১০:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বিএনপি নেতা হারুন আল রশিদ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৪৩:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • ২ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক চীফ হুইপ, প্রতিমন্ত্রী এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের পাঁচ বারের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট হারুন আল রশিদ এর তৃতীয় দফা নামাজে জানাজা শেষে চির বিদায়ে অশ্রুসিক্ত নয়নে শহরের শেরপুরস্থ মায়ের কবরের পাশে দাফন সম্পন্ন করা হয়। এর আগে গতকাল শনিবার বাদ জোহর মরহুমের নিজ জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের নিয়াজ মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পরিচালনা করেন মৌলভীপাড়া জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ জাকারিয়া।

এর আগে বিএনপির বর্ষীয়ান এই নেতার রাজনৈতিক ও কর্মময় জীবন নিয়ে আলোচনা করেন কেন্দ্রীয় বিএনপি ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মরহুমের বড় ছেলে কানাডার প্রবাসী চিকিৎসক আসিফ হারুন।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের এম. এ. হান্নান এমপি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের এম. এ. মান্নান, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সাবেক পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ, পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মাওলানা মোবারক হোসেন, এনসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির (দঃ) যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোঃ আতাউল্লাহ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সাঈদুল হক সাঈদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা সেক্রেটারি মাওলানা নিয়াজুল কারীম, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

জানাজা শেষে জেলা বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব, রেড ক্রিসেন্ট, এলামনাই অব ব্রাহ্মণবাড়িয়া অন্নদা এক্স স্টুডেন্ট সোসাইটি (আবেশ), বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ব্যবসায়ী সমন্বয় কমিটিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা প্রিয় নেতাকে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব বলেন, হারুন-আল-রশিদ ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনীতির অভিভাবক। দলের দুর্দিনে তিনি সাহসিকতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ছিলেন কর্মীবান্ধব নেতা। রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও সবাই তাকে সম্মান করতেন। তার মৃত্যু শুধু বিএনপির নয়, পুরো জেলার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তার আদর্শ আগামী প্রজন্মের রাজনীতিকদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

এর আগে শুক্রবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা এবং রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে প্রথম ও দ্বিতীয় দফা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ৯ টার দিকে ঢাকায় বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ জুলাই কোথায় বসছে আমির-গৌরীর বিয়ের আসর?

চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বিএনপি নেতা হারুন আল রশিদ

Update Time : ০৭:৪৩:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক চীফ হুইপ, প্রতিমন্ত্রী এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের পাঁচ বারের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট হারুন আল রশিদ এর তৃতীয় দফা নামাজে জানাজা শেষে চির বিদায়ে অশ্রুসিক্ত নয়নে শহরের শেরপুরস্থ মায়ের কবরের পাশে দাফন সম্পন্ন করা হয়। এর আগে গতকাল শনিবার বাদ জোহর মরহুমের নিজ জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের নিয়াজ মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পরিচালনা করেন মৌলভীপাড়া জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ জাকারিয়া।

এর আগে বিএনপির বর্ষীয়ান এই নেতার রাজনৈতিক ও কর্মময় জীবন নিয়ে আলোচনা করেন কেন্দ্রীয় বিএনপি ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মরহুমের বড় ছেলে কানাডার প্রবাসী চিকিৎসক আসিফ হারুন।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের এম. এ. হান্নান এমপি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের এম. এ. মান্নান, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সাবেক পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ, পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মাওলানা মোবারক হোসেন, এনসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির (দঃ) যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোঃ আতাউল্লাহ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সাঈদুল হক সাঈদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা সেক্রেটারি মাওলানা নিয়াজুল কারীম, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

জানাজা শেষে জেলা বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব, রেড ক্রিসেন্ট, এলামনাই অব ব্রাহ্মণবাড়িয়া অন্নদা এক্স স্টুডেন্ট সোসাইটি (আবেশ), বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ব্যবসায়ী সমন্বয় কমিটিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা প্রিয় নেতাকে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব বলেন, হারুন-আল-রশিদ ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনীতির অভিভাবক। দলের দুর্দিনে তিনি সাহসিকতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ছিলেন কর্মীবান্ধব নেতা। রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও সবাই তাকে সম্মান করতেন। তার মৃত্যু শুধু বিএনপির নয়, পুরো জেলার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তার আদর্শ আগামী প্রজন্মের রাজনীতিকদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

এর আগে শুক্রবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা এবং রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে প্রথম ও দ্বিতীয় দফা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ৯ টার দিকে ঢাকায় বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।