০৪:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাজেটের প্রভাব নেই নিত্যপণ্যের বাজারে: স্থিতিশীল সবজি ও মাংসের দাম

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:১২:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • ৫ Time View

সবুজদিন রিপোর্ট।।

নতুন অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর সাধারণত নিত্যপণ্যের দামে অস্থিরতা দেখা দিলেও, এবারের চিত্র ভিন্ন। বাজেটের কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি রাজধানীর বাজারগুলোতে। শুক্রবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আগের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে। একই সঙ্গে স্বস্তি ফিরেছে ডিম ও মুরগির বাজারেও।

সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম
বাজারে সবজির সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকায় দাম নাগালের মধ্যেই রয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশ সবজি ৫০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, আলু ২৫ টাকা, পটল ৬০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, ধুন্দুল ৫০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, কচুরমুখী ৫০ টাকা এবং পেঁপে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া করলা ৭০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৬০-৭০ টাকা, গোল ও লম্বা বেগুন ৬০ টাকা এবং শসা ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি কাঁচামরিচ পাওয়া যাচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায় এবং প্রতি আঁটি ধনেপাতা বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়। লাউ প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। তবে গাজরের দাম কিছুটা বেশি, যা ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লেবু বিক্রি হচ্ছে প্রতি হালি ২০ টাকায় (বড়) ও ১০ টাকায় (ছোট)। এছাড়া পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়।

মাংস ও ডিমের বাজার পরিস্থিতি
মুরগির বাজারে স্বস্তি ফিরেছে। ব্রয়লার মুরগি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ঈদের পর গরুর মাংসের দাম বাড়েনি, বর্তমানে তা ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিমের ডজন প্রতি দাম রয়েছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা।

মাছের বাজারে মিশ্র প্রভাব
মাছের দামেও তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি। তবে চিংড়ির দাম কিছুটা বেশি। বাজারের সাধারণ মাছের দামের চিত্র নিম্নরূপ:

পাঙাশ: ১৮০–২০০ টাকা কেজি

তেলাপিয়া: ২০০–২৩০ টাকা কেজি

রুই: ২৬০–৩৫০ টাকা কেজি

মৃগেল: ২৫০–৩০০ টাকা কেজি

পাবদা: ৩৫০ টাকা কেজি

পোয়া: ২৬০ টাকা কেজি

শোল: ৭০০ টাকা কেজি

টাকি: ৪০০ টাকা কেজি

দেশি টেংরা: ৬০০ টাকা কেজি

বাইম: ৬০০–৮০০ টাকা কেজি

কই: ৪০০–৫০০ টাকা কেজি

শিং: ৪০০ টাকা কেজি

চিংড়ি মাছ আকার ও জাতভেদে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা বলছেন, বাজেটের পরে পণ্যের দাম না বাড়ায় আপাতত স্বস্তি রয়েছে। তবে বাজারে এই স্থিতিশীলতা কতদিন বজায় থাকে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাজেটের প্রভাব নেই নিত্যপণ্যের বাজারে: স্থিতিশীল সবজি ও মাংসের দাম

Update Time : ০১:১২:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সবুজদিন রিপোর্ট।।

নতুন অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর সাধারণত নিত্যপণ্যের দামে অস্থিরতা দেখা দিলেও, এবারের চিত্র ভিন্ন। বাজেটের কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি রাজধানীর বাজারগুলোতে। শুক্রবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আগের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে। একই সঙ্গে স্বস্তি ফিরেছে ডিম ও মুরগির বাজারেও।

সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম
বাজারে সবজির সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকায় দাম নাগালের মধ্যেই রয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশ সবজি ৫০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, আলু ২৫ টাকা, পটল ৬০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, ধুন্দুল ৫০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, কচুরমুখী ৫০ টাকা এবং পেঁপে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া করলা ৭০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৬০-৭০ টাকা, গোল ও লম্বা বেগুন ৬০ টাকা এবং শসা ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি কাঁচামরিচ পাওয়া যাচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায় এবং প্রতি আঁটি ধনেপাতা বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়। লাউ প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। তবে গাজরের দাম কিছুটা বেশি, যা ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লেবু বিক্রি হচ্ছে প্রতি হালি ২০ টাকায় (বড়) ও ১০ টাকায় (ছোট)। এছাড়া পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়।

মাংস ও ডিমের বাজার পরিস্থিতি
মুরগির বাজারে স্বস্তি ফিরেছে। ব্রয়লার মুরগি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ঈদের পর গরুর মাংসের দাম বাড়েনি, বর্তমানে তা ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিমের ডজন প্রতি দাম রয়েছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা।

মাছের বাজারে মিশ্র প্রভাব
মাছের দামেও তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি। তবে চিংড়ির দাম কিছুটা বেশি। বাজারের সাধারণ মাছের দামের চিত্র নিম্নরূপ:

পাঙাশ: ১৮০–২০০ টাকা কেজি

তেলাপিয়া: ২০০–২৩০ টাকা কেজি

রুই: ২৬০–৩৫০ টাকা কেজি

মৃগেল: ২৫০–৩০০ টাকা কেজি

পাবদা: ৩৫০ টাকা কেজি

পোয়া: ২৬০ টাকা কেজি

শোল: ৭০০ টাকা কেজি

টাকি: ৪০০ টাকা কেজি

দেশি টেংরা: ৬০০ টাকা কেজি

বাইম: ৬০০–৮০০ টাকা কেজি

কই: ৪০০–৫০০ টাকা কেজি

শিং: ৪০০ টাকা কেজি

চিংড়ি মাছ আকার ও জাতভেদে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা বলছেন, বাজেটের পরে পণ্যের দাম না বাড়ায় আপাতত স্বস্তি রয়েছে। তবে বাজারে এই স্থিতিশীলতা কতদিন বজায় থাকে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।