সবুজদিন রিপোর্ট।।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় সদ্য জন্ম নেওয়া এক শিশুকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ওই নবজাতকের দুই হাত ও পায়ে রয়েছে ৩০টি আঙুল। শুধু তাই নয়, জন্মগতভাবে তার জিহ্বাও নেই বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকালে জন্মের পরপরই মঠবাড়িয়ার ড্রিম অ্যান্ড হেলথ কেয়ার হাসপাতালে শিশুটিকে দেখতে ভিড় করেন স্বজন ও কৌতূহলী মানুষ।
জানা গেছে, সাধারণ শিশুর মতো ২০টি নয়, তার হাতে ১৬টি এবং পায়ে ১৪টি মিলিয়ে মোট ৩০টি আঙুল রয়েছে।
শিশুটির বাবা ইসমাইল পালোহন উপজেলার বড় মাছুয়া ইউনিয়নের ভোলমারা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন দিনমজুর। জেসমিন আক্তারের পঞ্চম সন্তান এটি। পরিবারের অন্য সন্তানরা স্বাভাবিক হলেও নবজাতকটির শারীরিক গঠন দেখে হতবাক স্বজনরা। কিন্তু মা আর চারটি সন্তানের মতো আপন করে শিশুটিকে নিয়ে বাঁচতে চান। আর্থিক অবস্থা ভালো না থাকার কারণে ভালো চিকিৎসার অভাব দেখা দিয়েছে তাদের।
শিশুটির মা জেসমিন আক্তার জানান, সিজার করতে এসেছি টাকা ধার করে। বাচ্চার চিকিৎসা কিভাবে চালাবো সেটা এখন ভাবনার বিষয়। সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে আমার জন্য উপকার হবে।
এ ব্যাপারে নবজাতক ও শিশু চিকিৎসক ডা. মো. মনিরুজ্জামান বলেন, অতিরিক্ত আঙুল নিয়ে জন্ম নেওয়ার এ অবস্থাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘পলিড্যাকটিলিজম’ বলা হয়। তবে শিশুটির জিহ্বা না থাকা একটি বিরল জন্মগত ত্রুটি, যা নিয়ে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন।
চিকিৎসকদের মতে, উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে শিশুটির ভবিষ্যৎ চিকিৎসা পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে। এদিকে সন্তানের সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
Reporter Name 

























