চীন থেকে করাচিতে এসে পৌঁছানো এই সাবমেরিনটি নিয়ে শ্রীলঙ্কায় একটি অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেন এর এসকর্ট ফুটিলার কমান্ডার কমোডর ওমর ফারুক। তিনি জানান, এই হাঙ্গর ক্লাস সাবমেরিন যুক্ত হওয়ার ফলে পাকিস্তান নৌবাহিনীর কর্মপরিধি অনেক বৃদ্ধি পাবে এবং এটি বঙ্গোপসাগরে উপস্থিতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি গেম চেঞ্জার হিসেবে কাজ করবে। পাকিস্তান এই শ্রেণির মোট আটটি সাবমেরিন। নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে।

১৯৭১ সালের পর থেকে পাকিস্তানের নৌ-তৎপরতা মূলত উত্তর আরব সাগরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। অন্য দিকে, বঙ্গোপসাগরে ভৌগোলিক ও কৌশলগত কারণে ভারতের একক আধিপত্য রয়েছে। সেখানে ভারতের ইস্টার্ন নেভাল কমান্ড অবস্থিত। তবে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, উপকূল থেকে ১২ নটিক্যাল মাইলের পর আন্তর্জাতিক জলসীমায় যেকোনো দেশের সামরিক নৌযান চলাচলের স্বাধীনতা রয়েছে। ফলে পাকিস্তান আইনিভাবে সেখানে প্রবেশ করতে পারলেও, তা ভারতের কৌশলগত মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।

পাকিস্তানের এই নতুন সমুদ্র-আকাঙক্ষার পেছনে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার সাম্প্রতিক কূটনৈতিক ও সামরিক সম্পর্কের উষ্ণতাকে একটি বড় কারণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। ২০২৪ সালে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় থেকেই ঢাকা ও ইসলামাবাদের সম্পর্কে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসে।

দীর্ঘ কয়েক দশক পর ঢাকা-করাচি সরাসরি বিমান চলাচল শুরু হয়েছে এবং করাচি থেকে চট্টগ্রামে সরাসরি সমুদ্রপথে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল পুনরায় চালু হয়েছে। ২০২৪-এর আগস্ট থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২৭% বৃদ্ধি পায় এবং ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে তা আরও ২০% বৃদ্ধি পেয়ে ১ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছায়।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের বিমান বাহিনী প্রধান পাকিস্তান সফর করেন এবং চীন-পাকিস্তান যৌথ প্রযুক্তির ‘জেএফ-১৭’ ফাইটার জেট ক্রয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এছাড়া দুই দেশই আমান-২৫’ নৌ-মহড়ায় অংশ নেয়। ২০২৫ সালের নভেম্বরে পাকিস্তানি যুদ্ধজাহাজ পিএনএস সাইফ চার দিনের শুভেচ্ছা সফরে চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করে, যা ১৯৭১ সালের পর প্রথম কোনো পাকিস্তানি যুদ্ধজাহাজের বাংলাদেশ সফর ছিল।

যদিও বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পাকিস্তানি সামরিক ঘাঁটি বা সুবিধা দেওয়ার চুক্তি করেনি, তবে দুই দেশের মধ্যে একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে বলে গুঞ্জন রয়েছে। অবশ্য ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারতের সাথেও ঢাকার সম্পর্কের নতুন উষ্ণতা তৈরি হয়েছে।

পাকিস্তানের এই নতুন সাবমেরিনগুলো এয়ার ইন্ডিপেনডেন্ট প্রোপালশন প্রযুক্তিসম্পন্ন। এর ফলে প্রথাগত ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিনের মতো এগুলোকে ব্যাটারি চার্জ করার জন্য ঘন ঘন পানির ওপরে আসতে হবে না। এটি দীর্ঘ সময় পানির নিচে লুকিয়ে থাকতে পারে, যা একে শত্রুর রাডারে সহজে ধরা পড়তে দেয় ना।

বিশ্লেষকদের ধারণা এই সাবমেরিনগুলো ভবিষ্যতে পাকিস্তানের সমুদ্র-ভিত্তিক পারমাণবিক সক্ষমতার প্রধান প্ল্যাটফর্ম হতে পারে।

তবে ১৯৭১ সালের চেয়ে বর্তমান ভারত মহাসাগরের কৌশলগত পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। বর্তমান ভারত নৌবাহিনী অনেক বেশি শক্তিশালী তাদের রয়েছে পারমাণবিক সাবমেরিন, দুটি বিমানবাহী রণতরী এবং দূরপাল্লার সামুদ্রিক নজরদারি ব্যবস্থা। তাই পাকিস্তানের এই পদক্ষেপ বঙ্গোপসাগরে ভারতের আধিপত্য পুরোপুরি পরিবর্তন করতে না পারলেও, ভারতের জন্য এটি একটি নতুন কৌশলগত অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি

বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়ন করছে পাকিস্তান

Update Time : ১২:১১:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

চীন-নির্মিত পাকিস্তানের নতুন হাঙ্গর-ক্লাস সাবমেরিন সম্প্রতি করাচি বন্দরে এসে পৌঁছেছে। তবে এই সাবমেরিনকে ঘিরে পাকিস্তান নৌবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের একটি মন্তব্য দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্য দিয়েছে। পাকিস্তানি নৌ-কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই সাবমেরিনের মাধ্যমে তারা দূরবর্তী বঙ্গোপসাগরে নিজেদের উপস্থিতি বজায় রাখতে চান।

১৯৭১ সালের যুদ্ধে পাকিস্তানের চূড়ান্ত পরাজয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে বঙ্গোপসাগরে দেশটির নৌবাহিনীর কার্যকর কোনো উপস্থিতি ছিল না। দীর্ঘ ৫৫ বছর পর সেখানে পুনরায় নিজেদের প্রভাব বিস্তারের এই উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নৌবাহিনীর ইতিহাসে হাঙ্গর নামটি পাকিস্তানের কাছে অত্যন্ত প্রতীকী ও ঐতিহাসিক। ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ চলাকালে তৎকালীন পাকিস্তানি সাবমেরিন পিএনএস হাঙ্গর ভারতের যুদ্ধজাহাজ আইএনএস যুকরিকে ডুবিয়ে দিয়েছিল। স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে সেটিই ছিল প্রথম কোনো যুদ্ধজাহাজ ডোবার ঘটনা, যা পাকিস্তান নৌবাহিনীর অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে উদযাপিত হয়। তবে ওই একটি ঘটনা ১৯৭১ সালের যুদ্ধের ফলাফলে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। ভারত এবং বাংলাদেশের যৌথ বাহিনীর কাছে পাকিস্তানি বাহিনী জল, স্কুল ও আকাশপথে চূড়ান্তভাবে পরাস্ত হয়েছিল।

এখন দীর্ঘ সময় পর পাকিস্তান তার নতুন সাবমেরিন বহরের প্রথমটির নাম আবারও পিএনএস হাঙ্গর রেখে সেই প্রতীকী ইতিহাসকে পুনরুজ্জীবিত করতে চাইছে।

গত সপ্তাহে চীন থেকে করাচিতে এসে পৌঁছানো এই সাবমেরিনটি নিয়ে শ্রীলঙ্কায় একটি অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেন এর এসকর্ট ফুটিলার কমান্ডার কমোডর ওমর ফারুক। তিনি জানান, এই হাঙ্গর ক্লাস সাবমেরিন যুক্ত হওয়ার ফলে পাকিস্তান নৌবাহিনীর কর্মপরিধি অনেক বৃদ্ধি পাবে এবং এটি বঙ্গোপসাগরে উপস্থিতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি গেম চেঞ্জার হিসেবে কাজ করবে। পাকিস্তান এই শ্রেণির মোট আটটি সাবমেরিন। নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে।

১৯৭১ সালের পর থেকে পাকিস্তানের নৌ-তৎপরতা মূলত উত্তর আরব সাগরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। অন্য দিকে, বঙ্গোপসাগরে ভৌগোলিক ও কৌশলগত কারণে ভারতের একক আধিপত্য রয়েছে। সেখানে ভারতের ইস্টার্ন নেভাল কমান্ড অবস্থিত। তবে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, উপকূল থেকে ১২ নটিক্যাল মাইলের পর আন্তর্জাতিক জলসীমায় যেকোনো দেশের সামরিক নৌযান চলাচলের স্বাধীনতা রয়েছে। ফলে পাকিস্তান আইনিভাবে সেখানে প্রবেশ করতে পারলেও, তা ভারতের কৌশলগত মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।

পাকিস্তানের এই নতুন সমুদ্র-আকাঙক্ষার পেছনে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার সাম্প্রতিক কূটনৈতিক ও সামরিক সম্পর্কের উষ্ণতাকে একটি বড় কারণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। ২০২৪ সালে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় থেকেই ঢাকা ও ইসলামাবাদের সম্পর্কে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসে।

দীর্ঘ কয়েক দশক পর ঢাকা-করাচি সরাসরি বিমান চলাচল শুরু হয়েছে এবং করাচি থেকে চট্টগ্রামে সরাসরি সমুদ্রপথে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল পুনরায় চালু হয়েছে। ২০২৪-এর আগস্ট থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২৭% বৃদ্ধি পায় এবং ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে তা আরও ২০% বৃদ্ধি পেয়ে ১ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছায়।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের বিমান বাহিনী প্রধান পাকিস্তান সফর করেন এবং চীন-পাকিস্তান যৌথ প্রযুক্তির ‘জেএফ-১৭’ ফাইটার জেট ক্রয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এছাড়া দুই দেশই আমান-২৫’ নৌ-মহড়ায় অংশ নেয়। ২০২৫ সালের নভেম্বরে পাকিস্তানি যুদ্ধজাহাজ পিএনএস সাইফ চার দিনের শুভেচ্ছা সফরে চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করে, যা ১৯৭১ সালের পর প্রথম কোনো পাকিস্তানি যুদ্ধজাহাজের বাংলাদেশ সফর ছিল।

যদিও বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পাকিস্তানি সামরিক ঘাঁটি বা সুবিধা দেওয়ার চুক্তি করেনি, তবে দুই দেশের মধ্যে একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে বলে গুঞ্জন রয়েছে। অবশ্য ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারতের সাথেও ঢাকার সম্পর্কের নতুন উষ্ণতা তৈরি হয়েছে।

পাকিস্তানের এই নতুন সাবমেরিনগুলো এয়ার ইন্ডিপেনডেন্ট প্রোপালশন প্রযুক্তিসম্পন্ন। এর ফলে প্রথাগত ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিনের মতো এগুলোকে ব্যাটারি চার্জ করার জন্য ঘন ঘন পানির ওপরে আসতে হবে না। এটি দীর্ঘ সময় পানির নিচে লুকিয়ে থাকতে পারে, যা একে শত্রুর রাডারে সহজে ধরা পড়তে দেয় ना।

বিশ্লেষকদের ধারণা এই সাবমেরিনগুলো ভবিষ্যতে পাকিস্তানের সমুদ্র-ভিত্তিক পারমাণবিক সক্ষমতার প্রধান প্ল্যাটফর্ম হতে পারে।

তবে ১৯৭১ সালের চেয়ে বর্তমান ভারত মহাসাগরের কৌশলগত পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। বর্তমান ভারত নৌবাহিনী অনেক বেশি শক্তিশালী তাদের রয়েছে পারমাণবিক সাবমেরিন, দুটি বিমানবাহী রণতরী এবং দূরপাল্লার সামুদ্রিক নজরদারি ব্যবস্থা। তাই পাকিস্তানের এই পদক্ষেপ বঙ্গোপসাগরে ভারতের আধিপত্য পুরোপুরি পরিবর্তন করতে না পারলেও, ভারতের জন্য এটি একটি নতুন কৌশলগত অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।