বিনোদন ডেস্ক
চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববির কথিত স্বামী ও ব্যবসায়িক পার্টনার প্রযোজক মির্জা আবুল বাশার মামুনকে গ্রেপ্তার করেছে গুলশান থানা পুলিশ। তার বিরুদ্ধে চাকরি, ডিলারশিপ দেওয়া এবং গাড়ি ভাড়া নিয়ে আত্মসাৎ করাসহ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার একাধিক প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। গতকাল শুক্রবার (১৯ জুন) দিবাগত রাতে গুলশানের একটি বাসায় দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে বাথরুমের ফলস সিলিং থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
জানা গেছে, বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে গুলশানের সেই বাসায় মির্জা আবুল বাশারের অবস্থান করার বিষয়ে নিশ্চিত ছিল পুলিশ। সেই পরিপ্রেক্ষিতে একটি মামলার বাদীকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে গুলশান থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে।
ওই বাসায় অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন গুলশান থানার ওসি (অপারেশন) মো. মিজানুর রহমান। গণমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘আমরা মির্জা বাশারকে দীর্ঘদিন যাবৎ খুঁজছিলাম। তার বিরুদ্ধে প্রতারণার ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ এবং অনেক লোকজনও তার সন্ধান করছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় একটি মামলার বাদীকে নিয়ে গতকাল রাত থেকে আমরা এখানে অভিযান পরিচালনা করি। বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত ছিলাম যে তিনি এই বাসায় অবস্থান করছেন। এরপর এই বাসার একজন ম্যানেজার, বাশারের অফিসের একজন স্টাফকে নিয়ে এই বাসায় তাকে আমরা খুঁজতে থাকি, কিন্তু তাকে না পেয়ে আমার অফিসাররা হতাশ হয়ে পড়েন।’
অবশেষে একটি বাথরুমের ফলস সিলিং থেকে অভিযুক্ত মির্জা আবুল বাশার মামুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওসি (অপারেশন) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘পরে আমি বাথরুমে একটা ফলস হাব (সিলিং) দেখতে পেয়ে সন্দেহ করি যে, সেখানে তিনি উঠে থাকতে পারেন। তখন আমার একজন অফিসারকে সেখানে চেক করতে বলি। যাইহোক, সেখান থেকে পরে মির্জা বাশারকে আমরা গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই।’
তবে কোন মামলায় মির্জা আবুল বাশারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এই বিষয়ে এখনও পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
উল্লেখ্য, পটুয়াখালীর ইসলামাবাদের পশ্চিম আউলিয়াপুরের ফখরুল ইসলামের বড় ছেলে মির্জা আবুল বাশার ওরফে মামুন। এর আগে, গত বছর অক্টোবরেও একটি প্রতারণা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করেছিল গুলশান থানা পুলিশ।
Reporter Name 
























